1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
কেউ যদি বলে, আমি হাদিস মানি না; শুধু কুরআন মানি। তাহলে তার বিধান কি? | Avas Multimedia কেউ যদি বলে, আমি হাদিস মানি না; শুধু কুরআন মানি। তাহলে তার বিধান কি? | Avas Multimedia
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

কেউ যদি বলে, আমি হাদিস মানি না; শুধু কুরআন মানি। তাহলে তার বিধান কি?

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ২০ বার দেখেছে

হাদিস অস্বীকার কারী/কুরআনবাদীরা কাফের
▬▬▬▬◈◍◈▬▬▬▬
প্রশ্ন: কেউ যদি বলে, আমি হাদিস মানি না; শুধু কুরআন মানি। তাহলে তার বিধান কি?
উত্তর:
যারা বলে, “আমরা হাদিস মানি না; শুধু কুরআন মানি” তাদেরকে বলা হয়, আহলে কুরআন বা কুরআনবাদী। এই গোষ্ঠীটি ইসলামের গণ্ডি থেকে বহিষ্কৃত, কাফির-মুরতাদ এবং ইসলামের ঘোরতর শত্রু- এ ব্যাপারে পৃথিবীর সকল আলেম একমত।

➧ এর কারণ সহ বিস্তারিত পড়ুন:

জানা অপরিহার্য যে, কুরআন ও হাদিস উভয়টির সমন্বয়েই ইসলাম। একটিকে বাদ দিয়ে আরেকটি অচল। কেননা কুরআনের ব্যাখ্যা হল, হাদিস। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে বাস্তব জীবনে কুরআনের প্রয়োগ ঘটিয়েছেন এবং উদাহরণ দিয়ে উম্মতকে কুরআনের মর্মবাণী বুঝিয়েছেন। হাদিস ব্যতিরেক কুরআন মর্মবাণী ও প্রকৃত অর্থ কোনও কালেই বুঝা সম্ভব নয়।

আরেকটি বিষয় হল, কুরআন যেমন আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি (প্রত্যাদেশ) ঠিক তেমনিভাবে হাদিসও ওহি। প্রথমটিকে বলা হয় ওহি মাতলু আর ২য়টিকে বলা হয় ওহি গাইরে মাতুল। অর্থাৎ উভয়টির উৎস এক। কারণ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পক্ষ থেকে বানিয়ে কোনও কথা বলেন নি। তিনি যা বলেছেন তা ওহি তথা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাদিষ্ট হয়েই বলেছেন।

◍ আল্লাহ বলেন,
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى إِنْ هُوَ إِلا وَحْيٌ يُوحَى
“তিনি (নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মনগড়া কথা বলেন না। তা তো ওহী, যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ হয়।” (সূরা নাজম: ৩-৪)

কুরআনে আল্লাহ তাআলা বহু স্থানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুসরণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদেশ-নিষেধগুলোই মূলত: হাদিস।

◍ আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا
“আর রসূল তোমাদেরকে যা দেন তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করেন তা হতে বিরত থাক।” (সূরা হাশর: ৭)

◍ তিনি আরও বলেন,
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ
“বল, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর। ফলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করবেন।” (সূরা আলে ইমরান: ৩১)

◍ তিনি অন্যত্র বলেছেন,
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللهَ وَالْيَوْمَ الآخِر
“তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্য রাসূলুল্লাহর (চরিত্রের) মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।” (সূরা আহযাব: ২১)

◍ তিনি আরও বলেন,
فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجاً مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيماً
“কিন্তু না, তোমার প্রতিপালকের শপথ! তারা বিশ্বাসী (মু’মিন) হতে পারবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ-বিসম্বাদের বিচারভার তোমার উপর অর্পণ না করে অতঃপর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তকরণে তা মেনে নেয়।” (সূরা নিসা: ৬৫)

◍ তিনি আরও বলেন,
فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ

“আর যদি কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটে, তাহলে সে বিষয়কে আল্লাহ ও রসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও।” (সূরা নিসা: ৫৯)

উলামাগণ বলেন, এর অর্থ হল: কিতাব ও সুন্নাহর দিকে ফিরিয়ে দাও।

◍ তিনি আরও বলেন,
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ الله
“যে রসূলের আনুগত্য করল, সে আল্লাহরই আনুগত্য করল।” (সূরা নিসা: ৮০)

◍ তিনি অন্যত্রে বলেছেন,
وَإِنَّكَ لَتَهْدِي إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ صِراطِ اللهِ
“আর নিশ্চয়ই তুমি (হে নবী) সরল পথ প্রদর্শন কর সেই আল্লাহর পথ।” (সূরা যুখরুফ: ৫২)

◍ তিনি আরও বলেন,
فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَنْ تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
“সুতরাং যারা তার আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তারা সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় অথবা কঠিন শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে।” (সূরা নূর: ৬৩)

◍ তিনি আরও বলেন,
وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلَى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللهِ وَالْحِكْمَةِ
“আল্লাহর আয়াত ও জ্ঞানের কথা যা তোমাদের গৃহে পঠিত হয়, তা তোমরা স্মরণ রাখ।” (সূরা আহযাব: ৩৪)

◍ তাছাড়া সালাত, সিয়াম, যাকাত, হজ্জ ইত্যাদি সব কিছুর খুঁটিনাটি বিধান-বিধান কুরআনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয় নি। সেগুলোর ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ পদ্ধতি পাওয়া যায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদিস সমূহে।

◈◈ তাহলে কি কুরআন অসম্পূর্ণ?

এখানে হাদিস অস্বীকার কারীরা প্রশ্ন করতে পারে যে, কিভাবে সালাত আদায় করব, কিভাবে যাকাত দিব, কিভাবে রোজা রাখব ইত্যাদি তো কুরআনে নেই। তাহলে কি কুরআন অসম্পূর্ণ?

আমরা এর উত্তরে বলব, কুরআন অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ। কুরআনে কোনও ত্রুটি বা খুঁত নেই। কেননা কুরআন যখন নিজেই বলেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের ব্যাখ্যা দিবেন তখন কুরআনের প্রতি এ অভিযোগ তোলা কিভাবে সঙ্গত হতে পারে?

সুতরাং কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের জন্য অপরিহার্য হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর হাদিস ও ব্যাখ্যা অনুসরণ করা। আমরা যদি তা না করি তাহলে প্রকারান্তরে এই কুরআনকেই অস্বীকার করা হবে।

◍ আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ
“আর আপনার প্রতি আমরা কুরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মানুষকে যা তাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেন এবং যাতে তারা চিন্তা করে।” (সূরা আন নাহল: ৪৪)

◍ তিনি আরো বলেন,
وَمَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ إِلَّا لِتُبَيِّنَ لَهُمُ ٱلَّذِي ٱخۡتَلَفُواْ فِيهِ وَهُدٗى وَرَحۡمَةٗ لِّقَوۡمٖ يُؤۡمِنُونَ
“আর আমরা তো আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যারা এ বিষয়ে মতভেদ করে তাদেরকে সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য এবং যারা ঈমান আনে এমন সম্প্রদায়ের জন্য পথনির্দেশ ও দয়াস্বরূপ।” (সূরা নাহল: ৬৪)

সুতরাং কেউ হাদিস অস্বীকার করলে তাকে অবশ্যই ইসলামে মৌলিক বিধিবিধানগুলো অস্বীকার করতে হবে। আর কেউ তা করলে সে কখনো মুসলিম থাকতে পারে না।

মোটকথা, কেউ যদি বলে, ‘কুরআন মানি; হাদিস মানি না বা হাদিস মানি; কুরআন মানি না’ তাহলে সে প্রকারান্তরে ইসলামকেই অস্বীকার করল। আর যে কুরআনের একটি আয়াত, বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত একটি হাদিস বা ইসলামের একটি বিধানকে অস্বীকার করবে সে ইসলামের গণ্ডির মধ্যে থাকবে না, সে কাফির-মুরতাদ। এ ব্যাপারে পৃথিবীর কোনও আলেম দ্বিমত করেন নি।

➧ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রাহ. বলেন,
من أنكر السنة وقال: السنة لا يحتج بها ويكفي القرآن هذا كافر نعوذ بالله، الله أعطى النبي القرآن ومثله معه
“যে ব্যক্তি সুন্নাহ (হাদিস)কে অস্বীকার করবে এবং বলবে যে, সুন্নাহ দ্বারা দলিল দেয়া যাবে না; কেবল কুরআনই যথেষ্ট সে কাফির। (আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
আল্লাহ তাআলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কুরআন দিয়েছেন সাথে দিয়েছেন অনুরূপ আরেকটি জিনিস। (তা হল, সুন্নাহ বা হাদিস)।” (binbaz org.sa)

➧ তিনি আরও বলেন,

“যেমনটি ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, এরা আহলে কুরআন (কুরআনপন্থী) নয় বরং মিথ্যাবাদী ও কুরআনের দুশমন। কেননা কুরআন নির্দেশ দেয় সুন্নাহর অনুসরণ এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনুগত্য করার।
সুতরাং যে সুন্নাহকে অস্বীকার করল সে কুরআনকেই অস্বীকার করল। যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবাধ্যতা করল সে কুরআনের অবাধ্যতা করল। এরা কুরআন পন্থী নয় বরং কুরআন বিরোধী, নাস্তিক, পথভ্রষ্ট এবং আলেমদের সর্বসম্মতিক্রমে কাফের।
যে ব্যক্তি সুন্নাহ অস্বীকার করবে, সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করবে না এই বিশ্বাসে যে, কুরআন ছাড়া অন্য কিছু আমলযোগ্য নয় তাহলে সে মিথ্যাবাদী। সে মূলত: কুরআন অনুযায়ী আমল করল না। সে নিজে পথভ্রষ্ট; অন্যকেও পথভ্রষ্টকারী এবং আহলে ইলমদের সর্বসম্মতিক্রমে কাফের। এই কথাগুলো আমি একটি প্রকাশিত পুস্তিকায় লিখেছি। যার নাম: “সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা আবশ্যক।” (প্রাগুক্ত)

◈◈ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভবিষ্যতবাণীর সত্যতা:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভবিষ্যৎ বাণী কিভাবে সত্যে পরিণত হয়েছে তা অভাবনীয়! সুবহানাল্লাহ!

তিনি বলেছেন,
ألا إني أوتيت الكتاب ومثله معه لا يوشك رجل شبعان على أريكته يقول عليكم بهذا القرآن فما وجدتم فيه من حلال فأحلوه وما وجدتم فيه من حرام فحرموه
“জেনে রাখ, আমি কুরআন প্রাপ্ত হয়েছি এবং তার সাথে আরও অনুরূপ আরেকটি জিনিস (তা হল হাদিস)। অচিরেই দেখা যাবে, উদরপূর্তি করে এক লোক খাটের উপর থেকে বলবে, “তোমরা এই কুরআনকে আঁকড়ে ধর। এতে যা হালাল পাবে তা হালাল মনে কর আর যা হারাম পাবে তাকে হারাম মনে কর।“ (আবু দাউদ, মিকদাদ ইবনে মাদিকারাব থেকে বর্ণিত, সনদ সহিহ)

◈◈ হাদিস অস্বীকার কারী গোষ্ঠী/কুরআনবাদীদের আবির্ভাব:

উপরোক্ত হাদিসটি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নবুওয়তের সত্যতার স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। কারণ, নবুওয়তের যুগ পার হওয়ার পরপরই ইহুদিদের দোষর শিয়া-রাফেযী ও খারেজী সম্প্রদায়ের হাত ধরে ইসলামের ছত্রছায়ায় বিভিন্ন দল-উপদল ও ফিরকা তৈরি হয়। সে সব ফিরকার মধ্যে একটি ফিরকা হল, হাদিস অস্বীকার কারী ‘আহলে কুরআন’ ফিরকা। যাদের কুফরি ও ভ্রান্ত মতবাদ হল, একমাত্র কুরআনই যথেষ্ট। এরা হাদিস ও সু্ন্নাহকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে। (নাউযুবিল্লাহ)

উনিশ শতকের শেষ দিকে এবং বিশ শতকের প্রথম দিকে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে নতুন করে এই ভ্রান্ত মতবাদের উৎপত্তি হয়। তারপর তা পাকিস্তানে জায়গা নেয়। এরপরে ক্রমান্বয়ে তা আরও বিভিন্ন মুসলিম দেশে সংক্রমিত হতে থাকে।

বর্তমানে বাংলাদেশ তাদের জমজমাট কার্যক্রম রয়েছে। এমতের অনুসারীদের কেউ কেউ ইউরোপ-আমেরিকায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের এই বিষাক্ত মতবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ফেসবুকে গড়ে তুলেছে বড় বড় পেইজ ও গ্রুপ। আর এদের খপ্পরে পড়ে মাথা নষ্ট করছে এবং ঈমান হারাচ্ছে সাধারণ শিক্ষিত মানুষ। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী যারা দ্বীনের সহিহ জ্ঞান থেকে বঞ্চিত।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম জাতিকে এ হাদিস অস্বীকার কারী গোষ্ঠী বা তথাকথিত আহলে কুরআনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন। আমিন।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬◈◍◈▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মাধ‌্যমগুলোতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার (রাত ১:৪৯)
  • ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত-২০২০-২০২১ ‍avasmultimedia.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD