1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
পড়ালেখার কৌশল ও স্মরণ শক্তি বৃদ্ধির উপায় | Avas Multimedia পড়ালেখার কৌশল ও স্মরণ শক্তি বৃদ্ধির উপায় | Avas Multimedia
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

পড়ালেখার কৌশল ও স্মরণ শক্তি বৃদ্ধির উপায়

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১
  • ১৮ বার দেখেছে
পড়ালেখার কৌশল ও স্মরণ শক্তি বৃদ্ধির উপায়
▬▬▬▬💠🌀💠▬▬▬▬
প্রশ্ন: স্মরণ শক্তি বৃদ্ধির উপায় কি? কিভাবে পড়ালেখা করলে আমি পড়ালেখা মুখস্থ রাখতে পারব? দয়া করে এমন কিছু দুআ ও আমলের কথা বলুন যেগুলোর মাধ্যমে আমি ভুলে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি।
উত্তর:
জ্ঞানার্জনের জন্য একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা জরুরি। যেমন:
১. জ্ঞানার্জনের প্রচণ্ড আগ্রহ থাকা
২. পূর্ণ বোধশক্তি (বোঝার ক্ষমতা) থাকা।
৩. মনের মধ্যে প্রশান্ত ভাব ও স্থিরতা থাকা। মনে অস্থিরতা ও বিক্ষিপ্ততা জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে বিরাট বাধা।
৪. সব সময় পড়ালেখার মধ্যে থাকা।
৫. প্রতিটি শব্দ বিশ্লেষণ করে পড়া।
➰ ভুলে যাওয়ার চিকিৎসা:
১. ভুলে গেলে পড়াটা আবার পড়া। যতবার ভুলে যাবেন ততবারই বই খুলে দেখে নিতে হবে।
২. মুখস্থ কৃত বিষয়গুলো বারবার রিপিট করা বা কাউকে শোনানো।
৩. বইয়ের সিরিয়াল অনুযায়ী নয় বরং মূল পয়েন্টগুলো সংক্ষেপে নিজস্ব সিরিয়াল অনুযায়ী সাজিয়ে লিখা। পড়াগুলোকে নিজের মত করে সাজিয়ে নেয়াটা দীর্ঘস্থায়ীভাবে ধরে রাখার জন্য খুবই কার্যকর।
৪. পুরোটা টেক্সট মুখস্থ না করে কেবল অল্প কয়েকটা পয়েন্ট মুখস্থ রাখা যেগুলো স্মরণ করলে বাকি কথাগুলো অনেকটাই স্মরণ হবে।
৫. কয়েকজন আগ্রহী শিক্ষার্থী একসাথে স্টাডি করা। একজন শিক্ষকের মত বাকিদেরকে পড়াবে। কোথাও ত্রুটি হলে অন্যরা সংশোধন করে দিবে। যে যে বিষয়টা ভালো বুঝে সে অন্যদেরকে সে বিষয়টা পড়াবে।
➰ স্মৃতিশক্তি প্রখর করার জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ:
১) সব ধরণের পাপাচার থেকে দূরে থাকা। পাপাচার স্মৃতিশক্তি ধ্বংস করার জন্য সবচেয়ে বড় কারণ।
২) সুস্বাস্থ্য। এ জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম ও পরিমিত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার।
৩) নিম্নোক্ত তিনটি খাবার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। যথা:
ক. আদা
খ. মধু
গ. কিশমিশ।
পূর্ববর্তী মনিষীগণ স্বরণশক্তি বৃদ্ধির জন্য এ তিনটি খাবারের প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
৪) আল্লাহর নিকট জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য দুআ করা। সেজদা অবস্থায়, আযান ও একামতের মধ্যবর্তী সময়, ভোর রাতে তাহাজ্জুদ সালাতের পরে, জুমার দিন আসর থেকে সূর্য ডোবা পর্যন্ত সময়, রোযা অবস্থায়, সফর অবস্থায় এবং অন্যান্য সময় হাত উঠি আল্লাহর কাছে নিজের ভাষায় স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি এবং নিজের সমস্যা ও প্রয়োজন তুলে ধরে দুআ করতে হবে।
বেশি বেশি পাঠ করুন:
“রাব্বি যিদনী ইলমা” (হে আল্লাহ, আপনি আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।)
আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমীন।
▬▬▬▬💠🌀💠▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মাধ‌্যমগুলোতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার (রাত ২:৫২)
  • ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত-২০২০-২০২১ ‍avasmultimedia.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD