1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
জন্মান্ধের দৃষ্টিশক্তি জিন থেরাপিতে ফিরল - Avas Multimedia জন্মান্ধের দৃষ্টিশক্তি জিন থেরাপিতে ফিরল | Avas Multimedia
শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কবিতা ::: আমি চাই ::: জুনাইরা নুহা নাকের ছিদ্রের পশম তুলে ফেলা জায়েজ কি? আব্দুল কাদের জিলানীর কারণে কি বাগদাদ শহরের কবর আজাব মাফ? কেউ যদি বুঝতে পারে যে, কিছুদিনের মধ্যে তার মৃত্যু হবে তাহলে তার জন্য ১০টি করণীয় ও দিক নির্দেশনা​ সুললিত কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত কারীর জন্য কতিপয় দিক নির্দেশনা এবং কণ্ঠের ‘রিয়া’ থেকে মুক্তির ১০ উপায় দাম্পত্য জীবনে ভালবাসা বৃদ্ধির কয়েকটি সহজ উপায় গান-বাজনা শোনার ক্ষতি, বাঁচার ১০ উপায় এবং সাবলিমিনাল সালাতে মনে বিনয়-নম্রতা ও ভয়ভীতি সৃষ্টি এবং মনস্থির রাখার উপায় গুলো কি কি? কুরআন ভুলে যাওয়ার সমস্যা থেকে উত্তরণের ১০টি কার্যকরী উপায় সালাতে অলসতা দূর করার ১৩ উপায়
ঈদ মোবারক
শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

জন্মান্ধের দৃষ্টিশক্তি জিন থেরাপিতে ফিরল

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪ বার

জন্মান্ধের দৃষ্টিশক্তি জিন থেরাপিতে ফিরল

টানা ১৩ বছরের গবেষণার পর জিন থেরাপিতে সফলতার দেখা পেয়েছেন সুইজারল্যান্ডের একদল গবেষক। জিনগত অন্ধত্ব দূর করতে ঐ গবেষক দলের গবেষণাকে মানব ইতিহাসের জন্য মাইলফলক হিসাবে দেখা হচ্ছে। ঐ গবেষকদের কল্যাণে ৪০ বছর পর আংশিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন এক অন্ধ ব্যক্তি। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের গবেষকরা অপটোজেনেটিক থেরাপি ও বিশেষ চশমার ব্যবহারে তার দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে সক্ষম হয়েছেন। গবেষকরা দাবী করেছেন, এ ধরনের থেরাপি মানুষের ওপর সফল প্রয়োগের ঘটনা এটাই প্রথম।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫৮ বছর বয়সী ঐ অন্ধ ব্যক্তি ৪০ বছর ধরে রেটিনাইটিস পিগমেনটোসা নামে স্নায়ুজনিত চক্ষুরোগে ভুগছিলেন। এতে চোখের ফটোরিসেপ্টরগুলোর ক্ষতি হওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যেতে পারেন। বিজ্ঞানীরা চোখের রেটিনা কোষকে পুনঃপ্রোগ্রাম করতে এক ধরনের জিন থেরাপি ব্যবহার করেছেন। গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে নেচার মেডিসিন সাময়িকীতে। গবেষকরা বলছেন, এ থেরাপি ব্যবহারে চশমা পরা অবস্থায় কোন বস্ত্ত শনাক্ত, অবস্থান নির্ণয় বা গণনা করতে পারেন রোগী। ঘরের ব্যবহার্য জিনিসপত্র শনাক্ত করতে পারেন। গবেষক দলের সদস্য হোসে অ্যালেন সাহেল বলেন, এটা অবশ্যই রাস্তার শেষ নয়, তবে এটি একটি অন্যতম মাইলফলক। জিন থেরাপির মাধ্যমে অন্ধত্ব দূর করার লক্ষ্যে সাহেলের দল নিকট ভবিষ্যতে আরও স্বেচ্ছাসেবীকে নিয়ে কাজ করবেন। এতদিন যা ছিল শুধুই তাত্ত্বিক বিষয়, এখন তা প্রায়োগিক হওয়ার কারণে বিজ্ঞানীদের পক্ষে কাজ করা আগের চেয়ে সহজ হয়েছে বলে মনে করেন সাহেল।

[আমরা এই গবেষণার সাফল্যের জন্য আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি তাঁর বিজ্ঞানী বান্দাদের মধ্যে ইলম প্রক্ষেপণ করেছেন। যার মাধ্যমে তারা সফলতা পেয়েছেন। ভবিষ্যতে এ সফলতা আরও সাফল্য লাভ করুক, সেই দো‘আ করি। যাতে বিশ্বের কোটি কোটি চক্ষু রোগী পূর্ণ দৃষ্টি লাভে সক্ষম হন (স.স.)]।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মাধ‌্যমগুলোতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার (রাত ১১:৩৯)
  • ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ৪ঠা সফর, ১৪৪৩ হিজরি
  • ২৭শে ভাদ্র, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত-২০২০-২০২১ ‍avasmultimedia.com
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD