1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
রাগ, হিংসা ও জেদ - Avas Multimedia রাগ, হিংসা ও জেদ - Avas Multimedia
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোশতের টুকরায়, গাছের পাতায়, মাছের গায়ে, রুটিতে, বাচ্চার শরীর ইত্যাদিতে আল্লাহর নাম: একটা ঘটনা প্রায় শোনা যায় যে, ইবলিস মুসা আলাইহিস সালাম-এর কাছে তওবা করতে চেয়েছিল। মুহররম মাসের ফজিলত ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণিত ১৪টি সহিহ হাদিস অতিরিক্ত দামীও নয় আবার ছেঁড়া-ফাটাও নয় বরং মধ্যম মানের পোশাক পরা উচিৎ সুন্নতি পোশাক (পুরুষ-নারী) আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? হুসাইন রা. এর শাহাদাত এবং আশুরার শোক পালন প্রসঙ্গে এক ঝলক ইবাদত শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা কি? ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজ-কারবার ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজে কি সওয়াব পাওয়া যায়? অনুমতি ছাড়া স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অর্থ-সম্পদ খরচ করা রাতের বেলায় যে সকল সূরা ও আয়াত পড়ার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে

রাগ, হিংসা ও জেদ

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫৯ বার
রাগ, হিংসা ও জেদ
▬▬▬💠💠▬▬▬
প্রশ্ন: আমার মধ্যে যদি হিংসা, রাগ, জেদ ইত্যাদি থাকে তাহলে কি আমার ঈমান ঠিক থাকবে?
উত্তর:
রাগ, জেদ, হিংসা ইত্যাদিগুলো মানুষের মধ্যে থাকা অস্বাভাবিক নয়। কেননা, এগুলো মানুষের মানবিক বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি মানুষের মধ্যেই কমবেশি এগুলো রয়েছে। কিন্তু উত্তম তো সেই ব্যক্তি যে এগুলোকে প্রতিহত করে।
🌀 রাগ:
রাগ মানব জীবনের একটি দুর্বল পয়েন্ট। অতিরিক্ত রাগের সময় মানুষের হিতাহিত জ্ঞান লোপ পায়। রাগের বশবর্তী হয়ে মানুষ অনেক সময় এমন কিছু অন্যায় কথা বলে ফেলে বা অন্যায় কাজ করে ফেলে যার কারণে তাকে পরবর্তীতে আফসোস করতে হয় এবং লজ্জিত হতে হয়।
শয়তান এ দুর্বল মুহূর্তে মানুষকে অনেক বড় বড় অন্যায় কাজ করতে প্ররোচিত করে। তাই রাগের সময়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেছেন অর্থাৎ আঊযুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রাজীম পাঠ করতে নির্দেশনা প্রদান করেছেন এবং রাগ না করার জন্য বারবার উপদেশ দিয়েছেন।
তবে রাগ সব সময় খারাপ নয়। তখনো রাগ করা প্রশংসনীয় গুণ হিসেবে বিবেচিত হয় যখন তা দ্বারা অন্যায় প্রতিহত করা হবে বা কল্যাণের কাজে ব্যবহার করা হবে। যেমন: কোনো অন্যায়-অপকর্ম দেখে রাগ করা, শরিয়া বিরোধী কাজ দেখলে অন্তরে ক্ষোভ সৃষ্টি হওয়া। এটি একজন মানুষের মধ্যে ঈমানের পরিচায়ক। প্রিয় নবী শরিয়ত লঙ্ঘিত হলে মাঝে মাঝে এত বেশি রাগ করতেন যে, মানুষ তার সামনে যাওয়ার সাহস হারিয়ে ফেলত।
কিন্তু ব্যক্তিগত ছোটখাটো বিষয়ে রাগারাগি ও ঝগড়াঝাঁটি করা খুবই অ পছন্দনীয় বৈশিষ্ট্য।
🌀 হিংসা:
হিংসা খুব খারাপ বৈশিষ্ট্য। এর ক্ষয়-ক্ষতি পরিমাণ অনেক। আল্লাহ তাআলা কুরআনে হিংসুকের হিংসা থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলেছেন। (সূরা ফালাক)।
হিংসুক নিজেই নিজের দুশমন। সে অন্যের ভালো দেখে হিংসার আগুনে জ্বলে পুড়ে তছনছ হয়। মানসিকভাবে অস্থির থাকে। তাই হিংসা-বিদ্বেষ থেকে অন্তরকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য চেষ্টা করতে হবে এবং এ জন্য আল্লাহর নিকট দুআ করতে হবে।
🌀 জেদ:
জেদ বা একরোখা স্বভাব প্রশংসনীয় নয়। আমাদের কর্তব্য, একরোখা স্বভাব থেকে বের হয়ে হকের পথে থাকা। একগুঁয়েমি করে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা ধ্বংসাত্মক বৈশিষ্ট্য।
অবশ্য কেউ যদি সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে জেদ করে এবং সকলের বিরোধিতা স্বত্বেও তার উপর অবিচল থাকে তাহলে তা তার ঈমানি শক্তি ও নৈতিক দৃঢ়তার প্রমাণ বহন করে। এটি প্রশংসনীয়। সব মানুষ এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে পারে না।
তবে অযথা রাগ, জেদ এবং হিংসা ইত্যাদির কারণে ঈমান চলে যায় না। কিন্তু এতে ঈমান ও আমল ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাতে কোন সন্দেহ নাই।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল খারাপ বৈশিষ্ট্য থেকে রক্ষা করুন। আমীন।
▬▬▬💠💠▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৮:৫৯)
  • ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD