1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
ভারতবর্ষে আহলে হাদিসদের প্রকৃত ইতিহাস: ২য় পর্ব - Avas Multimedia ভারতবর্ষে আহলে হাদিসদের প্রকৃত ইতিহাস: ২য় পর্ব - Avas Multimedia
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোশতের টুকরায়, গাছের পাতায়, মাছের গায়ে, রুটিতে, বাচ্চার শরীর ইত্যাদিতে আল্লাহর নাম: একটা ঘটনা প্রায় শোনা যায় যে, ইবলিস মুসা আলাইহিস সালাম-এর কাছে তওবা করতে চেয়েছিল। মুহররম মাসের ফজিলত ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণিত ১৪টি সহিহ হাদিস অতিরিক্ত দামীও নয় আবার ছেঁড়া-ফাটাও নয় বরং মধ্যম মানের পোশাক পরা উচিৎ সুন্নতি পোশাক (পুরুষ-নারী) আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? হুসাইন রা. এর শাহাদাত এবং আশুরার শোক পালন প্রসঙ্গে এক ঝলক ইবাদত শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা কি? ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজ-কারবার ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজে কি সওয়াব পাওয়া যায়? অনুমতি ছাড়া স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অর্থ-সম্পদ খরচ করা রাতের বেলায় যে সকল সূরা ও আয়াত পড়ার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে

ভারতবর্ষে আহলে হাদিসদের প্রকৃত ইতিহাস: ২য় পর্ব

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৭৩ বার
ভারতবর্ষে আহলে হাদিসদের প্রকৃত ইতিহাস: ২য় পর্ব
❑ জমঈয়তে আহলে হাদিস গঠন:
১৩২৪ হিজরি মোতাবেক ১৯০৬ খৃষ্টাব্দে আহলে হাদিস আলেমগণ শায়খুল ইসলাম আবুল ওয়াফা সানা উল্লাহ আমৃতসরী [১৩৬৭ হি.] এর নেতৃত্বে এমন একটি জমঈয়ত (সংঘ) গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যার উদ্দেশ্য হল, সালফে-সালেহিনের বুঝ অনুযায়ী কিতাব-সুন্নাহর প্রচার, বিভিন্ন ইসলাম বিধ্বংসী আন্দোলন ও আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা। যার নাম দেয়া হয়, ‘অল ইন্ডিয়া আহলে হাদিস কনফারেন্স।’
১৯৪৭ খৃষ্টাব্দে উপমহাদেশে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার পর আহলে হাদিস আন্দোলন সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। যার কারণে আহলে হাদিসদের সর্ব বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিল্লীর দারুল হাদিস রহমানিয়া তাদের হাত ছাড়া হয়ে যায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে অনতিবিলম্বে নতুনভাবে ভারত ও পাকিস্তানে জমঈয়তে আহলে হাদিস গঠন করা হয়। ফলে জমঈয়তের হারানো শক্তি পুনরায় ফিরে আসে।
অতঃপর উভয় দেশের জমঈয়ত যুগের চাহিদা পূরণ ও সালাফে-সালেহিনের রীতির আলোকে কুরআন-সুন্নাহর পাঠ ও পঠনের নিমিত্তে বিভিন্ন মাদরাসা, জামেয়া ও একাডেমী প্রতিষ্ঠা করে।
❑ জমঈয়ত প্রতিষ্ঠিত কতিপয় উল্লেখযোগ্য জামেয়া:
ভারত:
১. জামেয়া সালাফিয়া বেনারস। এটি ভারতের মাটিতে আহলে হাদিসদের প্রতিষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আরবি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকাল ১৩৮৩ হিজরি মোতাবেক ১৯৬৩ খৃষ্টাব্দ।
২. জামেয়া রহমানিয়া।
৩. জামেয়া আহমদিয়া সালাফিয়া।
৪. জামেয়া দারুস সালাম, উমরাবাদ।
৫. জামেয়া সালাফিয়া, কেরালা।
৬. জামেয়া আল হিন্দ, কেরালা।
৭. জামেয়া ইসলামিয়া, মুম্বাই।
৮. জামেয়া ইবনে তায়মিয়া, বিহার।
৯. জামেয়া ইমাম বুখারি, বিহার ইত্যাদি।
পাকিস্তান:
১. জামেয়া সালাফিয়া, ফয়সালাবাদ। এটি হল ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির পর পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত সর্ব বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৫১ খৃষ্টাব্দ।
২. জামিয়াতুল উলূমিল আসারিয়া, জালহাম।
৩. জামেয়া আবু বকর সিদ্দীক, করাচী।
৪. জামেয়া মুহাম্মাদিয়া, গুজরানাওয়ালা ইত্যাদি।
❑ প্রকাশনার জগতে জমঈয়তে আহলে হাদিস:
এছাড়াও জমঈয়তের পক্ষ থেকে অনেক গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা হয় যেখানে বহু মূল্যবান ও বিরল গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি ও বই-পুস্তক রয়েছে। প্রকাশনার জগতে পাকিস্তান জমঈয়ত তার একাধিক আঞ্চলিক শাখা থেকে উর্দু ও আরবি ভাষায় পত্র-পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও সাময়িকী প্রকাশ করে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ:
১. মাসিক আহলে হাদিস, অমৃতসর
২. মাসিক আহলে হাদিস, লাহোর
৩. তরজুমানে আহলে হাদিস
৪. আল ইতিসাম
৫. আল রিবাত
৬. সউতুল উম্মাহ
৭. মুসলিম
৮. তাওহিদ
৯. সউতুল হক
১০. ও সিরাতে মুস্তাকীম ইত্যাদি।
❑ জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদিস প্রতিষ্ঠা:
১৯৮৫ খৃষ্টাব্দে ছাত্র ও যুবকদের জন্য গঠন করা হয় জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদিস এবং জমঈয়তে তালাবায়ে আহলে হাদিস পাকিস্তান। এরপর এই পদ্ধতিতে ভারত উপমহাদেশের অন্যান্য দেশেও আহলে হাদিস ছাত্র ও যুবকদের জন্য আলাদা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৯৩ খৃষ্টাব্দে অক্টোবরে পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদিসের জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে বেশ কয়েকটি সিটে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হয়। জমঈয়তের আমীর প্রফেসর সাজিদ মীর পাকিস্তানের পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন।
❑ আহলে হাদিসদের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব:
ক) পাকিস্তান:
পাকিস্তানে আহলে হাদিসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন:
১) শাইখ মুহাম্মদ দাউদ গজনবী (১৮৯৫-১৯৬৩খৃ:):
তিনি পাকিস্তান জমঈয়তের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি। তিনি ফয়সালাবাদে জামেয়া সালাফিয়া প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আল্লামা মুহাম্মদ ইসমাইল এর সাথে শরীক হন। তিনি পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামী আইন বাস্তবায়নে সম্মতি দিয়ে প্রশংসিত হন। কাদিয়ানী এবং হাদিস অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে তার অনেক ইলমি অবদান রয়েছে।
মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে তিনি এর প্রথম কেবিনেট সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম প্রণয়নে অংশ গ্রহণ করেন।
২) আল্লামা মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফি ( মৃত্যু: ১৯৬৮খৃ:)
আল্লামা মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী পাকিস্তানে জামেয়া আহলে হাদিস প্রতিষ্ঠার অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি পাকিস্তানের মাটিতে দাওয়াহ ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রে প্রভাব সৃষ্টিকারী ভূমিকা রাখেন। গুজরানাওয়ালা আহলে হাদিস জামে মসজিদের খতীবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান জামেয়া মুহাম্মাদিয়ার শিক্ষক বোর্ডের প্রধান ছিলেন। অনুরূপভাবে তিনি পাঞ্জাব জমঈয়তে আহলে হাদিসের প্রধান কার্যালয়ের তত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন এবং ১৯৪৬ সালের দিল্লী কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে জমঈয়তের ইলমী কমিটির সেক্রেটারি নির্বাচন করা হয়।
১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভক্তির পর তিনি পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদিসের সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হন এবং মৃত্যু অবধি (১৯৬৮ সাল) তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
শাইখ মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী কাদিয়ানী ফিতনা প্রতিরোধ কল্পে গঠিত ‘খতমে নবুওয়ত আন্দোলন’ এর কার্যকরী পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন।
১৯২৪ সালে হিন্দুত্ব বাদী ‘শুদ্ধি আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন যখন মুলকান এলাকায় মুসলিমদেরকে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরের কাজ শুরু করেছিল তখন তাদের প্রতিরোধে গঠিত হয়েছিল তাবলিগগী প্রতিনিধি দল। আল্লামা ইসমাইল সালাফী রহ. এই দলের একজন একনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। সেই সাথে তিনি দাওয়াহ, এরশাদ, তাদরিস, ফতোয়া ইত্যাদিরও কাজও আঞ্জাম দেন।
অনুরূপভাবে ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভক্তির পর ভারত থেকে পাকিস্তানে হিজরতকারী পরিবার সমূহের পুনর্বাসন এবং তাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে শাইখের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। সেই সাথে তিনি অনেক মসজিদ-মাদরাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন।
এত কিছুর পরেও পাকিস্তানের রাজনীতিতে তার বিশাল ভূমিকা ছিল। রাজনৈতিকভাবে তিনি প্রভাবিত ছিলেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ দ্বারা। তিনি এবং মুহাম্মদ দাউদ গজনবী পাকিস্তানে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার দাবিতে পাকিস্তান সরকারের নিকট জমঈয়তের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৫২ সালে পাকিস্তানে ইসলামি সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে তিনি সদস্য নির্বাচিত হন।
১৩৮৭ হিজরি ২৩ জিলকদ মোতাবেক ১৯৬৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার তিনি পরলোক গমন করেন।
তিনি বেশ কতিপয় গ্রন্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হল, বিখ্যাত হাদিস সংকলন মিশকাতুল মাসাবীহ গ্রন্থের উর্দু অনুবাদ ও ব্যাখ্যা।
৩) আল্লামা মুহাম্মদ বিন ফজলুদ্দীন গুন্দলবি [মৃত্যু: ১৯৮৫খৃ.]:
শাইখ মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী এর পর বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও উসূলবীদ আল্লামা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ফজলুদ্দীন গুন্দলবী জমঈয়তের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
৪) আল্লামা শাইখ এহসান এলাহি যহীর (মৃত্যু: ১৯৮৭খৃ:):
বিশিষ্ট বাগ্মী আল্লামা শাইখ এহসান এলাহি যহীর, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিসান্স প্রাপ্ত। তিনি বিদআত পন্থীদের বিরুদ্ধে অনেক মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেন।
৫) প্রফেসর সাজিদ মীর:
জমঈয়তের বর্তমান সভাপতি প্রফেসর সাজিদ মীর যিনি ১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জমঈয়তের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল শাইখ মিয়া মুহাম্মদ জামিল।
৬) আল্লামা আবু মুহাম্মদ বদীউদ্দীন শাহ রাশেদী সিন্ধী:
পাকিস্তানের আরও একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ আল্লামা আবু মুহাম্মদ বদীউদ্দীন শাহ রাশেদী সিন্ধী। বর্তমান যুগের অন্যতম বড় মুহাদ্দিস। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন সনদের অধিকারী। কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক তার বেশ কিছু মূল্যবান গ্রন্থ রয়েছে। তিনি দুই হারামে দারস দিয়েছেন। ভারত, পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশ থেকে তার প্রচুর ছাত্র রয়েছে।
খ) ভারত:
ভারতে আহলে হাদিসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন:
– শাইখ আব্দুল ওয়াহাব আরবি। তিনি পাক-ভারত বিভাজনের পরে ভারতে জমঈয়তের নবগঠিত কমিটির প্রথম সভাপতি ছিলেন।
– শাইখ আব্দুল জলীল রহমানী [মৃত্যু: ১৯৮৬]: তিনি ছিলেন জমঈয়ের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি উর্দু ভাষায় কুরআনের তাফসীর রচনা করেন এবং তার তত্ত্বাবধানে আল মিসবাহ নামে প্রকাশিত হয় একটি উর্দু ম্যাগাজিন ।
– আব্দুল হাফীজ সালাফী। তিনি শায়খ আব্দুল ওয়াহাব আরবির পরে জমঈয়তের সভাপতির পদ অলংকৃত করেন। বর্তমানে তিনি বিহারে প্রতিষ্ঠিত জামেয়া আহমদিয়া সালাফিয়া এর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন।
– শাইখ আব্দুল ওয়াহীদ বিন আব্দুল হক সালাফী (মৃত্যু: ১৯৮৯খৃ): তিনি শাইখ আব্দুল হাফীজ সালাফীর পর জমঈয়তের সভাপতির পদে অধিষ্ঠিত হন। সেই সাথে তিনি জামেয়া সালাফিয়া বেনারস এর প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে মৃত্যু অবধি পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেন।
– শাইখ আব্দুল হামীদ বিন আব্দুল জব্বার রহমানী। লিসান্স, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি ইতোপূর্বে জমঈয়তের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এওয়াইকিং সেন্টার দিল্লী’র প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
– শাইখ মুখতার আহমদ নদভী। তিনি আদ দার আস সালাফিয়া-বোম্বাই এর পরিচালক। তিনি মারকাযী জমঈয়তে আহলে হাদিস-হিন্দ এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, শাইখ আব্দুল ওয়াহিদ খিলজী, লিসান্স: মদিনা ইসলামী বিশ্বিবদ্যালয়।
– শাইখ উবায়দুল্লাহ রহমানী মোবারক পুরী রহ.:
ভারতে আহলে হাদিসদের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেন, জামেয়া সালাফিয়া-বেনারস এর প্রধান প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শাইখ উবায়দুল্লাহ রহমানী মোবারক পুরী রহ.। তিনি ‘মিরআতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ’ গ্রন্থের রচয়িতা।
– শাইখ আব্দুস সামাদ শরফ উদ্দিন ও ডক্টর মুক্তাদা হুসাইন আযহারী:
এ ক্ষেত্রে আল্লামা শাইখ আব্দুস সামাদ শরফ উদ্দিনের নাম উল্লেখযোগ্য। আরেক জন বরেণ্য ব্যক্তিত্ব হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ডক্টর মুক্তাদা হুসাইন আযহারী। তিনি জামেয়া সালাফিয়া বেনারস এর প্রভোস্ট, মাসিক সউতুল উম্মাহ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক এবং ইলমী গবেষণা বিভাগের প্রধান। এ ছাড়াও বিরাট সংখ্যক বিদগ্ধ ওলামায়ে কেরাম রয়েছেন যারা সুন্নাহ ও দাওয়াহর খেদমতে নিজেদেরকে নিয়োজিত রেখেছেন।
[উল্লেখ্য যে, এই প্রবন্ধটি অনেক আগের লেখা। সময়ের ব্যবধানে জমঈয়তের নেতৃত্ব ও কার্যক্রমে অনেক পরিবর্তন এসেছে।-অনুবাদক]
(চলবে ইনশআল্লাহ)

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (বিকাল ৪:২৭)
  • ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD