1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
  2. melisenda@indexing.store : david06w10 :
  3. tilly@itchydog.store : karolynchappell :
  4. joannleslie6562@b.cr.cloudns.asia : magdacollick53 :
  5. hannasoliz3758@qiott.com : sheetaldubay7658gse :
জুমার দিন উপলক্ষে 'জুমা মোবারক' বলার বিধান - Avas Multimedia
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন

জুমার দিন উপলক্ষে ‘জুমা মোবারক’ বলার বিধান

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশের সময়ঃ শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩৬ বার দেখেছে

জুমার দিন উপলক্ষে ‘জুমা মোবারক’ বলার বিধান
▬▬▬➰▬▬▬
প্রশ্ন: “জুমা মুবারক” বলার বিধান কি? মুবারক শব্দের অর্থ কি?
উত্তর:
মুবারক শব্দের অর্থ: বরকতময়, কল্যাণময়, শুভ। ‘জুমা মোবারক’ অর্থ: শুভ জুমা দিবস। যারা এটি বলে তাদের উদ্দেশ্য এ দিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা।

🔳 এখন দেখি, ইসলামের দৃষ্টিতে জুমার দিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করা কতটুকু শরিয়ত সম্মত?:

আমাদের অজানা নয় যে, জুমার দিন মুসলিমদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। কেননা এ মর্মে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
إِنَّ هَذَا يَوْمُ عِيدٍ جَعَلَهُ اللهُ لِلْمُسْلِمِينَ ، فَمَنْ جَاءَ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ ، وَإِنْ كَانَ طِيبٌ فَلْيَمَسَّ مِنْهُ ، وَعَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ
“নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা মুসলিমদের জন্য জুমু‘আর দিনকে ঈদের দিন হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। সুতরাং জুমু‘আয় শরিক হওয়ার পূর্বে গোসল করে নিবে। আর সুগন্ধি থাকলে, ব্যবহার করবে। আর অবশ্যই মিসওয়াক করবে।” (সুনানে ইবনে মাজাহ: হা/ ১০৯৮, শাইখ আলবানী এটিকে হাসান বলেছেন- সহীহ ইবনে মাজাহ)

তাহলে মুসলিমদের জন্য মোট ঈদ তিন দিন। বাৎসরিক ঈদ হল, ঈদুল আযহা (কুরবানির ঈদ) এবং ঈদুল ফিতর (রমাযানের ঈদ)। আর সাপ্তাহিক ঈদ হল, জুমার দিন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ঈদুল ফিতর ও আযহার শেষে সাহাবীগণ একে অপরের সাথে দেখা হলে এ বলে, শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন: “তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম” “আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ থেকে (নেক আমল) কবুল করুন।” তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিংবা সাহাবীগণ জুমার দিন উপলক্ষে কোন ধরণের শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না।
আর এ কথা অজানা নয়, দ্বীনের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবীদের আদর্শের বাইরে নতুন কিছু প্রচলন করা বা আমল করার নামই বিদআত। আর প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা।
◼ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَة
“তোমরা দ্বীনের মাঝে নতুন বিষয় আবিষ্কার করা থেকে বিরত থাকবে, কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয়ই বিদআত। আর প্রতিটি বিদআতের পরিণাম গোমরাহি বা ভ্রষ্টতা।” [সহীহ বুখারী, হা/7277, অধ্যায়: কুরআন ও সন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা]

◼ তিনি আরও বলেন:
مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ فِيهِ فَهُوَ رَدٌّ
“যে ব্যক্তি দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন নতুন জিনিষ চালু করল তা পরিত্যাজ্য। (বুখারী, অধ্যায়: সন্ধি-চুক্তি।)

◼ আর সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে:
مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ
“যে ব্যক্তি এমন আমল করল যার ব্যাপারে আমার নির্দেশ নাই তা প্রত্যাখ্যাত।” (সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: বিচার-ফয়সালা)

➤ কিছু মানুষকে দেখা যায়, জুমার দিন এলে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ব্লগ ইত্যাদিতে ‘জুমা মোবারক’ বলে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে পোস্ট দেয়! কেউ বা সামনা-সামনি দেখা হলে ‘জুমা মোবারক’ বলে শুভেচ্ছা বিনিময় করে! এগুলো থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবীদের আদর্শের মধ্যেই আমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এর বাইরে কোনো কল্যাণ আশা করা যায় না।
আল্লাহ আমাদেরকে বিদআত থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
▬▬▬➰▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সর্ম্পকিত আরোও দেখুন
© আভাস মাল্টিমিডিয়া সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৪