1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
কোরআনের কোনো আয়াত বা সুরা রোগ মুক্তির জন্য বা মনের আশা পুরনের জন্য মনগড়া পদ্ধতিতে আমল কর যাবে না - Avas Multimedia কোরআনের কোনো আয়াত বা সুরা রোগ মুক্তির জন্য বা মনের আশা পুরনের জন্য মনগড়া পদ্ধতিতে আমল কর যাবে না - Avas Multimedia
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোশতের টুকরায়, গাছের পাতায়, মাছের গায়ে, রুটিতে, বাচ্চার শরীর ইত্যাদিতে আল্লাহর নাম: একটা ঘটনা প্রায় শোনা যায় যে, ইবলিস মুসা আলাইহিস সালাম-এর কাছে তওবা করতে চেয়েছিল। মুহররম মাসের ফজিলত ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণিত ১৪টি সহিহ হাদিস অতিরিক্ত দামীও নয় আবার ছেঁড়া-ফাটাও নয় বরং মধ্যম মানের পোশাক পরা উচিৎ সুন্নতি পোশাক (পুরুষ-নারী) আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? হুসাইন রা. এর শাহাদাত এবং আশুরার শোক পালন প্রসঙ্গে এক ঝলক ইবাদত শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা কি? ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজ-কারবার ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজে কি সওয়াব পাওয়া যায়? অনুমতি ছাড়া স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অর্থ-সম্পদ খরচ করা রাতের বেলায় যে সকল সূরা ও আয়াত পড়ার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে

কোরআনের কোনো আয়াত বা সুরা রোগ মুক্তির জন্য বা মনের আশা পুরনের জন্য মনগড়া পদ্ধতিতে আমল কর যাবে না

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫০ বার

🔲 কোরআনের কোনো আয়াত বা সুরা রোগ মুক্তির জন্য বা মনের আশা পুরনের জন্য মনগড়া পদ্ধতিতে আমল কর যাবে না
——————–
প্রশ্ন: কোরআনের শিফার আয়াতগুলো কি আমরা রোগ মুক্তির আশায় সকাল সন্ধ্যায় বা প্রতি নামাজের পরে নিয়মিত আমল করতে পারবো?
এক বোন বলেছেন যে, তিনি প্রতি তাহাজ্জুদ নামাজের পরে ১০০ বার ” রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন ” পড়তেন এবং তার এ আমলের ফলে তিনি সন্তান লাভ করেছিলেন।
আমার প্রশ্ন হল, এমন কোন আমল কি কোনো সহিহ হাদিসে আছে? এবং এটা যেহেতু কোরআনের দোয়া এবং তাহাজ্জুদ পরার পর আল্লাহ বান্দার প্রার্থনা কবুল করেন তাই কেও কি এ আমলটা করতে পারে সন্তান লাভের জন্য?
———————
উত্তর : কুরআনের সুরা, আয়াত বা হাদীসে বর্ণিত দুয়াগুলো পড়ে দ্বীন ও দুনিয়ার যে কোন বিষয়ে মহান আল্লাহর দরবারে সাহায্য প্রার্থনা করা জায়েয রয়েছে। কিন্তু দলীল ছাড়া নির্দিষ্ট সংখ্যা, নির্দিষ্ট সময় বা বিশেষ কোন পদ্ধতি নির্ধারণ করা বৈধ নয়। এ ক্ষেত্রে নিজস্ব ইজতিহাদের সুযোগ নেই।

তাই আমরা বলব, একজন মানুষ সন্তান লাভ বা দ্বীন ও দুনিয়ার যে কোন প্রয়োজন পুরণের জন্য কুরআন-হাদীসের দুয়াগুলো পড়ার পাশাপাশি নিজের ভাষায় মহান আল্লাহর দরবারে ইখলাস (আন্তরিকতা) এর সাথে দুয়া করবে। এ ক্ষেত্রে কবুলের আশা ব্যঞ্জক সময় ও স্থানগুলোর প্রতি লক্ষ রাখবে।

‘রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন’ সন্তান লাভের জন্য এ দুয়াটি পাঠ করা জায়েয রয়েছে। কিন্তু তাহাজ্জুদের পরে ১০০ বার পাঠ করার কথা যেহেতু হাদীসে বর্ণিত হয় নি তাই তা বিদআত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেউ কোন আমল করে উপকৃত হলেও তা শরীয়তে তা বৈধ হওয়ার প্রমান বহন করে না। কেননা, তাবিজ দ্বারাও মানুষ উপকৃত হয়, হিন্দু ঠাকুর, জাদুকর, গণকের গণকগীরি ও তন্ত্র-মন্ত্র দ্বারাও উপকার পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম।

আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তাওফিক দান করুন। আমীন।

উত্তর দিয়েছেন, শাইখ আব্দুল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৬:১২)
  • ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD