1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
ছিয়াম সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর - Avas Multimedia ছিয়াম সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর - Avas Multimedia
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোশতের টুকরায়, গাছের পাতায়, মাছের গায়ে, রুটিতে, বাচ্চার শরীর ইত্যাদিতে আল্লাহর নাম: একটা ঘটনা প্রায় শোনা যায় যে, ইবলিস মুসা আলাইহিস সালাম-এর কাছে তওবা করতে চেয়েছিল। মুহররম মাসের ফজিলত ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণিত ১৪টি সহিহ হাদিস অতিরিক্ত দামীও নয় আবার ছেঁড়া-ফাটাও নয় বরং মধ্যম মানের পোশাক পরা উচিৎ সুন্নতি পোশাক (পুরুষ-নারী) আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? হুসাইন রা. এর শাহাদাত এবং আশুরার শোক পালন প্রসঙ্গে এক ঝলক ইবাদত শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা কি? ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজ-কারবার ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজে কি সওয়াব পাওয়া যায়? অনুমতি ছাড়া স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অর্থ-সম্পদ খরচ করা রাতের বেলায় যে সকল সূরা ও আয়াত পড়ার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে

ছিয়াম সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর

কাজী আসাদ বিন রমজান
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ২৩ বার

প্রশ্ন (১) : শাওয়ালের ছয়টি ছিয়ামের ফযীলত কি?

-মনিরুল ইসলাম
মুর্শিদাবাদ, ভারত।

উত্তর : রামাযানের ছিয়াম পালনের পরে শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম পালন করলে পূর্ণ বছর ছিয়াম পালনের নেকি পাওয়া যায়। আবূ আইয়ূব আনছারী c হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ a বলেছেন, مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ ‘যে ব্যক্তি রামাযানের ছিয়াম পালন করল অতঃপর শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম পালন করল, সে যেন পুরো বছরই ছিয়াম পালন করল’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪; মিশকাত, হা/২০৪৭)।

প্রশ্ন (২) : শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম কি একাধারে আদায় করতে হবে, না-কি বিচ্ছিন্নভাবেও আদায় করা যাবে? আর এই দুটির মধ্যে কোনটি করা উত্তম।

-ফাতিমা খাতুন
বরিশাল।

উত্তর : শাওয়ালের ছিয়ামগুলো একাধারে আদায় করা শর্ত নয়, বরং আলাদা আলাদাভাবেও আদায় করা যায়। আবূ আইয়ুব আনছারী c থেকে বর্ণিত, রাসূল a বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ছিয়াম পালন করার পরে শাওয়াল মাসে ছয়দিন ছিয়াম পালন করে, সে যেন সারা বছরই ছিয়াম পালন করল’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪)। এখানে একাধারে আদায় করতে হবে এমন কোন শর্ত করা হয়নি। সুতরাং শাওয়াল মাসের যেকোনো দিনে আদায় করা যাবে। তবে যত তাড়াতাড়ি আদায় করা যায় ততই ভালো। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও যমীনের সমান, যা মুত্তাক্বীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে’ (আলে ইমরান, ৩/১৩৩)। সুতরাং বিচ্ছিন্নভাবে পালন করার চেয়ে একাধারে শাওয়ালের ছিয়াম পালন করাই বেশি উত্তম।

প্রশ্ন (৩) : রামাযান মাসে আমার হায়েয চলার কারণে আমি কয়েকটি ছিয়াম পালন করতে পারিনি। আমার প্রশ্ন হলো, শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম পালন করার সময় যদি আমি রামাযানের ক্বাযা করার নিয়াত করি তবে কি সেই ক্বাযা আদায় হবে?

-নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

উত্তর : রামাযানের ক্বাযা আদায়ের নিয়্যতে শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম পালন করা শরীয়তসম্মত নয়। কেননা রামাযানের ছিয়াম এবং শাওয়ালের ছিয়াম দুটি পৃথক পৃথক ইবাদত যেগুলো সত্ত্বাগতভাবেই উদ্দেশ্য। সুতরাং দুটিকে একত্রিত করা ছহীহ নয় (ফাতাওয়া শাবাকাতুল ইসলামিয়্যা, ৭/১১৮৩)। রামাযানের ক্বাযার নিয়্যতে শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম পালন করলে তাতে শাওয়ালের ছয়টি ছিয়ামের নেকি অর্জিত হবে না। বরং তাতে পৃথকভাবে নিয়্যত করে অন্য দিনে ছিয়াম পালন করবে।

প্রশ্ন (৪) : যারা শুধু রামাযান মাসে ছালাত আদায় করে ও ছিয়াম পালন করে তাদের ইবাদত কবুল হবে কি?

উত্তর : এমন মানুষের ইবাদাত কবুল হবে না। আবূ হুরায়রা c হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ a বলেছেন, ‘অনেক ছিয়াম পালনকারী এমন আছে যারা তাদের ছিয়ামের বিনিময়ে ‘ক্ষুধার্ত থাকা ছাড়া’ আর কোন ফল লাভ করতে পারে না। এমন অনেক ক্বিয়ামরত (দন্ডায়মান) ব্যক্তি আছে যাদের রাতের ‘ইবাদাত নিশি জাগরণ ছাড়া আর কোন ফল আনতে পারে না (মুসনাদ আহমাদ, হা/৯৬৮৩; মিশকাত, হা/২০১৪)। সাথে সাথে রাসূল বলেছেন, ‘যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত আদায় করে না তারা কাফের’।

প্রশ্ন (৫) : রামাযান মাসে ছুটে যাওয়া ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করার আগে যদি শাওয়াল মাসের ছিয়াম পালন করি, তাহলে সেটি কি সঠিক হবে?

-আতাউর রহমান
রাজশাহী।

উত্তর : হ্যাঁ; রামাযানের ক্বাযা আদায় করার আগে শাওয়ালের ছিয়াম পালন করলে তা সঠিক হবে। কেননা রামাযানের ছিয়াম হলো ফরয, যা ঋতু বা অসুস্থতার কারণে ছুটে গেলে অন্য যেকোনো সময় আদায় করে নিতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের কেউ অসুস্থ থাকলে বা সফরে থাকলে অন্য দিনগুলোতে এ সংখ্যা পূরণ করবে’ (আল-বাক্বারা, ২/১৮৫)। আয়েশা g রামাযানের ছুটে যাওয়া ছিয়াম প্রায় দশ মাস পরে শা‘বান মাসে আদায় করতেন (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৫০)। আর শাওয়ালের ছিয়াম হলো নফল, যা শাওয়াল মাসেই আদায় করতে হয়। রাসূল a বলেছেন, مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ ‘যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ছিয়াম পালন করার পরে শাওয়াল মাসে ছয়দিন ছিয়াম পালন করে, সে যেন সারা বছরই ছিয়াম পালন করল’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬৪)। সুতরাং রামাযানের ক্বাযা আদায় করার আগে শাওয়ালের ছিয়াম পালন করলে তা সঠিক হবে।

প্রশ্ন (৬) : সাহারীর সময় মানুষকে জাগানোর জন্য মাইকে আযান দেওয়া, গজল গাওয়া, কুরআন তেলাওয়াত করা, বক্তব্য দেওয়া ও সাইরেন বাজানো যাবে কি?

-আব্দুল্লাহ, চট্টগ্রাম।

উত্তর : সাহারীর সময় মানুষকে জাগানোর জন্য আযান দেওয়া সুন্নাত। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার c হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল a বলেছেন, ‘বিলাল c রাত থাকতেই আযান দেয়। কাজেই ইবনু উম্মু মাকতূম c আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা খাও এবং পান করো’। আব্দুল্লাহ c বলেন, ইবনু উম্মু মাকতূম c ছিলেন অন্ধ। যতক্ষণ না তাঁকে বলে দেওয়া হতো যে, ‘ভোর হয়েছে, ভোর হয়েছে’ ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না (ছহীহ বুখারী, হা/৬১৭, ছহীহ মুসলিম, হা/১০৯২)। আযান দেওয়া ব্যতীত গজল গাওয়া, কুরআন তেলাওয়াত করা, বক্তব্য এবং সাইরেন বাজানো এগুলোর কোনটিই শরীয়ত কর্তৃক অনুমোদিত নয়, বরং এগুলো বিদআত। সুতরাং এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।

প্রশ্ন (৭) : বিগত রামাযানের বেশ কয়েকটি ছিয়াম বাকি আছে। এ ছিয়াম কি ধারাবাহিকভাবে পালন করতে হবে না-কি বিরতি দিয়ে আদায় করা যাবে?

-জাহাঙ্গীর আলম
উত্তরামপুর, পত্নীতলা, নওগাঁ।

উত্তর : রামাযানের ছুটে যাওয়া ছিয়ামগুলো ধারাবাহিকভাবে পালন না করে বিরতি দিয়েও পালন করা যাবে। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে তারা অন্য দিনগুলোতে পুরণ করবে (আল-বাক্বারা, ২/১৮৪)। এখানে ধারাবাহিকভাবে পালন করার শর্ত করা হয়নি। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে যে, বিরতি দিয়ে রামাযানের ছুটে যাওয়া ছিয়াম পালন করা যাবে। তবে ধারাবাহিকভাবে পালন করাই অধিক উত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও যমীনের সমান, যা মুত্তাক্বীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে’ (আলে ইমরান, ৩/১৩৩)। সুতরাং বিচ্ছিন্নভাবে পালন করার চেয়ে একাধারে রামাযানের ছিয়াম পালন করাই বেশি উত্তম।

প্রশ্ন (৮) : কোনো ব্যক্তি যদি রামাযানে রাত্রিতে স্ত্রী সহবাস করে ঘুমিয়ে যায় এবং অপবিত্র অবস্থায় সাহারী খেয়ে ছিয়াম রাখে, তাহলে উক্ত ছিয়াম শুদ্ধ হবে কি?

-আমাতুল্লাহ, ঢাকা।

উত্তর : যদি ফজর উদিত হওয়ার আগে গোসল না করে, বরং অপবিত্র অবস্থায় সাহারী খেয়ে ছিয়াম থাকে তবুও তার ছিয়াম শুদ্ধ হবে। আবূ বাকর ইবনু ‘আব্দুর রহমান p হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে রওয়ানা হয়ে আয়েশা g-এর নিকট পৌঁছলাম। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর রাসূল a সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি, তিনি স্বপ্নদোষ ব্যতীতই স্ত্রী সহবাসের কারণে জুনুবী অবস্থায় সকাল পর্যন্ত থেকেছেন এবং এরপর ছিয়াম পালন করেছেন (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৩১)। আবূ বাকর p থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তাকে উম্মু সালামা g-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের (অপবিত্র) অবস্থায় ভোর হলো, সে ছিয়াম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ a-এর স্বপ্নদোষ ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় ভোর হত। এরপর তিনি ছিয়াম ভঙ্গও করতেন না এবং ছিয়ামের ক্বাযাও করতেন না (ছহীহ মুসলিম, হা/১১০৯)। তবে রোগ ব্যাধি না থাকলে ফজরের ছালাতের আগে অবশ্যই তাকে গোসল করে ছালাত আদায় করতে হবে।

প্রশ্ন (৯) : লায়লাতুল ক্বদর কি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে হয়ে থাকে না–কি এক সাথে? যদি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয়ে থাকে তাহলে, সৌদি আরবে বিজোড় রাত হলে আমাদের দেশে জোড় রাত হয়। এক্ষণে আমরা কিভাবে লায়তুল ক্বদর খুঁজব?

-কাজী দ্বীন ইসলাম দিপু
শরীয়তপুর।

উত্তর : ক্বদরের রাত মহান আল্লাহর গায়েবের সাথে সম্পৃক্ত। আমাদের বিশ্বের ২৪ ঘন্টার সীমাবদ্ধ দিন রাতের যে সময় তা আল্লাহর সৃষ্টি। মহান আল্লাহর গায়েবেও এভাবেই এই সময়েই সবকিছু হয় এটা ভেবে নেওয়া জায়েয নয়। কেননা মহান আল্লাহ তার নিজের সৃষ্টি করা সময়ের উর্ধ্বে (সুবহানাহু তাআলা)। সুতরাং লাইলাতুল ক্বদরকে নিজের হিসাবে তুলনা করে প্রশ্ন উত্থাপন করা মূলত গায়েবের বিষয়ের উপর প্রশ্ন উত্থাপন করা যা মোটেই ঠিক নয়। কেননা মানুষের দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তির যেমন সীমা রয়েছে তেমনি মানুষের চিন্তাশক্তিরও সীমা রয়েছে। আর গায়েবের এই বিষয়গুলো মানুষের চিন্তাশক্তির বাহিরে। এটি মহান আল্লাহ নিজেই পরিচালনা করেন। রাসূলুল্লাহ a লায়লাতুল ক্বদর রামাযানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিগুলোতে অন্বেষণ করতে বলেছেন। তাছাড়া কোন তারিখে লায়লাতুল ক্বদর হবে? সে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ a নির্দিষ্ট করে কিছু বলে যাননি। বরং তিনি একাধিক হাদীছে বলেছেন, ‘তোমরা রামাযানের শেষ দশকের প্রত্যেক বেজোড় রাত্রিতে ক্বদর তালাশ করো’ (ছহীহ বুখারী, হা/২০১৭; মিশকাত, হা/২০৮৩)। সুতরাং এই শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিগুলোতে অন্বেষণ করলেই আশা করা যায় লায়লাতুল ক্বদর পেয়ে যাবে।

প্রশ্ন (১০) : বিগত দিনের ছুটে যাওয়া ছিয়াম না জানার কারণে ক্বাযা আদায় করা হয়নি। এখন সেই ছিয়ামগুলো সম্পর্কে শারঈ বিধান কী?

-জসিম আলী
মুর্শিদাবাদ, ভারত।

উত্তর : বিগত দিনের ছুটে যাওয়া ছিয়ামের সংখ্যা যদি নিশ্চিতভাবে জানা থাকে, তাহলে অবশ্যই সেগুলোতে একটি ছিয়ামের বদলে একটি ক্বাযা করতে হবে। স্বেচ্ছায় ছিয়াম ছেড়ে দিলে একটি ছিয়ামের বদলে একটিই ক্বাযা করতে হয়। আবূ হুরায়রা c হতে বর্ণিত, নবী a বলেছেন, ‘কোনো লোকের ছিয়াম থাকাবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হলে সে লোককে ঐ ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করতে হবে না। কিন্তু কোনো লোক ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে তাকে ক্বাযা আদায় করতে হবে (তিরমিযী, হা/৭২০)। তবে বিগত দিনের ছিয়ামের সংখ্যা নিশ্চিতভাবে জানা না থাকলে তার ক্বাযা আদায় করবে না। এক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে। মানুষ বিনয়ী হয়ে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ বলেন, (হে নবী) ‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (আয-যুমার, ৩৯/৫৩)।

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৯:৪৪)
  • ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD