1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
ইসলামিক পদ্ধতিতে পশু জবাইয়ের সময় পশু ব্যাথা অনুভব করে কি? - Avas Multimedia ইসলামিক পদ্ধতিতে পশু জবাইয়ের সময় পশু ব্যাথা অনুভব করে কি? - Avas Multimedia
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

ইসলামিক পদ্ধতিতে পশু জবাইয়ের সময় পশু ব্যাথা অনুভব করে কি?

কাজী আসাদ বিন রমজান
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২
  • ১৬ বার

ইসলামিক পদ্ধতিতে পশু জবাইয়ের সময় পশু ব্যাথা অনুভব করে কি না এ নিয়ে একটা পরীক্ষা করা হয়েছিল। গরু জবাইয়ের সময়ে EEG পরীক্ষা করে গরুর মস্তিষ্ক এবং ECG করে গরুর হার্ট দেখা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ডে EEG গ্রাফে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, অর্থাৎ গরু কোনো ব্যাথা পায় না। পরের ৩ সেকেন্ডের EEG রেকর্ডে

দেখা যায়, গরু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার মতো অচেতন হয়ে থাকে, শরীর হতে প্রচুর রক্ত বের হয়ে যাওয়ায় ব্রেইনে রক্ত সরবরাহ হয় না বলে এই অচেতন অবস্থা হয়। এই ৬ সেকেন্ড পরে EEG গ্রাফে Zero level দেখাচ্ছিলো, তার মানে গরু কোনো ব্যাথা পাচ্ছিলো না। গরুর যে খিচুনি আমরা দেখি সেটা Spinal cord এর একটি Reflex Reaction, এটি মোটেও ব্যাথার জন্য হয় না। এই পরীক্ষাটি করেন জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শুলজ এবং ডক্টর হাজিম।

এখন আলোচনা করা যাক জবেহ করার ইসলামী পদ্ধতী
জবেহ করার সময় যেসব বিষয় লক্ষণীয় :

(১) যা জবেহ করা হবে, তার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করতে হবে, তাকে আরাম দিতে হবে। যাতে সে কষ্ট না পায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

(২) যদি উট জবেহ করতে হয়, তবে তা নহর করবে। নহর হলো, উটটি তিন পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে আর সম্মুখের বাম পা বাঁধা থাকবে। তার বুকে ছুরি চালানো হবে। উট ছাড়া অন্য জন্তু হলে তা তার বাম কাতে শোয়াবে। ডান হাত দিয়ে ছুরি চালাবে। বাম হাতে জন্তুর মাথা ধরে রাখবে। মুস্তাহাব হলো, জবেহকারী তার পা জন্তুটির ঘাড়ে রাখবে।

(৩) জবেহ করার সময় বিসমিল্লাহ বলতে হবে। কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন :‘যার ওপর আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ করা হয়েছে, তা থেকে তোমরা আহার করো।’ [সুরা আনআম :১১৮] জবেহ করার সময় তাকবির বলা মুস্তাহাব। যেমন হাদিসে এসেছে :জাবের (রা) থেকে বর্ণিত, একটি দুম্বা আনা হলো। রাসুলুল্লাহ (স) নিজ হাতে জবেহ করলেন এবং বললেন, ‘বিসমিল্লাহ ওয়াল্লাহু আকবার, হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে। এবং আমার উম্মতের মাঝে যারা কোরবানি করতে পারেনি তাদের পক্ষ থেকে।’ [আবু দাউদ]

অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স) দুটি শিংওয়ালা ভেড়া জবেহ করলেন, তখন বিসমিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বললেন। [সুনানে দারামি, ১৯৮৮, হাদিসটি সহিহ] জবেহ করার সময় বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার পাঠের পর আল্লাহুম্মা হা-যা মিনকা ওয়া লাকা (হে আল্লাহ! এটা তোমার তরফ থেকে, তোমারই জন্য) বলা যেতে পারে। যার পক্ষ থেকে কোরবানি করা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ করে দোয়া করা জায়েজ আছে। এভাবে বলা, ‘হে আল্লাহ! তুমি অমুকের পক্ষ থেকে কবুল করে নাও।’

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (রাত ৮:৪৪)
  • ৬ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ৭ই জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি
  • ২২শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD