1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
বাংলাদেশ থেকে হজ যাত্রীগণ কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে? - Avas Multimedia বাংলাদেশ থেকে হজ যাত্রীগণ কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে? - Avas Multimedia
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোশতের টুকরায়, গাছের পাতায়, মাছের গায়ে, রুটিতে, বাচ্চার শরীর ইত্যাদিতে আল্লাহর নাম: একটা ঘটনা প্রায় শোনা যায় যে, ইবলিস মুসা আলাইহিস সালাম-এর কাছে তওবা করতে চেয়েছিল। মুহররম মাসের ফজিলত ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণিত ১৪টি সহিহ হাদিস অতিরিক্ত দামীও নয় আবার ছেঁড়া-ফাটাও নয় বরং মধ্যম মানের পোশাক পরা উচিৎ সুন্নতি পোশাক (পুরুষ-নারী) আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? হুসাইন রা. এর শাহাদাত এবং আশুরার শোক পালন প্রসঙ্গে এক ঝলক ইবাদত শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা কি? ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজ-কারবার ইত্যাদি দুনিয়াবি কাজে কি সওয়াব পাওয়া যায়? অনুমতি ছাড়া স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অর্থ-সম্পদ খরচ করা রাতের বেলায় যে সকল সূরা ও আয়াত পড়ার ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে

বাংলাদেশ থেকে হজ যাত্রীগণ কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে?

কাজী আসাদ বিন রমজান
  • আপডেটের সময়: শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২
  • ১৭ বার
বাংলাদেশ থেকে হজ যাত্রীগণ কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে?
এক সফরে একাধিক উমরা আদায়ের বিধান
একাধিক তওয়াফ করার বিধান
▬▬▬◄🕋►▬▬▬
প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে হজ্জ করতে গেলে হাজিরা কোথা থেকে ইহরাম বাঁধবে? দেশ থেকেই বাঁধবে নাকি মিকাত থেকে?
আর হজ্জ করতে গেলে, একজন ব্যক্তি ফরয ওমরা ছাড়াও কি মৃত ব্যক্তিদের নামে একাধিক বার ওমরা করতে পারবে? যদি পারে, তবে বারবার কি মিকাত গিয়ে ইহরাম বাধবে? আর তওয়াফ কি একাধিক বার করা যাবে?
উত্তর:
▪ যারা বাংলাদেশ/ভারত ইত্যাদি পূর্বাঞ্চল থেকে হজ/উমরা করতে আসবে তারা ফ্লাইটে উঠার পূর্বে প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও গোসল করার পর ইহরামের কাপড় পরিধান করবে। কিন্তু ইহরামের নিয়ত করবে না। তারপর ফ্লাইট জেদ্দার সন্নিকটে ইয়ালামলাম পাহাড় বা তৎ সীমানা বরাবর এলাকা অতিক্রম করার পূর্বে তারা ফ্লাইটে বসা অবস্থায় নিয়ত করে ‘আল্লাহু্ম্মা লাব্বাইকা উমরাহ’ বলে ইহরামে প্রবেশ করবে। (ইয়ালামলাম পৌঁছার বিষয়টি বিমান ক্রুদের মাধ্যমে জানা যায়।)
[ইয়ালামলাম- মক্কা থেকে প্রায় ১২০ কি.মি. দূরত্বে অবস্থিত একটি উপত্যকার নাম যা সা‘দিয়া নামেও পরিচিত। এটি ইয়ামেন বাসী ও পাক-ভারত-বাংলাদেশসহ প্রাচ্য ও দূর প্রাচ্য থেকে আগমনকারীদের মিকাত।]
▪ এক সফরে একাধিক উমরা করা ঠিক নয় (চাই নিজের উদ্দেশ্যে হোক অথবা জীবিত বা মৃতের পক্ষ থেকে হোক)। কেননা বিদায় হজ্জের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে বা তাঁর সঙ্গী লক্ষাধিক সাহাবীদের একজনও একাধিক উমরা করেছেন বলে প্রমাণিত হয় নি। যদি তা সঠিক হত, তাহলে তাঁরা অবশ্যই এ সুযোগ হাতছাড়া করতেন না।
অবশ্য কেউ যদি মদিনা যিয়ারতে যায় বা কোনো কাজে তায়েফ যায় তাহলে পুনরায় মক্কা আগমন করতে চাইলে সেখান থেকে ইহরাম বেধে নতুন করে উমরা আদায় করতে পারে।
▪ উমরা সম্পন্ন করার পর যতবার খুশি ততবার তওয়াফ করা যায়। সাত চক্করে হয় এক তওয়াফ।তওয়াফকারী এভাবে সাত চক্কর দিয়ে একটি তওয়াফ করবে তারপর দু রাকআত তওয়াফের সালাত আদায় করবে। এভাবে যত ইচ্ছা নফল তওয়াফ করা যায়।
হাদিসে বলা হয়েছে, তওয়াফ হল সালাতের অনুরূপ। তাই মক্কার বাহির থেকে গমনকারীদের জন্য মক্কায় নফল সালাতের চেয়ে তওয়াফ করা অধিক উত্তম।
আল্লাহু আলাম
▬▬▬◄🕋►▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও পোস্ট...

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৮:২৫)
  • ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত avasmultimedia.com ২০১৯-২০২২ ‍

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD