1. admin@avasmultimedia.com : Kaji Asad Bin Romjan : Kaji Asad Bin Romjan
  2. melisenda@indexing.store : david06w10 :
  3. tilly@itchydog.store : karolynchappell :
  4. joannleslie6562@b.cr.cloudns.asia : magdacollick53 :
  5. hannasoliz3758@qiott.com : sheetaldubay7658gse :
রমজানের সিয়ামের পর শাওয়াল মাসে মাত্র ৬টি সিয়াম রাখলেই সারা বছর সিয়াম পালনের সওয়াব হয়।‌ তা কীভাবে? - Avas Multimedia
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

রমজানের সিয়ামের পর শাওয়াল মাসে মাত্র ৬টি সিয়াম রাখলেই সারা বছর সিয়াম পালনের সওয়াব হয়।‌ তা কীভাবে?

Kaji Asad Bin Romjan
  • প্রকাশের সময়ঃ রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৮৯ বার দেখেছে
প্রশ্ন: রমজানের সিয়ামের পর শাওয়াল মাসে মাত্র ৬টি সিয়াম রাখলেই সারা বছর সিয়াম পালনের সওয়াব হয়।‌ তা কীভাবে?
উত্তর:
প্রথমে আমরা শাওয়াল মাসে ৬টি রোজা রাখার ফযিলতে হাদিসে কী বলা হয়েছে তা জেনে নি।
প্রখ্যাত সাহাবি আবু আইয়ুব আনসারি রা. হতে বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
من صامَ رَمَضانَ، ثم أتبَعَه ستًّا من شوَّال، كان كصيامِ الدَّهرِ
“যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখবে অত:পর শাওয়ালে ছয়টি রোজা রাখবে, সে যেন (পূর্ণ) এক বছর রোজা রাখল।“ [সহিহ মুসলিম]
এর সমার্থবোধক আরও একাধিক হাদিস রয়েছে।
➧ ৬টি রোজার মাধ্যমে কীভাবে পূর্ণ এক বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়?
৬টি রোজার মাধ্যমে কীভাবে এক বছরের রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায় তার ব্যাখ্যা স্বয়ং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিয়েছেন নিম্নোক্ত হাদিসে:
◈ সাওবান রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
صيامُ شَهرِ رَمَضانَ بِعَشرةِ أشهُرٍ، وسِتَّةُ أيَّامٍ بَعْدهُنَّ بِشَهرينِ، فذلك تمامُ سَنَةٍ
“রমজানের এক মাসের রোজার বিনিময়ে দশ মাস এবং সেগুলোর পরে ছয় রোজার বিনিময়ে দু মাস—এভাবে এক বছরের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়।” [মুসনাদে আহমদ, নাসাঈ ইত্যাদি। শাইখ আলবানী হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। দ্রষ্টব্য: সহিহুল জামে, হা/৩৮৫১]
এ অর্থবোধক আরও একাধিক হাদিস রয়েছে।
অনুরূপভাবে কেউ যদি মাসে তিনটি নফল রোজা রাখে তাহলে আল্লাহ তাআলা দশগুণ বৃদ্ধি করে তাকে পূর্ণ এক মাস রোজা রাখার সওয়াব দান করবেন। এভাবে প্রতি মাসে ৩টি করে রোজা রাখার মাধ্যমে সারা বছর রোজা রাখা সওয়াব অর্জিত হবে ইনশাআল্লাহ।
◈ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রা. কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন,
«وَإِنَّ بِحَسْبِكَ أَنْ تَصُومَ كُلَّ شَهْرٍ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ، فَإِنَّ لَكَ بِكُلِّ حَسَنَةٍ عَشْرَ أَمْثَالِهَا، فَإِنَّ ذَلِكَ صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ ».
“… প্রত্যেক মাসে তিনটি সিয়াম রাখাই তোমার জন্য যথেষ্ট। কারণ প্রত্যেক নেকির বিনিময়ে তুমি দশটি নেকি পাবে। আর এটাই পূর্ণ বছরের সিয়াম”। [সহিহ বুখারি, হাদিস নং ১৯৭৫; সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১১৫৯।]
উপরোক্ত হাদিস সমূহের সমর্থনে কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতটি প্রযোজ্য:
◈ আল্লাহ তাআলা বলেন,
مَن جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا
“যে একটি নেকির কাজ করবে, সে তার অনুরূপ দশগুণ পাবে।” [সূরা আনআম: ১৬০]
সুবহানাল্লাহ! এভাবেই দয়াময় আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে অল্প পরিশ্রমে প্রচুর নেকি অর্জনের সুযোগ দিয়েছেন। নিঃসন্দেহে এটি বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ।
অতএব আমাদের উচিত যথাসম্ভব এই সুযোগগুলো কাজে লাগানো। আল্লাহ সকলকে তৌফিক দান করুন আমিন।
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

এই পোষ্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সর্ম্পকিত আরোও দেখুন
© আভাস মাল্টিমিডিয়া সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৪