মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

শিরক করে জাহান্নামী হচ্ছেন না তো?? গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
রিপোর্টারের নাম / ৩১৫ কত বার
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১

শিরক করে জাহান্নামী হচ্ছেন না তো!!!?

* শরিরে যেকোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শিরক
[মুসনাদে আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২]

* আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক
[আবু দাউদ:৩২৩৬(ইফা)]

* কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষন বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক
[বুখারি :৫৩৪৬, আবু দাউদ:৩৯১০]

* মাজারে ও কোন পির-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক
[সুর জীন: ২০, মুসলিম:১০৭৭,
আবু দাউদ, মুত্তাফাকুন আলাই]

* আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পির-আওলিয়া কিংবা মাজারের নামে নামে মানত করা শিরক। তবে মানত না করাই উত্তম
[সহিহ বুখারি: অধ্যায় : তাকদির]

*কেউ পেছন দিক থেকে ডাক দিলে কিংবা নিজে যাত্রার সময় পিছন ফিরে তাকালে যাত্রা অশুভ হয় এই ধারনা বিশ্বাস করা শিরক
(বুখারি, আবু দাউদ:৩৯১০)

* আল্লাহর গুনবাচক নামে অন্য কাউকে ডাকা শিরক (যেমন: কুদ্দুস, রাহমান, রহীম, জাব্বার, সালাম, মুমিন ইত্যাদি) এক্ষেত্রে নামের আগে “আব্দুল্লাহ” বসাতে হবে।
[সুরা আরাফ:১৮০, ইসরা:১১০, হাশর]

* “খোদা” বলে আল্লাহকে ডাকা শিরক। মোট কথা আল্লাহর দেয়া গুনবাচক নাম ব্যাতিত অন্য কোন নামে তাকে ডাকা শিরক।
[সুরা আরাফ:১৮০, ইসরা:১১০, হাশর]

* কোন বিপদে পড়ে আল্লাহকে বাদ দিয়ে “ও মা, ও বাবা” ইত্যাদি বলে এইরকম গায়েবি ডাকা শিরক।
বিপদে পড়লে “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন” বলতে হয়
(সুরা বাকারাহঃ ১৫৬)

* ‘তর ভবিষ্যত অন্ধকার’, ‘তর কপালে বহুত কষ্ট আছে’, এইধরনের গায়েবি কথা কাউকে বলা শিরক
[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৫-২৬, আনাম:৫৯]

*হোচট খেলে কিংবা পেচা ডাকলে সামনে বিপদ আছে এই ধারনা শিরক (সুরা আনাম:১৭, ইউনুস:১০৭)

* রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরিরে
পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্তু লটকানো শিরক।
[তির্মিযি, আবু দাউদ ও হাকেম]

*সকালে বেচাকেনা না করে কোন কাষ্টমারকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যার সময় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক!।
(আবু দাউদঃ৩৯১০)

* সফলতা কিংবা মংগল লাভের জন্য এবং অমঙ্গল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যাবহার করা শিরক।
[সুরা আনাম:১৭, ইউনুস :১০৭]
.
*যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক যেমন: পতাকা, স্মৃতিসৌধ, শহিদ মিনার কিংবা মাজার ইত্যাদি।
[সুরা বাকারাহ:২৩৮, আহকাফ:৫, ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮, আবু দাউদ:৪০৩৩]

* আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদাত করা শিরক
[সুরা আনাম:১৬২, বাইয়িনাহঃ ৫, কাহফ:১১০,ইমরান:৬৪, ইবনে মাজাহ হা
নং৫২০৪]

* আল্লাহ ব্যাতিত কোন গণক বা অন্য কেউ গায়েব জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক
[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৬, আনাম:৫৯]

*পায়রা/ কবুতর উড়িয়ে শান্তি কামনা করা শিরক,
কারন শান্তিদাতা একমাত্র আল্লাহ
(সুরা হাশরঃ ২৩)

* আল্লাহর ছাড়া কোন পির-আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দুয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক
[সুরা ফাতিহা:৪, আশ শোআরা:২১৩, গাফির:৬০, তির্মিযি]

*”আপনি চাইলে এবং আল্লাহ চাইলে এই কাজটি হবে” এই কথা বলা শিরক (নাসাঈ শরিফ)

👉ইদুঁরের কাছে দাতঁ চাওয়া শিরক।

👉গাড়ির পিছনে পুরাতন জুতা ঝুলালে গাড়ি বিপদ হতে রক্ষা পাবে। এরকম বিশ্বাস করা শিরক

👉মাজার দেখলে গাড়ি ধীরে চালানো শিরক।

👉বদনজর থেকে বাচাঁর জন্য কপালে টিপ দেওয়া শিরক।

👉পরীক্ষার দিন ডিম খেয়ে পরীক্ষা দিলে ফলাফলও ডিম পাবে এরকম বলা ও বিশ্বাস করা শিরক

👉জমজ কলা খেলে জমজ সন্তান হয়। এরকম বিশ্বাস করা শিরক

👉ভাগ্য পরীক্ষা করা শিরক

👉চোখ লাফালে, মাথার ডান পাশ চুলকালে এটা হয় সেটা হয় এরকম বিশ্বাস করা

👉হাত চুলকালে টাকা আসে। এরকম বলা শিরক

👉কোমড়ের মধ্যে কাইতন ঝুলালে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। এমন করা শিরক

👉হাতের মধ্যে আজমীর শরীফের সূতা/এরকম সূতা বেধে এই সূতার কারণে ভাগ্য পাল্টাবে/পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে এরকম বিশ্বাস করা শিরক
শিরক পর্ব -৩

💢বাত রোগ নিরাময়ের জন্য খণিজ (ধাতব) দ্রব্য দ্বারা নির্মিত বালা হাতে পরিধান করা
ইবন মাজাহ; কিতাবুত ত্বিব, বাব : যিয়ারতিল কবরি; ২/৫৩৪

💢রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সর্বত্র হাজির ও নাজির (বা সবকিছু সরাসরি দেখছেন)
কোথাও মিলাদ অনুষ্ঠান হলে তিনি তা জানতে ও দেখতে পান এবং সেখানে তাঁর রূহ মুবারক সেখানে উপস্থিত হয়,
এমন মনে করা শির্ক

💢কোনো মানুষ বা কোনো বস্তুকে সরাসরি উপকারী বা অপকারী বলা শির্ক
তিরমিযী, প্রাগুক্ত; কিতাবু সিফাতিল কিয়ামাহ, বাব : নং ৫৯, ৪/৬৬৭

💢লোক দেখানো সালাত/আমল শিরক
আল-কুরআন,সূরা মাউন :৫,৬।

💢কোন মাযারে মানত পূর্ণ করা শির্ক
প্রাগুক্ত; কিতাবুল মানাসিক, বাব নং ৯৮ (যিয়ারাতুল কুবূর), হাদীস নং ২০৪২; ২/৫৩৪;

💢আল্লাহর হুকুমের উপরে পীরের হুকুমকে প্রাধান্য দেয়া

💢ওলীদের কবরকে ভয় করা

💢ওলীদের নিকট প্রয়োজন পূর্ণ করে দেয়ার জন্য আবেদন করা

💢উদ্দেশ্য পূরণের জন্য ওলিদের উপর ভরসা করা

💢প্রয়োজন নিয়ে ওলিদের স্মরণাপন্ন হওয়া এবং তাঁদের নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করা

💢ধর্ম যাজকদেরকে হারাম ও হালাল নির্ধারণকারী বানিয়ে নেওয়া

💢শরী‘আত পালনের ক্ষেত্রে সহীহ হাদীসের উপর পীর ও মাযহাবের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া

💢পীরের নাম জপ করা

💢ওলীদের কবর ও তাঁদের সাথে সম্পর্কিত স্থানসমূহ দূর-দূরান্ত থেকে যিয়ারত করতে যাওয়া

💢মৃত্যুর পর ওলিগণ রূহানী শক্তি বলে অনেক কিছু করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা

💢ওলীদের কবর, কবরের দেয়াল, গিলাফ ও তাঁদের স্মৃতিসমূহ স্পর্শ করে বরকত হাসিল করা

💢বাপ-দাদার নামে শপথ গ্রহণ করা

💢আগুন, পানি ও মাটি ইত্যাদির নামে শপথ করা

💢রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কোনো ওলীর নামের সাথে মিলিয়ে সন্তানাদির নাম রাখা, বিশেষ করে তাদের দাস- আবদ, গোলাম ইত্যাদি বলা

💢ওলীদের কবর থেকে বরকত লাভ ও রোগ মুক্তির জন্য সন্তানদেরকে সেখানে নিয়ে যাওয়া এবং তাদের গায়ে কবরের কূপের পানি ছিটানো ও পান করানো

💢শির্কী পন্থায় অসুখ নিবারণের জন্য চেষ্টা করা

💢বিভিন্ন তন্ত্র-মন্ত্রের মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক করা

💢চোখের কুদৃষ্টি থেকে শিশুদের রক্ষার জন্য গলায় ঝিনুক থেকে আহরিত মুক্তার মালা পরানো।

💢কারো চোখ লাগা থেকে শিশুদের রক্ষার জন্য তাদের গলায় মাছের হাড়, শামুক ইত্যাদি ঝুলিয়ে রাখা।

💢গণক ও কাহিনদের ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বাস

💢গণক, টিয়া পাখি ও বানরের মাধ্যমে ভাগ্য জানার চেষ্টা করা
💢আররাফদের গায়েব সম্পর্কীয় কথায় বিশ্বাস

💢জিন সাধকদের গায়েব সম্পর্কীয় কথায় বিশ্বাস

💢জ্যোতিষদের ভাগ্য সম্পর্কীয় কথায় বিশ্বাস

💢প্রফেসর হাওলাদার ও অন্যান্য জ্যোতিষদের ভাগ্য সম্পর্কীয় কথায় বিশ্বাস

💢আমাদের নাবী ও ওলিগণ গায়েব জানেন এতে বিশ্বাস

💢পাখি উড়িয়ে ভাগ্যের মঙ্গল ও অমঙ্গল জানার চেষ্টা করা

💢আউলিয়াগণ বিভিন্ন প্রয়োজন পূরণ করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা

💢খতমে নারী পড়ার মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাম নিলেই তাঁর নামের বদৌলতে যাবতীয় সমস্যার সমাধান হয়ে যায় বলে বিশ্বাস করা

💢খ্রিস্টান ও হিন্দুদের ন্যায় অবতারবাদে বিশ্বাস করা

💢আহমদ আর আহাদ এর মধ্যে কেবল ‘মীম’ অক্ষরের পাথ্যর্ক বলে বিশ্বাস করা

💢ওলীদের মধ্যকার গাউছ ও কুতুবগণ দুনিয়া পরিচালনা করেন এবং মানুষের কল্যাণ ও অকল্যাণ করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা

💢ওলি ও ফেরেশ্তাদের নামে নির্মিত মূর্তি ও দেবতাসমূহ আল্লাহর কাছে মানুষের জন্য শাফা‘আত করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা

💢আউলিয়াগণ নিজস্ব মর্যাদা বলে আল্লাহর কোনো পূর্বানুমতি ব্যতীত তাঁদের ভক্তদের জন্য শাফা‘আত করে তাদেরকে মুক্তি দিতে পারবেন বলে বিশ্বাস করা

💢ফেরেশ্তা ও ওলিদের নামে নির্মিত দেবতাদেরকে সাধারণ মানুষদের জন্য আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয়ার মাধ্যম হিসেবে মনে করা

💢মৃত ওলীদেরকে আল্লাহর নিকটতম করে দেয়ার মাধ্যম হিসেবে মনে করা

💢মৃত ওলিগণ ভক্তদের সমস্যা সমাধানে হস্তক্ষেপ করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা

💢ওলিগণ সাগরকে তার ধ্বংসযজ্ঞ থেকে বারণ করতে পারেন বলে বিশ্বাস করা

💢ওলীদের কবরের উপর অথবা পার্শবর্তী স্থানে উৎপন্ন বা লাগানো গাছের শিকড়, ফল ও পাতার মাধ্যমে বরকত ও বিবিধ কল্যাণ লাভ করা যায় বলে মনে করা

💢কবরের পুকুর ও কূপের পানি পান ক’রে এবং মাছ, কচ্ছপ ও কুমীরকে খাবার দিয়ে রোগ মুক্তি ও বরকত কামনা করা

💢আজানগাছী পীরের দরবারে রক্ষিত কথিত আবু জেহেলের হাতের পাথর দিয়ে রোগ মুক্তি কামনা করা

💢নারায়ণগঞ্জের কদমরসূল দরবারে রক্ষিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথিত কদম মুবারকের ছাপ বিশিষ্ট পাথর দ্বারা রোগ মুক্তি ও কল্যাণ কামনা করা

💢উপত্যকার জিন সরদারের নিকট আশ্রয় কামনা করা

💢কাঠ ও মধু সংগ্রহকারীদের দ্বারা জঙ্গলের জিন ও হিংস্র প্রাণীর অনিষ্ট থেকে রক্ষার জন্য জঙ্গলের জিন সরদারিনীর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করা

💢বিল ও জলাশয়ের মাছ ধরার জন্য পানি সেচের পূর্বে ‘কাল’ নামক জিনকে শিরনী দিয়ে সন্তুষ্ট করা

💢পৃথিবীর ঘটনা প্রবাহের উপর তারকা ও নক্ষত্রের প্রভাবে বিশ্বাস করা

💢মানব রচিত বিধানের আলোকে দেশ শাসন করা

💢আল্লাহর পরিবর্তে দেশের জনগণকে ক্ষমতায় বসানোর সর্বময় ক্ষমতার মালিক মনে করা (ক্ষমতার উৎস জনগণ বলা/মনে করা)

💢দাদ ও প্লেগ, কলেরা, বসন্ত, দাদ, এজিমা, যক্ষ্ণা, প্লেগ ও এইড’স রোগকে নিজ থেকে সংক্রামক রোগ বলে মনে করা

💢দো‘আ গৃহীত হওয়ার জন্য মুরশিদ, পীর ও ওলিদের কবরের দিকে মুখ করে দো‘আ করা

💢মৃত ওলিগণ সাহায্য করতে পারেন, এ বিশ্বাসের ভিত্তিতে তাঁদের নিকট সাহায্য চাওয়া

💢ঝড়-তুফানের সময় আল্লাহর বদলে পাঁচ পীর, খওয়াজ খিজির ও বদর পীরকে সাহায্যের জন্য আহ্বান করা

💢ওলিদের কবর ও পীরের সামনে বিনয়ের সাথে দাঁড়ানো

💢ভাল-মন্দ সর্বাবস্থায় মূর্তির নিকট সাহায্য চাওয়া

💢ওলীদের নিকট সাহায্য কামনা করা

💢ওলীদের কবরে অবস্থান গ্রহণ করে তাঁদের বাতেনী ফয়েয হাসিল করা এবং তাঁদের মাধ্যমে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে চাওয়া

💢চাঁদ ও সূর্যকে সেজদা করা

💢ওলীদের কবরে সেজদা করা

💢বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ওলীদের কবরের মানত করা।

💢 আকাশে মেঘ দেখে বলে ফেলা আজ বৃষ্টি হবে।
বরং এটা বলা যাবে বৃষ্টি হতে পারে।

💢কবর/মাজার/শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া/মাথা নত করা শিরক

💢ছবি/মূর্তি/স্মৃতিসৌধকে সম্মান দেখানো শিরক

💢জন্মদিন/মৃত্যুদিন/কোন দিবস পালন করা শিরক। কারণ এতে দিনের পূজা করা হয়
💢গর্ভবতী মহিলাদের সাথে রসুন, দিয়া শলাই ইত্যাদি রাখা শিরক

এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান।

❤️আল্লাহ বলেন, অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।
(সুরা ইউসুফঃ ১০৬)

⚠️মনে রাখবেন,,
শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পুর্ন নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’য়ালা যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কস্মিনকালে ও ক্ষমা করবেন না।
♥যারা শির্ক চর্চা করে, তাদের রক্ত মুসলিমদের জন্য হালাল, হত্যাযোগ্য। আল্লাহর ভাষায়-

﴿ فَٱقۡتُلُواْ ٱلۡمُشۡرِكِينَ حَيۡثُ وَجَدتُّمُوهُمۡ وَخُذُوهُمۡ وَٱحۡصُرُوهُمۡ وَٱقۡعُدُواْ لَهُمۡ كُلَّ مَرۡصَدٖۚ ٥ ﴾ [التوبة: ٥]

‘‘অতঃপর শির্ককারীদের যেখানে পাবে তাদেরকে হত্যা কর, তাদেরকে পাকড়াও কর ও অবরুদ্ধ কর। আর তাদের ঘাটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎপেতে বসে থাকো।’’[10]
সূরা আত তাওবাহ ০৫

❤️আল্লাহ বলেন,,
নিসন্দেহে আল্লাহ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না
(সুরা নিসা :৪৮,১১৬)
..
নিশ্চয় যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন (সুরা মায়িদাহ:৭২)

❤️রাসুল্লাহ (সা) বলেছেন,,
“আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভূত হলেন। তিনি বললেন, আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সংগে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে? তিনি বললেন: যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।
[সহিহ বুখারি :১২৩৭,মুসলিম:৯৪]

⚠️⚠️শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসত্মাক বিষয়। শত পাপ করলে ও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক।আমিন

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর..
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট