প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২১
কোরআনের কোনো আয়াত বা সুরা রোগ মুক্তির জন্য বা মনের আশা পুরনের জন্য মনগড়া পদ্ধতিতে আমল কর যাবে না
||
? কোরআনের কোনো আয়াত বা সুরা রোগ মুক্তির জন্য বা মনের আশা পুরনের জন্য মনগড়া পদ্ধতিতে আমল কর যাবে না
--------------------
প্রশ্ন: কোরআনের শিফার আয়াতগুলো কি আমরা রোগ মুক্তির আশায় সকাল সন্ধ্যায় বা প্রতি নামাজের পরে নিয়মিত আমল করতে পারবো?
এক বোন বলেছেন যে, তিনি প্রতি তাহাজ্জুদ নামাজের পরে ১০০ বার " রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন " পড়তেন এবং তার এ আমলের ফলে তিনি সন্তান লাভ করেছিলেন।
আমার প্রশ্ন হল, এমন কোন আমল কি কোনো সহিহ হাদিসে আছে? এবং এটা যেহেতু কোরআনের দোয়া এবং তাহাজ্জুদ পরার পর আল্লাহ বান্দার প্রার্থনা কবুল করেন তাই কেও কি এ আমলটা করতে পারে সন্তান লাভের জন্য?
---------------------
উত্তর : কুরআনের সুরা, আয়াত বা হাদীসে বর্ণিত দুয়াগুলো পড়ে দ্বীন ও দুনিয়ার যে কোন বিষয়ে মহান আল্লাহর দরবারে সাহায্য প্রার্থনা করা জায়েয রয়েছে। কিন্তু দলীল ছাড়া নির্দিষ্ট সংখ্যা, নির্দিষ্ট সময় বা বিশেষ কোন পদ্ধতি নির্ধারণ করা বৈধ নয়। এ ক্ষেত্রে নিজস্ব ইজতিহাদের সুযোগ নেই।
তাই আমরা বলব, একজন মানুষ সন্তান লাভ বা দ্বীন ও দুনিয়ার যে কোন প্রয়োজন পুরণের জন্য কুরআন-হাদীসের দুয়াগুলো পড়ার পাশাপাশি নিজের ভাষায় মহান আল্লাহর দরবারে ইখলাস (আন্তরিকতা) এর সাথে দুয়া করবে। এ ক্ষেত্রে কবুলের আশা ব্যঞ্জক সময় ও স্থানগুলোর প্রতি লক্ষ রাখবে।
‘রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন’ সন্তান লাভের জন্য এ দুয়াটি পাঠ করা জায়েয রয়েছে। কিন্তু তাহাজ্জুদের পরে ১০০ বার পাঠ করার কথা যেহেতু হাদীসে বর্ণিত হয় নি তাই তা বিদআত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কেউ কোন আমল করে উপকৃত হলেও তা শরীয়তে তা বৈধ হওয়ার প্রমান বহন করে না। কেননা, তাবিজ দ্বারাও মানুষ উপকৃত হয়, হিন্দু ঠাকুর, জাদুকর, গণকের গণকগীরি ও তন্ত্র-মন্ত্র দ্বারাও উপকার পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম।
আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তাওফিক দান করুন। আমীন।
উত্তর দিয়েছেন, শাইখ আব্দুল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া