প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২২
মীরাছ বন্টন সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর
||
প্রশ্ন (১) : আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ। আমার দুই ছেলে আছে। কিন্তু বড় ছেলে আমার কোনো খরচ বহন করে না এমনকি আমার সাথে খুবই খারাপ ব্যবহার করে। আমার যাবতীয় খরচ আমার ছোট ছেলে বহন করে থাকে। এখন আমি আমার সম্পত্তি থেকে ছোট ছেলেকে কি বেশি দিতে পারবো?
-আলী, সিরাজগঞ্জ।
উত্তর : না, এক সন্তানকে অন্য সন্তানের থেকে বেশি দেওয়া যাবে না। সন্তানদেরকে দেওয়ার সময় পিতা-মাতার জন্য ইনছাফ করা আবশ্যক। কোন সন্তানকে বেশি দেওয়া, আর অন্য সন্তানকে কম দেওয়া পিতা মাতার জন্য বৈধ নয়। নুমান ইবনু বাশীর h থকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার মা বিনতু রাওয়াহা g আমার পিতার নিকট আমার জন্যে তার সম্পদ থেকে কিছু দান করার অনুরোধ করলেন। এক বছর যাবৎ তিনি এ ব্যাপারে গড়িমসি করেন। পরে তা দেয়ার ইচ্ছা জাগলো। বিনতু রাওয়াহা g বললেন, আমার পুত্রকে যা দিবেন তার উপর রাসূলুল্লাহ a-কে সাক্ষী না রাখা পর্যন্ত আমি খুশি হবো না। তখন আমার পিতা আমার হাত ধরে রাসূলুল্লাহ a-এর নিকট আসলেন। সে সময় আমি বালক ছিলাম। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এর মা বিনতু রাওয়াহা চায় যে, আমি তাঁর পুত্রকে যা দান করেছি তাতে আপনাকে সাক্ষী রাখি। রাসূলুল্লাহ a বললেন, হে বাশীর! এ ছাড়া তোমার কি আর কোন পুত্র আছে? বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি কি তাদের সকলকে এরূপ দান করেছো? তিনি বললেন, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে আমাকে সাক্ষী রেখো না। কারণ, আমি যুলুমের ব্যাপারে সাক্ষী হই না (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬২৩)। অন্য বর্ণনাতে আছে, রাসূল a বললেন, আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমার সন্তানদের মধ্যে ন্যায় বিচার করো। তখন আমার পিতা চলে আসেন এবং সে দান ফিরিয়ে নেন (ছহীহ বুখারী, হা/২৫৭৮)।
Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া