প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৫
ইসলামের দৃষ্টিতে "পিটি" (PT) করা কী জায়েজ?
||
প্রশ্ন:ইসলামের দৃষ্টিতে "পিটি" (PT) করা কী জায়েজ?উত্তর:"পিটি" (PT) শব্দটি "ফিজিক্যাল ট্রেনিং" (Physical Training) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি সাধারণত স্কুলগুলিতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, নড়াচড়া এবং খেলাধুলার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একটি ক্লাস বা বিষয় হিসাবে পড়ানো হয়। এই ক্লাসে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ব্যায়াম, খেলাধুলা এবং শারীরিক কার্যকলাপ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।ইসলামের দৃষ্টিতে তা নাজায়েজ নয়। তবে অবশ্যই কতিপয় শর্তসাপেক্ষে। যেমন:১. ছাত্র-ছাত্রী একসাথে ব্যায়াম, খেলাধুলা বা পিটি করা জায়েজ নেই।২. ছাত্রীরা স্বতন্ত্রভাবে সংরক্ষিত স্থানে পোশাকের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রেখে আলাদাভাবে করতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে কোনো পুরুষ শিক্ষক এমনকি পুরুষ প্রশিক্ষক সেখানে থাকতে পারবে না।ইসলাম ওয়েবে লেখা হয়েছে,وممارسة الفتيات البالغات الرياضة، بحيث يراهن المعلم، أو الطلبة الذكور البالغون؛ قد تكون فيها مخالفة للشرع، الذي أمر النساء بالستر، ونهى عن كل ما يثير الفتنة، ويحرك الشهوة"প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের খেলাধুলা বা পিটিতে অংশগ্রহণ—যেখানে তাদেরকে পুরুষ শিক্ষক কিংবা বয়ঃপ্রাপ্ত ছাত্ররা দেখে—এ ধরনের কর্মকাণ্ড শরিয়তের বিরোধী হতে পারে। কারণ শরিয়ত নারীদের পরিপূর্ণ পর্দা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছে এবং যে কোনো ফিতনা ও কামনা-বাসনা উসকে দেয়—এমন বিষয় থেকে বিরত থাকতে বলেছে।" [ইসলাম ওয়েব]৩. পিটি করার সময় মিউজিক ব্যবহার করা জায়েজ নেই। কেননা ইসলামে মিউজিক সর্বাবস্থায় হারাম।৪. এমন কোন শারীরিক কসরত করা যাবে না যা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়।৫. শিক্ষার্থীদের পোশাক-আশাক এবং শারীরিক কসরতের ক্ষেত্রে কাফেরদের সাদৃশ্য হয় এমন কোন কিছু করা যাবে না। (যেমন : শিক্ষকের সামনে মাথা নত করে বাউ করা)৬. পর্দা লঙ্ঘন, নামাজ পরিত্যাগ, রোজা ভঙ্গ ইত্যাদি শরিয়ত বিরোধী কোন কিছু সংঘটিত হওয়া যাবে না।আল্লাহু আলাম।আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া