প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
বিলিয়ারড (pool/billiard) খেলা কি জায়েজ?আর এর ব্যবসা করা কি হালাল?
ডেস্ক নিউজ ||
প্রশ্ন: বিলিয়ারড (pool/billiard) খেলা কি জায়েজ?আর এর ব্যবসা করা কি হালাল?•••••••••••••••••••••••••••••••••উত্তর: প্রথম কথা হল, একজন মুমিনের নিকট সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। এই সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে তার নিকট আমানত। তাই তার উচিৎ সময়কে এমনভাবে ব্যবহার করা, যা তার দুনিয়ার কাজে লাগে অথবা আখিরাতের কাজে লাগে। অর্থহীনভাবে সময় অপচয় করা মুমিনের জন্য মোটেও শোভনীয় নয়। তাই যথাসম্ভব সময়কে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। তবে বৈধ পন্থায় বিনোদন করা যাবে না- এমনটি নয়। অবশ্যই করা যাবে কিন্তু তা যেন হয় সীমার মধ্যে। খেলা-ধূলা ও বিনোদনে অতিরিক্ত সময় কাটানো কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।২য় কথা হল, বর্তমানে ক্লাব বা কফিহাউজগুলোতে যেভাবে গান-বাদ্য সহ নানা ধরণের আল্লাহর নাফরমানি মূলক কার্যক্রম হয় সেখানে পুশ, বিলিয়ার্ড বা কোন ধরণের খেলা-ধূলা করাই জায়েজ নয়। তবে গান-বাদ্য, নোংরামী, অশ্লীলতা, ধুমপান, মদপান ইত্যাদি গুনাহ মূক্ত পরিবেশে বিলিয়ার্ড/ যে সকল খেলায় স্বাস্থ্য চর্চা হয় সেগুলো খেলা জায়েয রয়েছে কিছু শর্ত সাপেক্ষে। যেমন:হার-জিতে বাজি ধরা বা টাকা-পয়সার লেনদেন থাকা যাবে না। কারণ, তা জুয়া। আর ইসলামে জুয়া নিষিদ্ধ।-হিংসা-বিদ্বেষ, মারামারি, গালাগালি, অন্যকে হেয় করা ইত্যাদি করা যাবে না।- সালাত/জামাআত পরিত্যাগ, দীনী ইলম চর্চায় অনীহা প্রকাশ, পারিবারিক দায়িত্ব পালন বা নিজের গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবহেলা করা চলবে না।- কোন ধরণের হারাম কার্যক্রমে লিপ্ত হওয়া যাবে না।- অতিরিক্ত সময় অপচয় করা যাবে না।এ সকল শর্ত সাপেক্ষে কিছু সময়ের জন্য শারীরিক সুস্থতা ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে বিলিয়ার্ড/পুল বা অন্যান্য খেলা-ধূলা করা জায়েয রয়েছে। ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আলাম।-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া