দিনাজপুর    সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
আভাস মাল্টিমিডিয়া

ভারত যদি বাংলাদেশের উপরে আক্রমণ করে তাহলে মুসলিমদের কী করনীয়?



ভারত যদি বাংলাদেশের উপরে আক্রমণ করে তাহলে মুসলিমদের কী করনীয়?

দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মুসলিম ভূখণ্ডের নিরাপত্তা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোনো শত্রু বাহিনী যখন মুসলিমদের মাতৃভূমিতে আক্রমণ করে তখন মুসলিমদের করণীয় কী—এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বিজ্ঞ আলেমগণ সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন। শরিয়তের পরিভাষায় একে বলা হয় 'জিহাদুদ দিফা' বা আত্মরক্ষামূলক লড়াই। এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও অপরিহার্যতা বিবেচনায় যুগের শ্রেষ্ঠ আলেমগণ যেসব ফতওয়া প্রদান করেছেন তার সারসংক্ষেপ নিচে উপস্থাপন করা হলো:

▪️১. ইবনে কুদামাহ (রহিমাহুল্লাহ):

ইমাম ইবনে কুদামাহ (রহ.) বলেন,

"إِذَا دَخَلَ الْعَدُوُّ بِلَادَ الْإِسْلَامِ، وَجَبَ عَلَى أَهْلِ تِلْكَ الْبِلَادِ قِتَالُهُمْ، وَدَفْعُهُمْ، فَلَا يَجُوزُ لِأَحَدٍ التَّخَلُّفُ، وَيَتَعَيَّنُ عَلَى الْقَرِيبِ فَالْقَرِيبِ، حَتَّى لَا يَبْقَى أَحَدٌ يَقْدِرُ عَلَى الْخُرُوجِ إِلَّا وَخَرَجَ"

"যখন শত্রু ইসলামি ভূখণ্ডে প্রবেশ করে তখন সেই অঞ্চলের অধিবাসীদের ওপর তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং তাদের প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যায়। কারো জন্যই এ থেকে পিছিয়ে থাকা জায়েজ নেই। বরং নিকটবর্তী অঞ্চল থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে সবার ওপর এটি ফরজে আইন হয়ে যায়। এমনকি এমন কেউ বাকি থাকবে না যে বের হতে সক্ষম অথচ সে বের হলো না।"

▪️২. ইমাম নওয়াবি (রহ.):

ইমাম নওয়াবি (রহ.) বলেন,

إِذَا دَخَلَ الْعَدُوُّ بَلَدًا مِنْ بِلَادِ الْمُسْلِمِينَ تَعَيَّنَ عَلَى أَهْلِهِ قِتَالُهُمْ، وَيَجِبُ عَلَى مَنْ قَرُبَهُمُ الْمُسَاعَدَةُ، فَإِنْ لَمْ يَكْفُوا تَعَيَّنَ عَلَى مَنْ وَرَاءَهُمْ، وَلَمْ يَبْقَ لِأَحَدٍ التَّخَلُّفُ"

"যখন শত্রু মুসলিম ভূখণ্ডের কোনো একটি দেশে প্রবেশ করে তখন সেই দেশের অধিবাসীদের ওপর তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ফরজে আইন হয়ে যায়। যারা তাদের কাছাকাছি থাকে তাদের ওপরও সাহায্য করা ওয়াজিব। যদি তারা শত্রুকে প্রতিহত করতে যথেষ্ট না হয় তবে তাদের পেছনের লোকজনের (তাদের পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের মুসলিমদের উপর) ওপরও তা ফরজে আইন হয়ে যায়। তখন কারো জন্যই পিছিয়ে থাকা জায়েজ থাকে না।"

▪️৩. ইমাম ইয বিন আব্দুস সালাম (রহ.):

"ইয বিন আব্দুস সালাম (রহ.) বলেন,

يَجِبُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ قِتَالُ الْكُفَّارِ إِذَا دَخَلُوا دِيَارَهُمْ، وَيَصِيرُ الْجِهَادُ حِينَئِذٍ فَرْضَ عَيْنٍ، وَعَلَى النِّسَاءِ وَالْخَدَمِ وَالصِّبْيَانِ إِذَا أَطَاقُوا الْقِتَالَ

"কাফেররা যখন মুসলিমদের বাড়িঘরে প্রবেশ করে তখন তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলিমদের ওপর ওয়াজিব হয়ে যায়। তখন জিহাদ ফরজে আইন হয়ে দাঁড়ায়, এমনকি নারী, খাদেম বা কাজের মানুষ এবং শিশুদের ওপরও তা ফরজ হয়ে যায় যদি তারা লড়াই করতে সক্ষম হয়।"

▪️৪. শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ):

"جِهَادُ الدَّفْعِ فَرْضُ عَيْنٍ إِذَا دَاهَمَ الْعَدُوُّ بِلَادَ الْمُسْلِمِينَ، فَيَجِبُ عَلَى كُلِّ قَادِرٍ أَنْ يَخْرُجَ، سَوَاءٌ أُذِنَ لَهُ أَوْ لَمْ يُؤْذَنَ"

"শত্রু যখন মুসলিম ভূখণ্ডে আক্রমণ করে তখন দিফায়ি জিহাদ বা আত্মরক্ষামূলক জিহাদ ফরজে আইন হয়ে যায়। তাই সক্ষম প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যই জিহাদে বের হওয়া আবশ্যক তাকে অনুমতি দেওয়া হোক বা না হোক।"

▪️৫. শাইখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন (রহ.)

শাইখ বলেন,

"إِذَا هَجَمَ الْعَدُوُّ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، صَارَ الْجِهَادُ فِي هَذِهِ الْحَالَةِ فَرْضَ عَيْنٍ، وَلَا يَحْتَاجُ إِلَى إِذْنِ وَلِيِّ الْأَمْرِ، لِأَنَّ الْأَمْرَ صَارَ أَمْرَ ضَرُورَةٍ"

"শত্রু যখন মুসলিমদের ওপর আক্রমণ করে তখন এই অবস্থায় জিহাদ ফরজে আইন হয়ে যায়। আর এক্ষেত্রে অলিউল আমর বা শাসকের অনুমতির প্রয়োজন নেই। কারণ বিষয়টি তখন জীবন রক্ষার জরুরি পর্যায়ে চলে যায়।"

▪️৬. শাইখ সালেহ আল ফাউযান (হাফিযাহুল্লাহ):

তিনি বলেন,

"جِهَادُ الدَّفْعِ لَا يُشْتَرَطُ فِيهِ إِذْنُ الْإِمَامِ، بَلْ يَجِبُ عَلَى كُلِّ مَنْ يَسْتَطِيعُ الْمُشَارَكَةَ أَنْ يُشَارِكَ لِرَدِّ الْعُدْوَانِ، وَهَذَا بِاتِّفَاقِ الْعُلَمَاءِ"

"আত্মরক্ষামূলক জিহাদের ক্ষেত্রে ইমাম বা শাসকের অনুমতির শর্ত নেই। বরং শত্রুতা প্রতিহত করতে সক্ষম প্রত্যেক ব্যক্তির পক্ষেই অংশগ্রহণ করা ওয়াজিব। আর এ বিষয়ে সকল আলেমের ঐকমত্য রয়েছে।"

উপসংহার:

সারকথা হলো, কোনো মুসলিম অধ্যুষিত বা ইসলামি ভূখণ্ডে শত্রু বাহিনী আগ্রাসন চালালে তখন প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া সকল সক্ষম মুসলিমের ওপর ফরজে আইন। এমন জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনুমতি থাকুক অথবা না থাকুক অপেক্ষা না করে ইসলাম ও মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিটি সক্ষম ব্যক্তিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এটাই সকল হক্কানী আলেমের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত।

কেউ সামর্থ্য থাকার পরেও তা না করলে গুনাহগার হবে।

আল্লাহ আমাদের দেশকে বহিঃশত্রুর সব ধরনের আগ্রাসন এবং ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

অনুবাদক:

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।

বিষয় : Consensual Sex: বিপদ টা কোথায়?

আপনার মতামত লিখুন

আভাস মাল্টিমিডিয়া

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


ভারত যদি বাংলাদেশের উপরে আক্রমণ করে তাহলে মুসলিমদের কী করনীয়?

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মুসলিম ভূখণ্ডের নিরাপত্তা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কোনো শত্রু বাহিনী যখন মুসলিমদের মাতৃভূমিতে আক্রমণ করে তখন মুসলিমদের করণীয় কী—এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বিজ্ঞ আলেমগণ সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন। শরিয়তের পরিভাষায় একে বলা হয় 'জিহাদুদ দিফা' বা আত্মরক্ষামূলক লড়াই। এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও অপরিহার্যতা বিবেচনায় যুগের শ্রেষ্ঠ আলেমগণ যেসব ফতওয়া প্রদান করেছেন তার সারসংক্ষেপ নিচে উপস্থাপন করা হলো:

▪️১. ইবনে কুদামাহ (রহিমাহুল্লাহ):

ইমাম ইবনে কুদামাহ (রহ.) বলেন,

"إِذَا دَخَلَ الْعَدُوُّ بِلَادَ الْإِسْلَامِ، وَجَبَ عَلَى أَهْلِ تِلْكَ الْبِلَادِ قِتَالُهُمْ، وَدَفْعُهُمْ، فَلَا يَجُوزُ لِأَحَدٍ التَّخَلُّفُ، وَيَتَعَيَّنُ عَلَى الْقَرِيبِ فَالْقَرِيبِ، حَتَّى لَا يَبْقَى أَحَدٌ يَقْدِرُ عَلَى الْخُرُوجِ إِلَّا وَخَرَجَ"

"যখন শত্রু ইসলামি ভূখণ্ডে প্রবেশ করে তখন সেই অঞ্চলের অধিবাসীদের ওপর তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং তাদের প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যায়। কারো জন্যই এ থেকে পিছিয়ে থাকা জায়েজ নেই। বরং নিকটবর্তী অঞ্চল থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে সবার ওপর এটি ফরজে আইন হয়ে যায়। এমনকি এমন কেউ বাকি থাকবে না যে বের হতে সক্ষম অথচ সে বের হলো না।"

▪️২. ইমাম নওয়াবি (রহ.):

ইমাম নওয়াবি (রহ.) বলেন,

إِذَا دَخَلَ الْعَدُوُّ بَلَدًا مِنْ بِلَادِ الْمُسْلِمِينَ تَعَيَّنَ عَلَى أَهْلِهِ قِتَالُهُمْ، وَيَجِبُ عَلَى مَنْ قَرُبَهُمُ الْمُسَاعَدَةُ، فَإِنْ لَمْ يَكْفُوا تَعَيَّنَ عَلَى مَنْ وَرَاءَهُمْ، وَلَمْ يَبْقَ لِأَحَدٍ التَّخَلُّفُ"

"যখন শত্রু মুসলিম ভূখণ্ডের কোনো একটি দেশে প্রবেশ করে তখন সেই দেশের অধিবাসীদের ওপর তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ফরজে আইন হয়ে যায়। যারা তাদের কাছাকাছি থাকে তাদের ওপরও সাহায্য করা ওয়াজিব। যদি তারা শত্রুকে প্রতিহত করতে যথেষ্ট না হয় তবে তাদের পেছনের লোকজনের (তাদের পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের মুসলিমদের উপর) ওপরও তা ফরজে আইন হয়ে যায়। তখন কারো জন্যই পিছিয়ে থাকা জায়েজ থাকে না।"

▪️৩. ইমাম ইয বিন আব্দুস সালাম (রহ.):

"ইয বিন আব্দুস সালাম (রহ.) বলেন,

يَجِبُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ قِتَالُ الْكُفَّارِ إِذَا دَخَلُوا دِيَارَهُمْ، وَيَصِيرُ الْجِهَادُ حِينَئِذٍ فَرْضَ عَيْنٍ، وَعَلَى النِّسَاءِ وَالْخَدَمِ وَالصِّبْيَانِ إِذَا أَطَاقُوا الْقِتَالَ

"কাফেররা যখন মুসলিমদের বাড়িঘরে প্রবেশ করে তখন তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলিমদের ওপর ওয়াজিব হয়ে যায়। তখন জিহাদ ফরজে আইন হয়ে দাঁড়ায়, এমনকি নারী, খাদেম বা কাজের মানুষ এবং শিশুদের ওপরও তা ফরজ হয়ে যায় যদি তারা লড়াই করতে সক্ষম হয়।"

▪️৪. শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ):

"جِهَادُ الدَّفْعِ فَرْضُ عَيْنٍ إِذَا دَاهَمَ الْعَدُوُّ بِلَادَ الْمُسْلِمِينَ، فَيَجِبُ عَلَى كُلِّ قَادِرٍ أَنْ يَخْرُجَ، سَوَاءٌ أُذِنَ لَهُ أَوْ لَمْ يُؤْذَنَ"

"শত্রু যখন মুসলিম ভূখণ্ডে আক্রমণ করে তখন দিফায়ি জিহাদ বা আত্মরক্ষামূলক জিহাদ ফরজে আইন হয়ে যায়। তাই সক্ষম প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যই জিহাদে বের হওয়া আবশ্যক তাকে অনুমতি দেওয়া হোক বা না হোক।"

▪️৫. শাইখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন (রহ.)

শাইখ বলেন,

"إِذَا هَجَمَ الْعَدُوُّ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، صَارَ الْجِهَادُ فِي هَذِهِ الْحَالَةِ فَرْضَ عَيْنٍ، وَلَا يَحْتَاجُ إِلَى إِذْنِ وَلِيِّ الْأَمْرِ، لِأَنَّ الْأَمْرَ صَارَ أَمْرَ ضَرُورَةٍ"

"শত্রু যখন মুসলিমদের ওপর আক্রমণ করে তখন এই অবস্থায় জিহাদ ফরজে আইন হয়ে যায়। আর এক্ষেত্রে অলিউল আমর বা শাসকের অনুমতির প্রয়োজন নেই। কারণ বিষয়টি তখন জীবন রক্ষার জরুরি পর্যায়ে চলে যায়।"

▪️৬. শাইখ সালেহ আল ফাউযান (হাফিযাহুল্লাহ):

তিনি বলেন,

"جِهَادُ الدَّفْعِ لَا يُشْتَرَطُ فِيهِ إِذْنُ الْإِمَامِ، بَلْ يَجِبُ عَلَى كُلِّ مَنْ يَسْتَطِيعُ الْمُشَارَكَةَ أَنْ يُشَارِكَ لِرَدِّ الْعُدْوَانِ، وَهَذَا بِاتِّفَاقِ الْعُلَمَاءِ"

"আত্মরক্ষামূলক জিহাদের ক্ষেত্রে ইমাম বা শাসকের অনুমতির শর্ত নেই। বরং শত্রুতা প্রতিহত করতে সক্ষম প্রত্যেক ব্যক্তির পক্ষেই অংশগ্রহণ করা ওয়াজিব। আর এ বিষয়ে সকল আলেমের ঐকমত্য রয়েছে।"

উপসংহার:

সারকথা হলো, কোনো মুসলিম অধ্যুষিত বা ইসলামি ভূখণ্ডে শত্রু বাহিনী আগ্রাসন চালালে তখন প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া সকল সক্ষম মুসলিমের ওপর ফরজে আইন। এমন জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনুমতি থাকুক অথবা না থাকুক অপেক্ষা না করে ইসলাম ও মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিটি সক্ষম ব্যক্তিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এটাই সকল হক্কানী আলেমের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত।

কেউ সামর্থ্য থাকার পরেও তা না করলে গুনাহগার হবে।

আল্লাহ আমাদের দেশকে বহিঃশত্রুর সব ধরনের আগ্রাসন এবং ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

অনুবাদক:

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি।


আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan Head Office: The Holy Quran Islamic School Kalitola, Sadar, Dinajpur, Bangladesh. Call: 01710-649751 ই-মেইল: avasmultimedia@gmail.com
কপিরাইট © ২০১৯-২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
ভারত যদি বাংলাদেশের উপরে আক্রমণ করে তাহলে মুসলিমদের কী করনীয়?
0:00 0:00
1.0x