দিনাজপুর    বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
আভাস মাল্টিমিডিয়া

ss
সর্বশেষ
ট্রেন্ডিং
গান-বাজনা শোনা বৈধ কি? সেই সমস্ত টিভি সিরিজ যাতে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ প্রদর্শন হয় সেগুলো দেখা যাবে কি?

গান-বাজনা শোনা বৈধ কি? সেই সমস্ত টিভি সিরিজ যাতে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ প্রদর্শন হয় সেগুলো দেখা যাবে কি?

প্রশ্ন: গান-বাজনা শোনা বৈধ কি? সেই সমস্ত টিভি সিরিজ যাতে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ প্রদর্শন হয় সেগুলো দেখা যাবে কি?উত্তর: গান-বাজনা শোনা হারাম। আর তা হারাম হওয়ার ব্যাপারে লেশমাত্র সন্দেহ নেই। সালফে-সালেহীন; সাহাবা ও তাবেঈন কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে যে, গান অন্তরে মুনাফিকী (কপটতা) উদগত করে। উপরন্তু গান শোনা-অসার বাক্য শোনা এবং তার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার পর্যায়ভুক্ত। আর আল্লাহ তা’আলা বলেন,“মানুষের মধ্যে কেউ কেউ এমনও রয়েছে যারা অজ্ঞতায় লোকাদেরকে আল্লাহ্‌র পথ হতে বিচ্যুত করার জন্য অসাড় বাক্য বেছে নেয় এবং আল্লাহ্‌র প্রদর্শিত পথ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। ওদেরই জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।” [সূরা লুকমান: ৬]ইবনে মাসঊদ রা. উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, “সেই আল্লাহ্‌র কসম যিনি ছাড়া কেউ সত্য উপাস্য নেই! নিশ্চয় তা (অসার বাক্য) হচ্ছে গান।’ সাহাবাগণের ব্যাখ্যা (তফসীর) এক প্রকার দলীল। তফসিরের তৃতীয় পর্যায়ে এর মান রয়েছে। যেহেতু তফসিরের তিনটি পর্যায়; কুরআনের তাফসীর কুরআন দ্বারা, কুরআনের তাফসীর সুন্নাহ দ্বারা এবং কুরআনের তাফসীর সাহাবাগণের উক্তি দ্বারা। এমনকি কিছু উলামার সিদ্ধান্ত এই যে, সাহাবীর তাফসীর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর তফসিরের পর্যায়ভুক্ত। কিন্তু শুদ্ধ অভিমত এই যে, তা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর তাফসীরের পর্যায়ভুক্ত নয়। অবশ্য তা বিভিন্ন উক্তিসমূহের মধ্যে সঠিকতার অধিকতর নিকটবর্তী।পক্ষান্তরে গান-বাজনা শ্রবণ করার অর্থই হল, সেই কর্মে আপতিত হওয়া, যা থেকে নবী ﷺ সাবধান করেছেন। তিনি বলেন, “নিশ্চয় আমার উম্মতের মধ্যে এমন কতক সম্প্রদায় হবে যারা ব্যভিচার, রেশম বস্ত্র, মদ্য এবং বাদ্য-যন্ত্রকে হালাল মনে করবে।” (বুখারী) অর্থাৎ, তারা নারী-পুরুষের অবৈধ যৌন সম্পর্ক, মদপান এবং রেশমের কাপড় পরাকে হালাল ও বৈধ মনে করবে অথচ তারা পুরুষ, তাঁদের জন্য রেশম বস্ত্র পরিধান বৈধ নয়। অনুরূপ মিউজিক বা বাজনা শোনাকেও বৈধ ভাববে। আর বাদ্য-যন্ত্র, যার শব্দে মন উদাস হয়, এমন অসার যন্ত্রকে বলে। হাদিসটিকে ইমাম বুখারী আবু মালেক আল আশআরী অথবা আবু আমের আল আশআরী থেকে বর্ণিত করেছেন।সুতরাং এই কথার উপর ভিত্তি করে আমি আমার মুসলিম ভ্রাতৃবৃন্দের প্রতি গান-বাদ্য শ্রবণ করা থেকে সাবধান হওয়ার জন্য এই উপদেশ বানী প্রেরণ করছি। তারা যেন এমন আলেমদের কথায় ধোঁকা না খাঁয়, যারা বাদ্য যন্ত্রকে বৈধ বলে মত প্রকাশ করেছেন। যেহেতু এর অবৈধতার সপক্ষে সমস্ত দলীল ব্যক্ত ও সুস্পষ্ট।আর টিভি সিরিজ যাতে মহিলা প্রদর্শিত হয় তা দেখাও হারাম। যেহেতু তা ফিতনা (বিঘ্ন) এবং (অবৈধ) নারীর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার দিকে ধাবিত করে। পরন্ত সমস্ত সিরিজের অধিকাংশই ক্ষতিকারক। যদিও তাতে পুরুষ নারীকে এবং নারী পুরুষকে দর্শন না করে। যেহেতু এসবের পশ্চাতে সাধারণত: উদ্দেশ্য থাকে সমাজকে তার আচরণ এবং চরিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত করা। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যে, তিনি যেন মুসলমানদেরকে এই অনিষ্ট থেকে বাঁচান। আর আল্লাহই অধিক জানেন। (ইবনে উসাইমীন)লেখক: শাইখ আব্দুল হামীদ ফায়যী (হাফিযাহুল্লাহ)সংগ্রহে :আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীলদাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার,সৌদি আরব।
১ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ এএম

স্বামী তার স্ত্রীর যোনি এবং স্ত্রী তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ চুষতে পারবে কি?

স্বামী তার স্ত্রীর যোনি এবং স্ত্রী তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ চুষতে পারবে কি?

কাবা ঘরে স্থাপিত হাজারে আসওয়াদ (কালো পাথর) সম্পর্কে জরুরি কিছু জ্ঞাতব্য

কাবা ঘরে স্থাপিত হাজারে আসওয়াদ (কালো পাথর) সম্পর্কে জরুরি কিছু জ্ঞাতব্য

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা-হুয়া আহলুহ” হাদিসটি সহিহ সূত্রে প্রমাণিত নয়

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা-হুয়া আহলুহ” হাদিসটি সহিহ সূত্রে প্রমাণিত নয়

যাদের হৃদয়ে আছে আল্লাহর ভয় লিরিক্স

যাদের হৃদয়ে আছে আল্লাহর ভয় লিরিক্স

জাতীয় ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দিনাজপুরের খায়রুল ইসলামের কৃতিত্ব

জাতীয় ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দিনাজপুরের খায়রুল ইসলামের কৃতিত্ব

২০২৬ সালে মুহাররমের সিয়াম কত তারিখে রাখব?

২০২৬ সালে মুহাররমের সিয়াম কত তারিখে রাখব?

মনে কি পড়ে সেই দিন তোমার লিরিক্স

মনে কি পড়ে সেই দিন তোমার লিরিক্স

পবিত্র আশুরার রোজা রাখার ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

পবিত্র আশুরার রোজা রাখার ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

এখনো যারা, পায়নি দাওয়াত রিলিক্স

এখনো যারা, পায়নি দাওয়াত রিলিক্স

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

গান-বাজনা শোনা বৈধ কি? সেই সমস্ত টিভি সিরিজ যাতে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ প্রদর্শন হয় সেগুলো দেখা যাবে কি?

গান-বাজনা শোনা বৈধ কি? সেই সমস্ত টিভি সিরিজ যাতে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ প্রদর্শন হয় সেগুলো দেখা যাবে কি?

তুমি চলে গেলে ঢেউগুলো থেমে যাবে না -আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

তুমি চলে গেলে ঢেউগুলো থেমে যাবে না -আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

যে আমল না করলে কবরের তিন প্রশ্নের জবাব এর মধ্যে একটি ও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে না! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

যে আমল না করলে কবরের তিন প্রশ্নের জবাব এর মধ্যে একটি ও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে না! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয় -কাজী আসাদ বিন রমজান

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয় -কাজী আসাদ বিন রমজান

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়

পবিত্র আশুরার রোজা রাখার ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

পবিত্র আশুরার রোজা রাখার ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন

ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

২০২৬ সালে মুহাররমের সিয়াম কত তারিখে রাখব?

২০২৬ সালে মুহাররমের সিয়াম কত তারিখে রাখব?



ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন

বিশ্বের ইসলাম অনুসারি ভাইদের বলছি ।  নিচের ছবিটা আগে ভালকরে দেখে আসুন ! এবার বলুন ,ছবির এই মানুষটিকে কি চেনেন ? হয়ত ৯৫ ভাগ বঙ্গীয় মুসলমান বলবেন , কে ইনি ? কোনদিন দেখেছি বলে তো মনে হয়না ! এটাই বর্তমান বাস্তব !কোনদিন কি শুনেছেন  অবিভক্ত ভারতে১৯২৪ সালে উর্দু ভাষায় একটা বই প্রকাশিত হয়েছিল যে বইটিতে (পণ্ডিত চামুপতি বা অন্য কোনো ছদ্মনামী লেখকের লেখা) যেটাতে নবী কুলের শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যক্তিগত জীবন ও বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে চরম আপত্তিকর ও ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হয়। বইটা প্রকাশের পর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু (বিশেষ করে আর্য সমাজ) এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে। বেশকিছু মুসলমান মারা যায় ।মুসলমানরা বইটির বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে ,বইটির প্রকাশনার কঠোর প্রতিবাদ জানায়, এবং প্রকাশনা নিষিদ্ধ করার দাবী জানায় । প্রতিবাদ আন্দোলনে ইংরেজ সরকার কর্ণপাত না করায় মূসলমানরা বইটির প্রকাশকের বিরুদ্ধে তৎকালীন ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ১৫৩-এ ধারায় (ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো) মামলা করে ।প্রথমে আদালত প্রকাশককে সাজা দিলেও, পরবর্তীতে ১৯২৭ সালের জুনে লাহোর হাইকোর্ট রায় দেয় যে, তৎকালীন আইন অনুযায়ী অন্য ধর্মের নেতাদের সমালোচনা করা বা উপহাস করা অপরাধের আওতায় পড়ে না। লাহোর হাইকোর্টের এই রায়ে  বইটির প্রকাশক ও বিক্রেতা মহাশয় রাজপাল (Mahashay Rajpal) বেকসুর খালাস পেয়ে যায়! হাইকোর্টের এই রায় ভারতের মুসলমানদের আরো বিক্ষুব্ধ করে তোলে। এই ঘটনার  জের ধরে ১৯২৯ সালের ৬ এপ্রিল ইলম উদ্দিন নামে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ মুসলিম কাঠমিস্ত্রি  রসুল সাঃ এর এ হেন অপমান সহ‍্য করতে না পেরে ,আসামী রাজপালকে মৃত‍্যুদন্ড দেয়ার আইন নিজহাতে তুলে নেন।ইলম উদ্দিন রাজপালকে  হত্যার সংকল্প করে ।তিনি বাজার থেকে এক রুপি দিয়ে একটি ছুরি কিনেন। ছুরিটি প্যান্টের ভেতর নিয়ে তিনি রাজপালের দোকানে গিয়ে তাকে হ*ত্যা করেন। নিচের ছবিটি সেই বীর মুজাহিদ ইলমউদ্দিনের !ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ?ইলম উদ্দিন ছিলেন অবিভক্ত ভারতের ১৯বছর বয়সী এক তরুন মুসলিম। তার পিতাও ছিলেন একজন ছুতার মিস্ত্রী  ।রাজপাল গত‍্যার দায়ে পুলিশ ইলমউদ্দিনকে গ্রেফতার করে । ইলম উদ্দিনের আইনজীবী তাকে বলেছিলো যে, "তুমি বল যে তোমার মানসিক অবস্থা ভাল ছিল না। তুমি অবচেতন মনে হ*ত্যা করেছো। তাহলে হয়তো তোমাকে ফাঁসি থেকে বাঁচানো যাবে"। ইলম উদ্দিন এভাবে বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিলেন, " আমি আমার কাজের জন্য গর্বিত"। দন্ডবিধি অনুসারে তাকে মৃ*ত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়।১৯২৯ সালের ৩১ অক্টোবর ইলম উদ্দিনের ফাঁ*সি হয়, এবং তাঁর  লাশ জানাজা ছাড়াই কারাগারে দাফন করা হয়। এ ব‍্যাপারে ড. আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, মিয়া আমিরুদ্দিন এবং আবদুল আজিজের মতো মুসলিম নেতাদের হস্তক্ষেপে লাশ কবর থেকে তোলা  হয়। ইলম উদ্দিনের পিতা আল্লামা ইকবালকে জানাজায় ইমামতির জন্য অনুরোধ করেন। আল্লামা ইকবাল উত্তর দেন এই বলে, “এই মহান যোদ্ধার জানাজা পড়ানোর তুলনায় আমি একজন পাপী ব্যক্তি”। তিনি লাহোরের হিযবুল আহনাফের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ দিদার আলি শাহকে জানাজা পড়ানোর প্রস্তাব করেন।ইলম উদ্দিনের জানাজায় প্রায় ২ লাখেরও বেশী মানুষ উপস্থিত হয়েছিলো।মাওলানা জাফর আলী খান লাশের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, "হায়! আমি যদি তার মতো উচ্চ মর্যাদা অর্জন করতে পারতাম!" আল্লামা ইকবাল ইলম উদ্দিনের লাশ কবরে রাখতে রাখতে বলেন, ''এই নিরক্ষর যুবক ছেলেটি আমাদের শিক্ষিতদের চেয়েও এগিয়ে গিয়েছে।'' তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য মিয়ানওয়ালি কারাগারে গাজি ইলমুদ্দিন শহীদ মসজিদ নামে একটি মসজিদ তৈরী করা হয়।!'রঙ্গীলা রসূল' কেন্দ্রিক ইলম উদ্দিনের আত্মত‍্যাগ সংক্রান্ত পুরো ঘটনা ও রায় ব্রিটিশ সরকারকে আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করতে বাধ‍্য করে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে দাঙ্গা বা ঘৃণা ছড়ানো রোধ করতে ইন্ডিয়ান পিনাল কোডে (IPC) নতুন ধারা ২৯৫-এ (295A) যুক্ত করা হয়। ১৯২৭ সালে দণ্ডবিধিতে ২৯৫-ক (295A) নামক নতুন ধারাটি যুক্ত হয় যার মাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করার আইন হয়।আল্লাহ তে যার পূর্ণ ঈমান তেমন মানুষ ছিল বলে ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত ভারতের ২৯ কোটি অমুসলিম (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ইত্যাদি) প্রবল প্রতিরোধ সত্বেও মাত্র ১০ কোটি মুসলমান স্বাধীন মুসলিম ল‍্যান্ড পাকিস্তান অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন।বর্তমানে ,ভারতে ২৩ কোটি মুসলমান , পাকিস্তানে ২৩ কোটি , আফগানিস্তানে ৪ কোটি বাংলাদেশে ১৬ কোটি । উপমহাদেশে  মোট ৬৬ কোটি মুসলমানের অধিবাস ।অপর পক্ষে ভরতীয় হিন্দু র সংখ‍্যা হবে ১১০ কোটির মত যার মধ্যে কট্টর হিন্দুর সংখ‍্যা হবে মাত্র ৫ থেকে ৬ কোটি হতে পারে । দুঃখের বিষয় এই ৬ কোটি হিন্দুত্ব বাদি আজ উপমহাদেশের ৬৬ কোটি মুসলমানকে আঙুলের ডগায় তুলে নাচাচ্ছে  ।বর্তমান ভারতের অভ‍্যন্তরেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের ওপর সহিংসতা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেট স্পিচ) , অ‍্ত‍্যচার নির্যাতন‍ এবং অধিকার হ্রাসের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, ভারতীয় নেতাদের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন আর কোনো স্বতঃস্ফূর্ত আচরণ নয়, বরং তা রাস্তায় জনগণকে সংগঠিত করার এক নিবিড় দৈনন্দিন শিল্পে রূপান্তরিত হয়েছে।শুধু কি হেট স্পীচ! ভারত মুসলমান শুন‍্য করার জন‍্য যত রকম আইন করা দরকার দেশের সরকার তা করে ছলেছে সিএএ (CAA) ও এনআরসি (NRC): নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (NRC) মতো পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব নিয়ে একধরনের আইনি অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ: উত্তরপ্রদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে কঠোর ধর্মান্তর-বিরোধী আইন পাস করা হয়েছে। অনেক সময় এই আইনগুলোর অপব্যবহার করে মুসলিমদের নামাজ পড়া বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালনেও বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বুলডোজার সংস্কৃতি ও উচ্ছেদ অভিযান:আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই অপরাধের অভিযোগ তুলে মুসলিমদের ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ,মসজিদ মাদ্রাসা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার (Punitive Demolitions) প্রবণতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এছাড়া আসামের মতো রাজ্যগুলোতে উচ্ছেদ অভিযানের নামে হাজার হাজার বাঙালি মুসলিমকে নির্যাতন করে বাস্তুচুত করে ক‍্যাম্পে রাখা হয়েছে। সহিংসতা ও 'গো-রক্ষা'র নামে হামলা:উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘গো-রক্ষক’ দলগুলো গরু জবাইয়ের গুজবে বা গরুর মাংস বহনের অভিযোগে মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যা (Lynching) ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করছে।হিজাব বিতর্ক এবং বিভিন্ন উৎসবে মুসলিম ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক বয়কটের ডাক ও দোকানপাটে হামলার মতো ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। অনলাইন ও সাইবার হয়রানি:মুসলিম নারীদের নিশানা করে ‘বুল্লি বাই’ (Bulli Bai) বা ‘সুল্লি ডিলস’ (Sulli Deals)-এর মতো অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের ছবি বিকৃত করে ভুয়া নিলামে তোলা হয়েছিল। এসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল সোচ্চার মুসলিম নারী কণ্ঠ ও অধিকারকর্মীদের ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করে দেওয়া। হিন্দুত্ববাদী ভারত সংযুক্ত পাকিস্তানক দ্বিখন্ডিত করে বাংলাদেশ কে Colonial Country এবং ৯১% মুসলমানদের সংগে কলোনীবাসীর মত ব‍্যবহার করছে ।পাকিস্তানহিন্দুত্ববাদী ভারত তো পাকিস্তানের জন্ম শত্রু !আজও ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক চরম শত্রুতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য স্থগিত এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত হয়ে পড়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্পষ্ট। ভারতের জঙ্গি হামলায় প্রতি বৎসর শতশত পাকিস্তানি মুসলমানের জান মাল ধংস হচ্ছে, ভারতে আগ্রাসী শক্তি থেকে বাঁচার জন‍্য পাকিস্তানী জণগন পেটে পাথর বেঁধে দেশকে পরমানু শক্তিতে রূপান্তরিত করেছে ।আফগানিস্তান বর্তমান আফগানিস্তানকে ছলনার জালে বেঁধে ভারত নিজেদের proxy হিসাবে কাজে লাগাচ্ছে !অর্থাৎ উপমহাদেশের ৬৬ কোটি মুসলমানের জন‍্য হিন্দুত্ববাদী ভারত কোন না কোন ভাবে অশান্তির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে  তারপরও  ৬৬ কোটি মুসলমানের ১২৩ কোটি হাত এক হয়ে ভারতের গলাটিপে ধরতে পারছেনা । অথচ আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিচ্ছেন—“হে মুমিনগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তারা তোমাদের কাছে আগত সত্যকে অস্বীকার করেছে। তারা রাসূলকে এবং তোমাদেরকে এই অপরাধে বহিষ্কার করেছিল যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিলে। যদি তোমরা আমার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এবং আমার পথে জিহাদ করতে বের হয়ে থাকো, (তবে তাদের সাথে বন্ধুত্ব কোরো না)। তোমরা গোপনে তাদের কাছে বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তোমরা যা গোপন করো ও প্রকাশ করো, তা আমি ভালোভাবে জানি। তোমাদের মধ্যে যে কেউ এমনটা করবে, সে অবশ্যই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হবে।" (সুরা আল-মুমতাহিনা, ৬০:১) ইলমউদ্দিন ছিলেন আল্লাহর সেই সরল পথের একনিষ্ঠ পথিক , তিনি প্রান তুচ্ছ করেছিলেন কিন্তু পথ বিচ‍্যুত হননি । মুসলমানদের অধঃপতনের একমাত্র কারন তাদের হৃদয়ে কোরানের আলো নিভে গেছে ।

ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
আপনি কি শিশু রামিসা সহ সকল শিশুদের হত্যার বিচার চান?

আপনি কি শিশু রামিসা সহ সকল শিশুদের হত্যার বিচার চান?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন