দিনাজপুর    রোববার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
আভাস মাল্টিমিডিয়া

ss
সর্বশেষ
ট্রেন্ডিং
ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয় -কাজী আসাদ বিন রমজান

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয় -কাজী আসাদ বিন রমজান

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়ভূমিকা:সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক মানবজাতির শ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক, সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ ﷺ, তাঁর পবিত্র পরিবার, সম্মানিত সাহাবায়ে কিরাম এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাঁদের অনুসারীদের ওপর।ইসলামের ইতিহাসে কিছু ব্যক্তিত্ব এমন আছেন, যাঁদের জীবন ও কর্ম যুগে যুগে মুসলিম উম্মাহর জন্য আলোকবর্তিকা হয়ে আছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দুই প্রিয় দৌহিত্র, জান্নাতি যুবকদের নেতা হযরত হাসান ইবন আলী (রা.) এবং হযরত হুসাইন ইবন আলী (রা.) তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত। তাঁরা শুধু নবী পরিবারের সদস্যই নন; বরং ঈমান, তাকওয়া, ইলম, আত্মত্যাগ, সত্যনিষ্ঠা ও উম্মাহর কল্যাণে নিবেদিত আদর্শ ব্যক্তিত্ব।আজকের মুসলিম সমাজ বিভক্তি, মতভেদ, রাজনৈতিক সংঘাত, নৈতিক অবক্ষয় ও নানা ফিতনার সম্মুখীন। এমন পরিস্থিতিতে হযরত হাসান (রা.) ও হযরত হুসাইন (রা.)-এর জীবন অধ্যয়ন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের জীবন আমাদের শেখায় - কখন ঐক্যের জন্য নিজের অধিকার ছেড়ে দিতে হয় এবং কখন সত্যের জন্য দৃঢ়তার সাথে দাঁড়াতে হয়। একজন মুসলিম উম্মাহর ঐক্য রক্ষা করেছেন, আরেকজন অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে শাহাদাত বরণ করেছেন। এই দুই মহান আদর্শ একত্রে ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে।আহলে বাইতের মর্যাদা : কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে:আহলে বাইত বলতে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পরিবারকে বোঝায়। ইসলামে তাঁদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা বলেন-إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجْسَ أَهْلَ ٱلْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا“হে আহলে বাইত! আল্লাহ তো কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতাকে দূর করতে এবং তোমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে পবিত্র করতে।” (সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৩৩)রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর পরিবারকে ভালোবাসার নির্দেশ দিয়েছেন। সাহাবায়ে কিরামও আহলে বাইতের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করতেন। হযরত আবু বকর (রা.) বলেছেন - “মুহাম্মাদ ﷺ-এর আত্মীয়তার ব্যাপারে তাঁর পরিবারকে সম্মান করো।” (সহীহ বুখারী)আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহর নীতি হলো - আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা রাখা ঈমানের অংশ। তবে এই ভালোবাসা কখনো বাড়াবাড়ি বা গোমরাহির পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। আমরা তাঁদের সম্মান করি, কিন্তু তাঁদেরকে আল্লাহর গুণে গুণান্বিত করি না; তাঁদেরকে গায়েবের জ্ঞানসম্পন্ন মনে করি না এবং তাঁদের উদ্দেশ্যে ইবাদতও করি না।একইভাবে সাহাবায়ে কিরামের মর্যাদাও অক্ষুণ্ণ রাখি। কারণ আহলুস সুন্নাহর আকীদা হলো—আহলে বাইতকে ভালোবাসা এবং সকল সাহাবাকে সম্মান করা। এ দুটির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।হযরত হাসান (রা.) : মুসলিম ঐক্যের মহান স্থপতিহযরত হাসান (রা.) ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বড় দৌহিত্র। তিনি ছিলেন অসাধারণ চরিত্র, উদারতা, ধৈর্য ও প্রজ্ঞার অধিকারী।রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। একবার তিনি হযরত হাসান (রা.)-কে বুকে জড়িয়ে ধরে দুআ করেন-اللَّهُمَّ إِنِّي أُحِبُّهُ فَأَحْبِبْهُ“হে আল্লাহ! আমি তাকে ভালোবাসি, আপনিও তাকে ভালোবাসুন।” (সহীহ বুখারী, ৩৭৪৯)আবার তিনি বলেন-اَلْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ سَيِّدَا شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ“হাসান ও হুসাইন জান্নাতি যুবকদের নেতা।” (তিরমিযী, ৩৭৬৮)ঐক্যের জন্য ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ:হযরত আলী (রা.)-এর শাহাদাতের পর মুসলিম সমাজে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি গভীর হতে থাকে। এমন অবস্থায় হযরত হাসান (রা.) উপলব্ধি করলেন যে, ক্ষমতার লড়াই অব্যাহত থাকলে মুসলিম উম্মাহ ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের মধ্যে পতিত হবে।তিনি ব্যক্তিগত অধিকার ও রাজনৈতিক স্বার্থের চেয়ে মুসলিম জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিলেন। ফলে তিনি হযরত মু‘আবিয়া (রা.)-এর সঙ্গে সন্ধি করেন এবং খিলাফতের দাবি প্রত্যাহার করেন।এই ঘটনাকে রাসূলুল্লাহ ﷺ বহু বছর আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন-إِنَّ ابْنِي هَذَا سَيِّدٌ وَلَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يُصْلِحَ بِهِ بَيْنَ فِئَتَيْنِ عَظِيمَتَيْنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ“আমার এই সন্তান একজন নেতা। সম্ভবত আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলমানদের দুটি মহান দলের মধ্যে মীমাংসা করে দেবেন।” (সহীহ বুখারী, ২৭০৪)এই সন্ধির ফলে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ফিরে আসে এবং রক্তপাত বন্ধ হয়। ইসলামের ইতিহাসে এই বছরকে “আমুল জামা‘আহ” বা ঐক্যের বছর বলা হয়।রাষ্ট্ররক্ষার শিক্ষা:হযরত হাসান (রা.) আমাদের শেখান-* ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে উম্মাহর কল্যাণ বড়।* ক্ষমতা নয়, শান্তি ও স্থিতিশীলতাই রাষ্ট্রের ভিত্তি।* মুসলিম রক্তের মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।* ঐক্য বিভক্তির চেয়ে শ্রেষ্ঠ।রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-لَزَوَالُ الدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ مِنْ قَتْلِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ“একজন মুসলিমকে হত্যা করার চেয়ে দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল্লাহর কাছে সহজ।” (তিরমিযী, ১৩৯৫)হযরত হুসাইন (রা.) : সত্য ও ন্যায়ের অবিস্মরণীয় প্রতীকহযরত হুসাইন (রা.) ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রিয় দৌহিত্র, সাহসিকতা, তাকওয়া ও সত্যনিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।তাঁর জীবন আমাদের শেখায় - সত্যের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হয়, যদিও সে পথে কষ্ট, ত্যাগ কিংবা মৃত্যুও আসে।আল্লাহ তা‘আলা বলেন-يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো এবং আল্লাহর জন্য সাক্ষ্যদাতা হও।” (সূরা আন-নিসা, ৪:১৩৫)কারবালার ঘটনা : আহলুস সুন্নাহর ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি৬১ হিজরিতে সংঘটিত কারবালার ঘটনা ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায়। হযরত হুসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবার নির্মমভাবে শহীদ হন।আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহর অবস্থান হলো-* আমরা হুসাইন (রা.)-কে গভীরভাবে ভালোবাসি।* তাঁর শাহাদাতকে মর্মান্তিক জুলুম মনে করি।* শহীদদের জন্য দুআ করি।* কিন্তু শোকের নামে বিদআত, মাতম, আত্মপ্রহার কিংবা শরীয়তবিরোধী অনুষ্ঠান করি না।রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-لَيْسَ مِنَّا مَنْ ضَرَبَ الْخُدُودَ وَشَقَّ الْجُيُوبَ وَدَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ“যে ব্যক্তি গালে আঘাত করে, কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলিয়াতের স্লোগান দেয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।” (বুখারী ১২৯৪; মুসলিম ১০৩)ইসলামে রাষ্ট্র, সমাজ ও ভূখণ্ড রক্ষার নীতিমালা:ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এখানে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র - সবকিছুর নিরাপত্তা ও কল্যাণের শিক্ষা রয়েছে।রাষ্ট্রভূমি রক্ষা বলতে শুধু ভৌগোলিক সীমান্ত রক্ষা বোঝায় না; বরং মানুষের জীবন, সম্পদ, সম্মান, ঈমান, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা রক্ষাও এর অন্তর্ভুক্ত।আল্লাহ তা‘আলা বলেন-وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ“তোমরা তাদের মোকাবিলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি প্রস্তুত রাখো।” (সূরা আল-আনফাল, ৮:৬০) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন-رِبَاطُ يَوْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا عَلَيْهَا“আল্লাহর পথে একদিন সীমান্ত পাহারা দেওয়া দুনিয়া ও তার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।” (সহীহ বুখারী, ২৮৯২) তবে রাষ্ট্ররক্ষার নামে নিরপরাধ মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলা বা অন্যায় কখনো বৈধ নয়।হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর জীবন থেকে রাষ্ট্ররক্ষার শিক্ষা:হযরত হাসান (রা.) আমাদের শিখিয়েছেন-১. ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।২. রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।৩. জাতীয় স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হবে।৪. ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।অন্যদিকে, হযরত হুসাইন (রা.) আমাদের শিখিয়েছেন-১. সত্যের পক্ষে দৃঢ় থাকতে হবে।২. অন্যায়ের সামনে মাথা নত করা যাবে না।৩. ন্যায়বিচারের দাবিতে আপসহীন হতে হবে।৪. দ্বীনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।একজন ঐক্যের প্রতীক, অন্যজন সত্যের প্রতীক। এই দুই আদর্শের সমন্বয়েই ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়।সমকালীন মুসলিম সমাজের করণীয়:বর্তমান সময়ে মুসলিমদের করণীয় হলো-১. আহলে বাইত ও সাহাবাদের ভালোবাসা-আমরা আহলে বাইতকে ভালোবাসব, সাহাবাদের সম্মান করব এবং কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াব না।২. কুরআন ও সুন্নাহকে মানদণ্ড বানানো-প্রত্যেক বক্তব্য, ইতিহাস, মতবাদ ও চিন্তাধারাকে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে যাচাই করতে হবে।৩. মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠা-আল্লাহ তা‘আলা বলেন-وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا“তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং বিভক্ত হয়ো না।” (সূরা আলে ইমরান, ৩:১০৩)৪. ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রচেতনা-দুর্নীতি, ঘুষ, সন্ত্রাস, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।৫. বিদআত ও কুসংস্কার বর্জন-আশুরাকে রোজা, তাওবা ও শিক্ষা গ্রহণের দিন হিসেবে পালন করতে হবে।৬. ইলম ও চরিত্র গঠন-রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ“তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।” (সহীহ বুখারী, ৫০২৭)উপসংহার:হযরত হাসান (রা.) ও হযরত হুসাইন (রা.) ইসলামের ইতিহাসে দুটি উজ্জ্বল আদর্শ। একজন উম্মাহর ঐক্য রক্ষার জন্য নিজের অধিকার ত্যাগ করেছেন, অন্যজন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের জীবন আমাদের শেখায় - ঐক্য ও সত্য, উভয়ই ইসলামী সভ্যতার অপরিহার্য ভিত্তি।* আজ মুসলিম উম্মাহ যদি হাসান (রা.)-এর ঐক্যপ্রিয়তা এবং হুসাইন (রা.)-এর সত্যনিষ্ঠা ধারণ করতে পারে, তবে বহু ফিতনা, বিভক্তি ও সংকট থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব হবে।সুতরাং আমাদের স্লোগান হোক- “কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ঐক্য, ন্যায় ও ঈমান রক্ষা।”দুআ:হে আল্লাহ! আমাদেরকে আহলে বাইতের প্রকৃত ভালোবাসা দান করুন। সাহাবায়ে কিরামের সম্মান রক্ষা করার তাওফীক দিন। মুসলিম উম্মাহকে ঐক্য দান করুন। আমাদের দেশ, সমাজ ও ঈমানকে সকল ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমাদেরকে হযরত হাসান (রা.)-এর মতো ঐক্যপ্রিয় এবং হযরত হুসাইন (রা.)-এর মতো সত্যনিষ্ঠ হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।* তথ্যসূত্র:১. আল-কুরআনুল কারীম।২. সহীহ আল-বুখারী।৩. সহীহ মুসলিম।৪. জামি‘ আত-তিরমিযী।৫. ইবনু তাইমিয়্যাহ, মিনহাজুস সুন্নাহ।৬. ইবনু কাসীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ।৭. ইমাম যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা।৮. ইবনু হাজার আল-আসকালানী, আল-ইসাবাহ ফী তাময়ীযিস সাহাবাহ।* গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স তালিকা-১. আহলে বাইতের পবিত্রতা - সূরা আহযাব ৩৩:৩৩২. ঐক্যের নির্দেশ - সূরা আলে ইমরান ৩:১০৩৩. ন্যায়ের সাক্ষ্য - সূরা নিসা ৪:১৩৫৪. শক্তি প্রস্তুত রাখা - সূরা আনফাল ৮:৬০৫. হাসান-হুসাইন জান্নাতি যুবকদের নেতা - তিরমিযী ৩৭৬৮৬.  হাসানকে ভালোবাসার দুআ - বুখারী ৩৭৪৯৭. হাসানের মাধ্যমে দুই দলের সন্ধি - বুখারী ২৭০৪৮. মুসলিম রক্তের মর্যাদা - তিরমিযী ১৩৯৫৯. অন্যায় পরিবর্তনের নির্দেশ - মুসলিম ৪৯১০. মাতম নিষিদ্ধ - বুখারী ১২৯৪; মুসলিম ১০৩ * সীমান্ত পাহারার ফযীলত - বুখারী ২৮৯২* সংকলনে-কাজী আসাদ বিন রমজানপ্রধান শিক্ষক দ্যা হলি কুরআন ইসলামিক স্কুল,কালিতলা, সদর, দিনাজপুর।
২৬ জুন ২০২৬, ০১:৫০ এএম

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয় -কাজী আসাদ বিন রমজান

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয় -কাজী আসাদ বিন রমজান

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়

ইসলাম ও রাষ্ট্রভূমি রক্ষায় হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়

পবিত্র আশুরার রোজা রাখার ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

পবিত্র আশুরার রোজা রাখার ফজিলত। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন

ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

২০২৬ সালে মুহাররমের সিয়াম কত তারিখে রাখব?

২০২৬ সালে মুহাররমের সিয়াম কত তারিখে রাখব?

কেউ যদি মানুষের হক নষ্ট করে থাকে তাহলে এটার সমাধানের আগ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে ওই অপরাধের তওবা কবুল হবে না?

কেউ যদি মানুষের হক নষ্ট করে থাকে তাহলে এটার সমাধানের আগ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে ওই অপরাধের তওবা কবুল হবে না?

দুনিয়ার সব কষ্ট নিমেষেই ভুলে যাবেন: কুরআনে বর্ণিত জান্নাতের ১০টি রহস্য।

দুনিয়ার সব কষ্ট নিমেষেই ভুলে যাবেন: কুরআনে বর্ণিত জান্নাতের ১০টি রহস্য।

জেনে নিন: ‘মাকামে ইবরাহীম’ সম্পর্কে জরুরি ১০টি তথ্য

জেনে নিন: ‘মাকামে ইবরাহীম’ সম্পর্কে জরুরি ১০টি তথ্য

ভারত যদি বাংলাদেশের উপরে আক্রমণ করে তাহলে মুসলিমদের কী করনীয়?

ভারত যদি বাংলাদেশের উপরে আক্রমণ করে তাহলে মুসলিমদের কী করনীয়?



ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন

বিশ্বের ইসলাম অনুসারি ভাইদের বলছি ।  নিচের ছবিটা আগে ভালকরে দেখে আসুন ! এবার বলুন ,ছবির এই মানুষটিকে কি চেনেন ? হয়ত ৯৫ ভাগ বঙ্গীয় মুসলমান বলবেন , কে ইনি ? কোনদিন দেখেছি বলে তো মনে হয়না ! এটাই বর্তমান বাস্তব !কোনদিন কি শুনেছেন  অবিভক্ত ভারতে১৯২৪ সালে উর্দু ভাষায় একটা বই প্রকাশিত হয়েছিল যে বইটিতে (পণ্ডিত চামুপতি বা অন্য কোনো ছদ্মনামী লেখকের লেখা) যেটাতে নবী কুলের শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যক্তিগত জীবন ও বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে চরম আপত্তিকর ও ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হয়। বইটা প্রকাশের পর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু (বিশেষ করে আর্য সমাজ) এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে। বেশকিছু মুসলমান মারা যায় ।মুসলমানরা বইটির বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে ,বইটির প্রকাশনার কঠোর প্রতিবাদ জানায়, এবং প্রকাশনা নিষিদ্ধ করার দাবী জানায় । প্রতিবাদ আন্দোলনে ইংরেজ সরকার কর্ণপাত না করায় মূসলমানরা বইটির প্রকাশকের বিরুদ্ধে তৎকালীন ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ১৫৩-এ ধারায় (ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো) মামলা করে ।প্রথমে আদালত প্রকাশককে সাজা দিলেও, পরবর্তীতে ১৯২৭ সালের জুনে লাহোর হাইকোর্ট রায় দেয় যে, তৎকালীন আইন অনুযায়ী অন্য ধর্মের নেতাদের সমালোচনা করা বা উপহাস করা অপরাধের আওতায় পড়ে না। লাহোর হাইকোর্টের এই রায়ে  বইটির প্রকাশক ও বিক্রেতা মহাশয় রাজপাল (Mahashay Rajpal) বেকসুর খালাস পেয়ে যায়! হাইকোর্টের এই রায় ভারতের মুসলমানদের আরো বিক্ষুব্ধ করে তোলে। এই ঘটনার  জের ধরে ১৯২৯ সালের ৬ এপ্রিল ইলম উদ্দিন নামে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ মুসলিম কাঠমিস্ত্রি  রসুল সাঃ এর এ হেন অপমান সহ‍্য করতে না পেরে ,আসামী রাজপালকে মৃত‍্যুদন্ড দেয়ার আইন নিজহাতে তুলে নেন।ইলম উদ্দিন রাজপালকে  হত্যার সংকল্প করে ।তিনি বাজার থেকে এক রুপি দিয়ে একটি ছুরি কিনেন। ছুরিটি প্যান্টের ভেতর নিয়ে তিনি রাজপালের দোকানে গিয়ে তাকে হ*ত্যা করেন। নিচের ছবিটি সেই বীর মুজাহিদ ইলমউদ্দিনের !ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ?ইলম উদ্দিন ছিলেন অবিভক্ত ভারতের ১৯বছর বয়সী এক তরুন মুসলিম। তার পিতাও ছিলেন একজন ছুতার মিস্ত্রী  ।রাজপাল গত‍্যার দায়ে পুলিশ ইলমউদ্দিনকে গ্রেফতার করে । ইলম উদ্দিনের আইনজীবী তাকে বলেছিলো যে, "তুমি বল যে তোমার মানসিক অবস্থা ভাল ছিল না। তুমি অবচেতন মনে হ*ত্যা করেছো। তাহলে হয়তো তোমাকে ফাঁসি থেকে বাঁচানো যাবে"। ইলম উদ্দিন এভাবে বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিলেন, " আমি আমার কাজের জন্য গর্বিত"। দন্ডবিধি অনুসারে তাকে মৃ*ত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়।১৯২৯ সালের ৩১ অক্টোবর ইলম উদ্দিনের ফাঁ*সি হয়, এবং তাঁর  লাশ জানাজা ছাড়াই কারাগারে দাফন করা হয়। এ ব‍্যাপারে ড. আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, মিয়া আমিরুদ্দিন এবং আবদুল আজিজের মতো মুসলিম নেতাদের হস্তক্ষেপে লাশ কবর থেকে তোলা  হয়। ইলম উদ্দিনের পিতা আল্লামা ইকবালকে জানাজায় ইমামতির জন্য অনুরোধ করেন। আল্লামা ইকবাল উত্তর দেন এই বলে, “এই মহান যোদ্ধার জানাজা পড়ানোর তুলনায় আমি একজন পাপী ব্যক্তি”। তিনি লাহোরের হিযবুল আহনাফের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ দিদার আলি শাহকে জানাজা পড়ানোর প্রস্তাব করেন।ইলম উদ্দিনের জানাজায় প্রায় ২ লাখেরও বেশী মানুষ উপস্থিত হয়েছিলো।মাওলানা জাফর আলী খান লাশের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, "হায়! আমি যদি তার মতো উচ্চ মর্যাদা অর্জন করতে পারতাম!" আল্লামা ইকবাল ইলম উদ্দিনের লাশ কবরে রাখতে রাখতে বলেন, ''এই নিরক্ষর যুবক ছেলেটি আমাদের শিক্ষিতদের চেয়েও এগিয়ে গিয়েছে।'' তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য মিয়ানওয়ালি কারাগারে গাজি ইলমুদ্দিন শহীদ মসজিদ নামে একটি মসজিদ তৈরী করা হয়।!'রঙ্গীলা রসূল' কেন্দ্রিক ইলম উদ্দিনের আত্মত‍্যাগ সংক্রান্ত পুরো ঘটনা ও রায় ব্রিটিশ সরকারকে আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করতে বাধ‍্য করে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে দাঙ্গা বা ঘৃণা ছড়ানো রোধ করতে ইন্ডিয়ান পিনাল কোডে (IPC) নতুন ধারা ২৯৫-এ (295A) যুক্ত করা হয়। ১৯২৭ সালে দণ্ডবিধিতে ২৯৫-ক (295A) নামক নতুন ধারাটি যুক্ত হয় যার মাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করার আইন হয়।আল্লাহ তে যার পূর্ণ ঈমান তেমন মানুষ ছিল বলে ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত ভারতের ২৯ কোটি অমুসলিম (হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ইত্যাদি) প্রবল প্রতিরোধ সত্বেও মাত্র ১০ কোটি মুসলমান স্বাধীন মুসলিম ল‍্যান্ড পাকিস্তান অর্জনে সক্ষম হয়েছিলেন।বর্তমানে ,ভারতে ২৩ কোটি মুসলমান , পাকিস্তানে ২৩ কোটি , আফগানিস্তানে ৪ কোটি বাংলাদেশে ১৬ কোটি । উপমহাদেশে  মোট ৬৬ কোটি মুসলমানের অধিবাস ।অপর পক্ষে ভরতীয় হিন্দু র সংখ‍্যা হবে ১১০ কোটির মত যার মধ্যে কট্টর হিন্দুর সংখ‍্যা হবে মাত্র ৫ থেকে ৬ কোটি হতে পারে । দুঃখের বিষয় এই ৬ কোটি হিন্দুত্ব বাদি আজ উপমহাদেশের ৬৬ কোটি মুসলমানকে আঙুলের ডগায় তুলে নাচাচ্ছে  ।বর্তমান ভারতের অভ‍্যন্তরেই ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের ওপর সহিংসতা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেট স্পিচ) , অ‍্ত‍্যচার নির্যাতন‍ এবং অধিকার হ্রাসের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, ভারতীয় নেতাদের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন আর কোনো স্বতঃস্ফূর্ত আচরণ নয়, বরং তা রাস্তায় জনগণকে সংগঠিত করার এক নিবিড় দৈনন্দিন শিল্পে রূপান্তরিত হয়েছে।শুধু কি হেট স্পীচ! ভারত মুসলমান শুন‍্য করার জন‍্য যত রকম আইন করা দরকার দেশের সরকার তা করে ছলেছে সিএএ (CAA) ও এনআরসি (NRC): নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (NRC) মতো পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব নিয়ে একধরনের আইনি অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ: উত্তরপ্রদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে কঠোর ধর্মান্তর-বিরোধী আইন পাস করা হয়েছে। অনেক সময় এই আইনগুলোর অপব্যবহার করে মুসলিমদের নামাজ পড়া বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার পালনেও বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বুলডোজার সংস্কৃতি ও উচ্ছেদ অভিযান:আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই অপরাধের অভিযোগ তুলে মুসলিমদের ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ,মসজিদ মাদ্রাসা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার (Punitive Demolitions) প্রবণতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এছাড়া আসামের মতো রাজ্যগুলোতে উচ্ছেদ অভিযানের নামে হাজার হাজার বাঙালি মুসলিমকে নির্যাতন করে বাস্তুচুত করে ক‍্যাম্পে রাখা হয়েছে। সহিংসতা ও 'গো-রক্ষা'র নামে হামলা:উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘গো-রক্ষক’ দলগুলো গরু জবাইয়ের গুজবে বা গরুর মাংস বহনের অভিযোগে মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যা (Lynching) ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করছে।হিজাব বিতর্ক এবং বিভিন্ন উৎসবে মুসলিম ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক বয়কটের ডাক ও দোকানপাটে হামলার মতো ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। অনলাইন ও সাইবার হয়রানি:মুসলিম নারীদের নিশানা করে ‘বুল্লি বাই’ (Bulli Bai) বা ‘সুল্লি ডিলস’ (Sulli Deals)-এর মতো অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের ছবি বিকৃত করে ভুয়া নিলামে তোলা হয়েছিল। এসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল সোচ্চার মুসলিম নারী কণ্ঠ ও অধিকারকর্মীদের ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করে দেওয়া। হিন্দুত্ববাদী ভারত সংযুক্ত পাকিস্তানক দ্বিখন্ডিত করে বাংলাদেশ কে Colonial Country এবং ৯১% মুসলমানদের সংগে কলোনীবাসীর মত ব‍্যবহার করছে ।পাকিস্তানহিন্দুত্ববাদী ভারত তো পাকিস্তানের জন্ম শত্রু !আজও ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক চরম শত্রুতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য স্থগিত এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত হয়ে পড়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্পষ্ট। ভারতের জঙ্গি হামলায় প্রতি বৎসর শতশত পাকিস্তানি মুসলমানের জান মাল ধংস হচ্ছে, ভারতে আগ্রাসী শক্তি থেকে বাঁচার জন‍্য পাকিস্তানী জণগন পেটে পাথর বেঁধে দেশকে পরমানু শক্তিতে রূপান্তরিত করেছে ।আফগানিস্তান বর্তমান আফগানিস্তানকে ছলনার জালে বেঁধে ভারত নিজেদের proxy হিসাবে কাজে লাগাচ্ছে !অর্থাৎ উপমহাদেশের ৬৬ কোটি মুসলমানের জন‍্য হিন্দুত্ববাদী ভারত কোন না কোন ভাবে অশান্তির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে  তারপরও  ৬৬ কোটি মুসলমানের ১২৩ কোটি হাত এক হয়ে ভারতের গলাটিপে ধরতে পারছেনা । অথচ আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিচ্ছেন—“হে মুমিনগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তারা তোমাদের কাছে আগত সত্যকে অস্বীকার করেছে। তারা রাসূলকে এবং তোমাদেরকে এই অপরাধে বহিষ্কার করেছিল যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিলে। যদি তোমরা আমার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এবং আমার পথে জিহাদ করতে বের হয়ে থাকো, (তবে তাদের সাথে বন্ধুত্ব কোরো না)। তোমরা গোপনে তাদের কাছে বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তোমরা যা গোপন করো ও প্রকাশ করো, তা আমি ভালোভাবে জানি। তোমাদের মধ্যে যে কেউ এমনটা করবে, সে অবশ্যই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হবে।" (সুরা আল-মুমতাহিনা, ৬০:১) ইলমউদ্দিন ছিলেন আল্লাহর সেই সরল পথের একনিষ্ঠ পথিক , তিনি প্রান তুচ্ছ করেছিলেন কিন্তু পথ বিচ‍্যুত হননি । মুসলমানদের অধঃপতনের একমাত্র কারন তাদের হৃদয়ে কোরানের আলো নিভে গেছে ।

ইলম উদ্দিন কে ছিলেন ? ইতিহাস থেকে জানুন
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
আপনি কি শিশু রামিসা সহ সকল শিশুদের হত্যার বিচার চান?

আপনি কি শিশু রামিসা সহ সকল শিশুদের হত্যার বিচার চান?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন