আভাস মাল্টিমিডিয়া

নববধূ শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সাজসজ্জা সহকারে কিভাবে সালাত আদায় করবে?


প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২১ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

নববধূ শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সাজসজ্জা সহকারে কিভাবে সালাত আদায় করবে?
নববধূ শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সাজসজ্জা সহকারে কিভাবে সালাত আদায় করবে?
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
প্রশ্ন: বিয়ের কনে যদি বাপের বাড়ী থেকে শ্বশুর বাড়ী যাওয়ার মাঝ পথে নামাজের সময় হয়, ওজু থাকলে সে কি সাজসজ্জা অবস্থায় নামাজ আদায় করতে পারবে? যদি তার জানা না থাকে যে, প্রসাধনী কোন উপাদান দিয়ে তৈরি, হালাল নাকি হারাম উপাদান।
উত্তর:
আল্লাহ তাআলা নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করাকে ফরজ করেছেন।
তিনি বলেন,
ۚ إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا ‎
নিশ্চয় সালাত ফরজ করা হয়েছে মুমিনদের উপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে।" [সূরা নিসা: ১০৩]
এ বিধান নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জন্য প্রযোজ্য। শরিয়ত সম্মত ওজর (যেমন: সফর, বৃষ্টি, ভুলে যাওয়া, ঘুম ইত্যাদি) ব্যতিরেকে তা সময় অতিক্রম করে আদায় করা জায়েজ নাই।
সুতরাং একজন নামাজি নববধূ নামাজের কথা চিন্তা করে সাজগোজ করার পূর্বেই ওজু করে নিবে। অত:পর নামাজের সময় হলে যথাসময়ে সাজসজ্জা সহকারেই সালাত আদায় করবে।
অবশ্য যাত্রাপথ যদি সফরের সমপরিমাণ হয় (প্রায় ৮০ কি.) তাহলে জোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশা একসাথে জমা করা জায়েজ আছে।
সালাতের মত ইসলামের ২য় গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত আদায়ে বিয়ের সাজগোজ, মেকআপ ওজর হিসেবে গণ্য হবে না।
ইতোপূর্বে ওজু না করা হলে বা পরবর্তীতে ওজু নষ্ট হয়ে থাকলে যখন সালাতের সময় হবে তখন পুনরায় ওজু করে নিবে। কিন্তু পানি না পেলে বা পানি ব্যবহারে শারীরিক রোগ-ব্যাধি জনিত কারণে অক্ষমতা থাকলে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করবে। কিন্তু তারপরও সালাত পরিত্যাগ করার সুযোগ নাই।
মোটকথা, নব বর, বধূ, বরযাত্রী এবং অন্যান্য সফর সঙ্গী সবার জন্যই যথাসময়ে সালাত আদায় করা ফরজ। শরিয়ত সম্মত ওজর ব্যতিরেকে সালাতকে তার নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত করে আদায় করা নাজায়েজ।
প্রসাধনীর ব্যাপারে কথা হল, যদি কোনও প্রসাধনীর ব্যাপারে নিশ্চিত জানা থাকে যে, তাতে হারাম দ্রব্য মিশানো হয়েছে তাহলে তা ব্যবহার থেকে দূরে থাকা অপরিহার্য। কিন্তু তা জানা না গেলে ধারণা বশত: তাকে হারাম বলা যাবে না। কেননা ইসলামের মূলনীতি হল,
الأصل في الأشياء الإباحة
"প্রতিটি বস্তু হালাল হওয়াটাই মূল।" যতক্ষণ না ততে হারাম হওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬◯◍◯▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

আভাস মাল্টিমিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


নববধূ শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সাজসজ্জা সহকারে কিভাবে সালাত আদায় করবে?

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২১

featured Image
নববধূ শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সাজসজ্জা সহকারে কিভাবে সালাত আদায় করবে?
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
প্রশ্ন: বিয়ের কনে যদি বাপের বাড়ী থেকে শ্বশুর বাড়ী যাওয়ার মাঝ পথে নামাজের সময় হয়, ওজু থাকলে সে কি সাজসজ্জা অবস্থায় নামাজ আদায় করতে পারবে? যদি তার জানা না থাকে যে, প্রসাধনী কোন উপাদান দিয়ে তৈরি, হালাল নাকি হারাম উপাদান।
উত্তর:
আল্লাহ তাআলা নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করাকে ফরজ করেছেন।
তিনি বলেন,
ۚ إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا ‎
নিশ্চয় সালাত ফরজ করা হয়েছে মুমিনদের উপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে।" [সূরা নিসা: ১০৩]
এ বিধান নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জন্য প্রযোজ্য। শরিয়ত সম্মত ওজর (যেমন: সফর, বৃষ্টি, ভুলে যাওয়া, ঘুম ইত্যাদি) ব্যতিরেকে তা সময় অতিক্রম করে আদায় করা জায়েজ নাই।
সুতরাং একজন নামাজি নববধূ নামাজের কথা চিন্তা করে সাজগোজ করার পূর্বেই ওজু করে নিবে। অত:পর নামাজের সময় হলে যথাসময়ে সাজসজ্জা সহকারেই সালাত আদায় করবে।
অবশ্য যাত্রাপথ যদি সফরের সমপরিমাণ হয় (প্রায় ৮০ কি.) তাহলে জোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশা একসাথে জমা করা জায়েজ আছে।
সালাতের মত ইসলামের ২য় গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত আদায়ে বিয়ের সাজগোজ, মেকআপ ওজর হিসেবে গণ্য হবে না।
ইতোপূর্বে ওজু না করা হলে বা পরবর্তীতে ওজু নষ্ট হয়ে থাকলে যখন সালাতের সময় হবে তখন পুনরায় ওজু করে নিবে। কিন্তু পানি না পেলে বা পানি ব্যবহারে শারীরিক রোগ-ব্যাধি জনিত কারণে অক্ষমতা থাকলে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করবে। কিন্তু তারপরও সালাত পরিত্যাগ করার সুযোগ নাই।
মোটকথা, নব বর, বধূ, বরযাত্রী এবং অন্যান্য সফর সঙ্গী সবার জন্যই যথাসময়ে সালাত আদায় করা ফরজ। শরিয়ত সম্মত ওজর ব্যতিরেকে সালাতকে তার নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত করে আদায় করা নাজায়েজ।
প্রসাধনীর ব্যাপারে কথা হল, যদি কোনও প্রসাধনীর ব্যাপারে নিশ্চিত জানা থাকে যে, তাতে হারাম দ্রব্য মিশানো হয়েছে তাহলে তা ব্যবহার থেকে দূরে থাকা অপরিহার্য। কিন্তু তা জানা না গেলে ধারণা বশত: তাকে হারাম বলা যাবে না। কেননা ইসলামের মূলনীতি হল,
الأصل في الأشياء الإباحة
"প্রতিটি বস্তু হালাল হওয়াটাই মূল।" যতক্ষণ না ততে হারাম হওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬◯◍◯▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan Head Office: The Holy Quran Islamic School Kalitola, Sadar, Dinajpur, Bangladesh. Call: 01710-649751 ই-মেইল: avasmultimedia@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
নববধূ শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সাজসজ্জা সহকারে কিভাবে সালাত আদায় করবে?
0:00 0:00
1.0x