আভাস মাল্টিমিডিয়া

দিনাজপুরে মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের কবলে


প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২১ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

দিনাজপুরে মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের কবলে

কিছু সংখ্যক সালাফী দ্বীনদার মুসলিম ভাই দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ''দিনাজপুর জেলা আহলে হাদিস জামে মসজিদ'' এর জন্য জমি ক্রয় করেন। যার দলিল ২৩/০৪/১৯৫৪ ইং তারিখে ১১৪৬৯ নং দলিল মূলে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা এর মালিক হয়। এর দেখাশোনা করার জন্য তৎকালীন মুসল্লিগণ পাটুয়াপাড়া নিবাসী মরহুম জমির হাজী ও আব্দুল জলিল হাজি গং কে দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে তারা মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার এই জায়গা পরিচালনা করছিল। ইতিমধ্যে ১৯৮৩ ইং সালের দিকে মসজিদ ৬৭৯৭ নং দাগের সি.এস-৫৭৬ এর ১৬.৭২ শতাংশ জায়গা জাল দলিল তৈরি করে অগ্রণী ব্যাংক, ঢাকা কার্যালয়ে বন্ধক রেখে আনুমানিক ০২ (দুই) কোটি টাকার ঊর্ধ্বে লোন পায়, যা তারা জয় সিল্ক নামক ফ্যাক্টরিতে ইনভেস্ট করে। পরবর্তীতে তাদের ব্যবসা ক্ষতির সম্মুখীন হলে ব্যাংকের টাকা না দিতে পারায় ব্যাংক উক্ত জায়গা নিলামে উঠায়। এমন সময়ে আব্দুল জলিল ও জমির হাজি গং এর উত্তরসূরী আমানুল্লাহ ও রেজাউর রহমান রিজু গং এর পরিকল্পনায় মসজিদ-মাদ্রাসা ভেঙ্গে ১৬.৭২ শতাংশ মসজিদ সংলগ্ন জায়গা অগ্রণী ব্যাংককে বুঝিয়ে দিয়ে সবাইকে আইসোলেট বা না জানিয়ে ঢাকা থেকে নিলামের মাধ্যমে উক্ত জায়গা নাম মাত্র নিলাম ক্রয় করে তার বৈধ মালিক হবার জন্য চেষ্টা চালায়। মুসল্লিগণ তাদের সকল ষড়যন্ত্র বুঝতে পারেন যার ফলে তৎকালীন সময় ওয়াকফ এস্টেট মুসল্লিদের সমর্থনে জনাব আব্দুল কুদ্দুস সাহেবকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন । এর পরে আমানুল্লাহ ও রিজু গং এরা মসজিদ, মাদ্রাসা থেকে সরে পড়ে। ঢাকায় যখন নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয় তখন অ্যাডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলবুল ও রতন গং এরা এটা মসজিদের জায়গা জেনেও নিলাম ক্রয়ের মাধ্যমে মালিক হবার চেষ্টা চালায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষ এই সংক্রান্ত সকল মামলা পরিচালনা শুরু করে। এমতাবস্থায়, নিলামে অ্যাডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলবুল গং মালিকানা পাবার পরে হঠাৎ করে দোকান উচ্ছেদ করে জায়গা দখল করে। তখন মসজিদের জমি হাইকোর্ট থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আনে। এডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলবুল ও রতন গং মসজিদের ১৬.৭২ শতাংশ জায়গা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই দেউলিয়া আদালতের একটি অন্য মামলার কাগজ দেখিয়ে প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে তারা স্থায়ী স্থাপনা তৈরীর কাজ শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয় প্রসাশনকে লিখিত অভিযোগ করলে তারা কোন প্রয়োজনীয় পদেক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। বর্তমানে উক্ত জায়গায় কাজ চলমান।

আভাস মাল্টিমিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


দিনাজপুরে মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের কবলে

প্রকাশের তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

featured Image

কিছু সংখ্যক সালাফী দ্বীনদার মুসলিম ভাই দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ''দিনাজপুর জেলা আহলে হাদিস জামে মসজিদ'' এর জন্য জমি ক্রয় করেন। যার দলিল ২৩/০৪/১৯৫৪ ইং তারিখে ১১৪৬৯ নং দলিল মূলে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা এর মালিক হয়। এর দেখাশোনা করার জন্য তৎকালীন মুসল্লিগণ পাটুয়াপাড়া নিবাসী মরহুম জমির হাজী ও আব্দুল জলিল হাজি গং কে দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে তাদের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে তারা মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার এই জায়গা পরিচালনা করছিল। ইতিমধ্যে ১৯৮৩ ইং সালের দিকে মসজিদ ৬৭৯৭ নং দাগের সি.এস-৫৭৬ এর ১৬.৭২ শতাংশ জায়গা জাল দলিল তৈরি করে অগ্রণী ব্যাংক, ঢাকা কার্যালয়ে বন্ধক রেখে আনুমানিক ০২ (দুই) কোটি টাকার ঊর্ধ্বে লোন পায়, যা তারা জয় সিল্ক নামক ফ্যাক্টরিতে ইনভেস্ট করে। পরবর্তীতে তাদের ব্যবসা ক্ষতির সম্মুখীন হলে ব্যাংকের টাকা না দিতে পারায় ব্যাংক উক্ত জায়গা নিলামে উঠায়। এমন সময়ে আব্দুল জলিল ও জমির হাজি গং এর উত্তরসূরী আমানুল্লাহ ও রেজাউর রহমান রিজু গং এর পরিকল্পনায় মসজিদ-মাদ্রাসা ভেঙ্গে ১৬.৭২ শতাংশ মসজিদ সংলগ্ন জায়গা অগ্রণী ব্যাংককে বুঝিয়ে দিয়ে সবাইকে আইসোলেট বা না জানিয়ে ঢাকা থেকে নিলামের মাধ্যমে উক্ত জায়গা নাম মাত্র নিলাম ক্রয় করে তার বৈধ মালিক হবার জন্য চেষ্টা চালায়। মুসল্লিগণ তাদের সকল ষড়যন্ত্র বুঝতে পারেন যার ফলে তৎকালীন সময় ওয়াকফ এস্টেট মুসল্লিদের সমর্থনে জনাব আব্দুল কুদ্দুস সাহেবকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করেন । এর পরে আমানুল্লাহ ও রিজু গং এরা মসজিদ, মাদ্রাসা থেকে সরে পড়ে। ঢাকায় যখন নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয় তখন অ্যাডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলবুল ও রতন গং এরা এটা মসজিদের জায়গা জেনেও নিলাম ক্রয়ের মাধ্যমে মালিক হবার চেষ্টা চালায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষ এই সংক্রান্ত সকল মামলা পরিচালনা শুরু করে। এমতাবস্থায়, নিলামে অ্যাডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলবুল গং মালিকানা পাবার পরে হঠাৎ করে দোকান উচ্ছেদ করে জায়গা দখল করে। তখন মসজিদের জমি হাইকোর্ট থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আনে। এডভোকেট ওয়াহেদুজ্জামান বুলবুল ও রতন গং মসজিদের ১৬.৭২ শতাংশ জায়গা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই দেউলিয়া আদালতের একটি অন্য মামলার কাগজ দেখিয়ে প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে তারা স্থায়ী স্থাপনা তৈরীর কাজ শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয় প্রসাশনকে লিখিত অভিযোগ করলে তারা কোন প্রয়োজনীয় পদেক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। বর্তমানে উক্ত জায়গায় কাজ চলমান।


আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan Head Office: The Holy Quran Islamic School Kalitola, Sadar, Dinajpur, Bangladesh. Call: 01710-649751 ই-মেইল: avasmultimedia@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
দিনাজপুরে মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের কবলে
0:00 0:00
1.0x