আভাস মাল্টিমিডিয়া

এককভাবে মসজিদ পরিচালনা এবং মসজিদ ওয়াকফ সংক্রান্ত কতিপয় বিধিবিধান


প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

এককভাবে মসজিদ পরিচালনা এবং মসজিদ ওয়াকফ সংক্রান্ত কতিপয় বিধিবিধান
এককভাবে মসজিদ পরিচালনা এবং মসজিদ ওয়াকফ সংক্রান্ত কতিপয় বিধিবিধান ▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬ প্রশ্ন: মসজিদ কোন ব্যক্তির অধীনে এককভাবে পরিচালনা করা যাবে কি? দলিল সহ জানতে চাই। উত্তর: কোন ব্যক্তি যদি নিজস্ব জমিতে মসজিদ নির্মাণ করে তা স্থায়ীভাবে সর্বসাধারণের সালাতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় এবং তার তদারকি, সংরক্ষণ, উন্নয়ন, মেরামত, প্রয়োজনীয় খরচ ইত্যাদি নিজে করে বা মসজিদ পরিচালনার দায়িত্ব নিজ হাতে রাখে তাহলে এতে কোন আপত্তি নেই ইনশাআল্লাহ। তবে লক্ষণীয় বিষয় হল, ইসলামের বিধান মোতাবেক যখন কোনও ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণ করে সর্বসাধারণের সালাতের জন্য স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত করে দেয় তখন তা মসজিদের জন্য ‘ওয়াকফ’ হিসেবে গণ্য হয়। এটিই জমহুর তথা অধিকাংশ ইমামের অভিমত। [ইসলামের বিধান অনুযায়ী নিজের মালিকানাধীন সম্পদকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে চিরস্থায়ীভাবে দান করাকে ওয়াকফ বলা হয়] সুতরাং উক্ত মসজিদ ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মন চাইলেই মসজিদ বন্ধ ঘোষণা করা বা উক্ত জমি অন্যত্র বিক্রয় করা, কাউকে হেবা (দান) করা বা মসজিদ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা বৈধ নয়। অর্থাৎ উক্ত মসজিদ ব্যক্তি মালিকানা থেকে বের হয়ে যাবে এবং আল্লাহর ঘর মসজিদের জন্য ‘ওয়াকফ’ হিসেবে নির্ধারিত হয়ে যাবে। সুতরাং সে ব্যক্তি মারা গেলে তার উত্তরাধিকারীরা মসজিদের জায়গার ভাগ দাবী করতে পারবে না। ◯ এ ব্যাপারে দলিল হল, عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ أَصَابَ عُمَرُ أَرْضًا بِخَيْبَرَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَصَبْتُ مَالاً بِخَيْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالاً قَطُّ أَنْفَسَ عِنْدِي مِنْهُ فَمَا تَأْمُرُنِي قَالَ ‏ "‏ إِنْ شِئْتَ حَبَسْتَ أَصْلَهَا وَتَصَدَّقْتَ بِهَا ‏"‏ ‏.‏ فَتَصَدَّقَ بِهَا عُمَرُ أَنَّهَا لاَ يُبَاعُ أَصْلُهَا وَلاَ يُوهَبُ وَلاَ يُورَثُ تَصَدَّقَ بِهَا فِي الْفُقَرَاءِ وَالْقُرْبَى وَفِي الرِّقَابِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَالضَّيْفِ لاَ جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهَا أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا بِالْمَعْرُوفِ أَوْ يُطْعِمَ صَدِيقًا غَيْرَ مُتَمَوِّلٍ فِيهِ ‏.‏ ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উমর রা. খাইবারের (গনিমতের হতে) এক খণ্ড জমি পেয়েছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি খাইবার এলাকাতে এমন এক খণ্ড জমি পেয়েছি যার তুলনায় উত্তম সম্পদ আমি আর কখনো লাভ করিনি। (এ প্রসঙ্গে) আমাকে আপনি কি আদেশ করেন? তিনি বললেন: তুমি চাইলে মূল অংশ ঠিক রেখে লাভের অংশ দান করতে পার। সুতরাং উমর রা. জমিটা এভাবে ওয়াকফ করলেন: মূল জমি খণ্ড বিক্রয় করা যাবে না, হেবাও করা যাবে না এবং উত্তরাধিকারদের মধ্যেও ভাগ-বাটোয়ারা হবে না। সেটার আয় হতে ফকীর-মিসকিন, আত্মীয়-স্বজন, ক্রীতদাস মুক্ত করণ, আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে), পথিক-মুসাফির এবং মেহমানদের খরচের জন্য ব্যয় করা হবে। যে লোক এর মুতাওয়াল্লি হবে সে ন্যায্য ভাবে এর আয় হতে ভোগ করতে পারবে এবং বন্ধু-বান্ধবদেরকেও খাওয়াতে পারবে, কিন্তু জমা করে রাখতে পারবে না। (অধস্তন) বর্ণনাকারী বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে সিরীনের নিকট এ হাদিসটি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, মুতাওয়াল্লী সম্পদশালী হওয়ার লক্ষ্যে এই ওয়াকফ মালের আয় জমা করে রাখতে পারবে না। [সুনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ [1375], অধ্যায়ঃ ১৩/ বিচার কার্য, পরিচ্ছদঃ ৩৬. ওয়াকফ প্রসঙ্গে, সনদ সহিহ] উল্লেখ্য যে, ভবিষ্যতে ঝামেলা এড়াতে সরকারী আইন অনুযায়ী উক্ত জমি ওয়াফক কমিশনের মাধ্যমে মসজিদের নামে রেজিস্ট্রেশন করা উচিৎ। ◯ জ্ঞাতব্য: ◈ ফকিহগণ বলেন, ওয়াকফ দুটো বিষয়ের মাধ্যমে সংঘটিত হয়: ● ১. ওয়াকফ করার নির্দেশ বহ কথার মাধ্যমে; যেমন এভাবে বলা যে, আমি এ স্থানটি ওয়াকফ করলাম কিংবা এ স্থানকে মসজিদ বানালাম। ● ২. মানুষের প্রচলনে ওয়াকফ করা বুঝায় এমন কোন কর্মের মাধ্যমে; যেমন- কেউ তার ঘরকে মসজিদ বানাল এবং মানুষকে সে স্থানে নামায আদায় করার সাধারণ অনুমতি দিল কিংবা তার জমিকে কবরস্থান বানাল এবং মানুষকে সে কবরস্থানে দাফন করার অনুমতি দিল। অবশ্য কেউ যদি বিশেষ কোন স্থানকে সাময়িকভাবে সালাতের জন্য নির্ধারণ করে তাহলে তার বিধান ভিন্ন। এটি তখন ‘সাধারণ মসজিদ’ হুকুমে নয় বরং মুসল্লা বা ‘নামাজের স্থান’ হিসেবে গণ্য হবে। উদাহরণ হল, আমরা বাড়িতে নফল সালাত পড়ি, আমাদের স্ত্রী ও মেয়েরা বাড়িতে সালাত আদায় করে। তাই বলে বাড়িকে ‘মসজিদ’ হিসেবে অভিহিত করা যাবে না। অথবা কোন কোম্পানি, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি যদি তার কর্মচারী বা শিক্ষার্থীদের সালাতের জন্য নির্দিষ্ট একটি কক্ষকে ‘নামাজের স্থান’ বানায় তাহলে এটি উন্মুক্ত মসজিদ হিসেবে গণ্য হবে না এবং মসজিদের সকল বিধি-বিধান সেখানে কার্যকর হবে না। মোটকথা, মসজিদ নির্মাণ করার পর সর্বসাধারণের সালাতের জন্য স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত করার পর তা একক ব্যক্তির অধীনে পরিচালিত হতে ইসলামে কোন বাধা নেই। তবে তা ওয়াকফ হিসেবে পরিগণিত হবে এবং ব্যক্তি মালিকানা থেকে বের হয়ে যাবে। সুতরাং ইচ্ছা করলেই জমি দাতা বা নির্মানকারী উক্ত জায়গা বিক্রয় বা দান করতে পারবে না বা তা মসজিদ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে না। আল্লাহু আলাম ▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬ উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

আভাস মাল্টিমিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


এককভাবে মসজিদ পরিচালনা এবং মসজিদ ওয়াকফ সংক্রান্ত কতিপয় বিধিবিধান

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৪

featured Image
এককভাবে মসজিদ পরিচালনা এবং মসজিদ ওয়াকফ সংক্রান্ত কতিপয় বিধিবিধান ▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬ প্রশ্ন: মসজিদ কোন ব্যক্তির অধীনে এককভাবে পরিচালনা করা যাবে কি? দলিল সহ জানতে চাই। উত্তর: কোন ব্যক্তি যদি নিজস্ব জমিতে মসজিদ নির্মাণ করে তা স্থায়ীভাবে সর্বসাধারণের সালাতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় এবং তার তদারকি, সংরক্ষণ, উন্নয়ন, মেরামত, প্রয়োজনীয় খরচ ইত্যাদি নিজে করে বা মসজিদ পরিচালনার দায়িত্ব নিজ হাতে রাখে তাহলে এতে কোন আপত্তি নেই ইনশাআল্লাহ। তবে লক্ষণীয় বিষয় হল, ইসলামের বিধান মোতাবেক যখন কোনও ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণ করে সর্বসাধারণের সালাতের জন্য স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত করে দেয় তখন তা মসজিদের জন্য ‘ওয়াকফ’ হিসেবে গণ্য হয়। এটিই জমহুর তথা অধিকাংশ ইমামের অভিমত। [ইসলামের বিধান অনুযায়ী নিজের মালিকানাধীন সম্পদকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে চিরস্থায়ীভাবে দান করাকে ওয়াকফ বলা হয়] সুতরাং উক্ত মসজিদ ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মন চাইলেই মসজিদ বন্ধ ঘোষণা করা বা উক্ত জমি অন্যত্র বিক্রয় করা, কাউকে হেবা (দান) করা বা মসজিদ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা বৈধ নয়। অর্থাৎ উক্ত মসজিদ ব্যক্তি মালিকানা থেকে বের হয়ে যাবে এবং আল্লাহর ঘর মসজিদের জন্য ‘ওয়াকফ’ হিসেবে নির্ধারিত হয়ে যাবে। সুতরাং সে ব্যক্তি মারা গেলে তার উত্তরাধিকারীরা মসজিদের জায়গার ভাগ দাবী করতে পারবে না। ◯ এ ব্যাপারে দলিল হল, عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ أَصَابَ عُمَرُ أَرْضًا بِخَيْبَرَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَصَبْتُ مَالاً بِخَيْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالاً قَطُّ أَنْفَسَ عِنْدِي مِنْهُ فَمَا تَأْمُرُنِي قَالَ ‏ "‏ إِنْ شِئْتَ حَبَسْتَ أَصْلَهَا وَتَصَدَّقْتَ بِهَا ‏"‏ ‏.‏ فَتَصَدَّقَ بِهَا عُمَرُ أَنَّهَا لاَ يُبَاعُ أَصْلُهَا وَلاَ يُوهَبُ وَلاَ يُورَثُ تَصَدَّقَ بِهَا فِي الْفُقَرَاءِ وَالْقُرْبَى وَفِي الرِّقَابِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَالضَّيْفِ لاَ جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهَا أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا بِالْمَعْرُوفِ أَوْ يُطْعِمَ صَدِيقًا غَيْرَ مُتَمَوِّلٍ فِيهِ ‏.‏ ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উমর রা. খাইবারের (গনিমতের হতে) এক খণ্ড জমি পেয়েছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি খাইবার এলাকাতে এমন এক খণ্ড জমি পেয়েছি যার তুলনায় উত্তম সম্পদ আমি আর কখনো লাভ করিনি। (এ প্রসঙ্গে) আমাকে আপনি কি আদেশ করেন? তিনি বললেন: তুমি চাইলে মূল অংশ ঠিক রেখে লাভের অংশ দান করতে পার। সুতরাং উমর রা. জমিটা এভাবে ওয়াকফ করলেন: মূল জমি খণ্ড বিক্রয় করা যাবে না, হেবাও করা যাবে না এবং উত্তরাধিকারদের মধ্যেও ভাগ-বাটোয়ারা হবে না। সেটার আয় হতে ফকীর-মিসকিন, আত্মীয়-স্বজন, ক্রীতদাস মুক্ত করণ, আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে), পথিক-মুসাফির এবং মেহমানদের খরচের জন্য ব্যয় করা হবে। যে লোক এর মুতাওয়াল্লি হবে সে ন্যায্য ভাবে এর আয় হতে ভোগ করতে পারবে এবং বন্ধু-বান্ধবদেরকেও খাওয়াতে পারবে, কিন্তু জমা করে রাখতে পারবে না। (অধস্তন) বর্ণনাকারী বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনে সিরীনের নিকট এ হাদিসটি উল্লেখ করলে তিনি বলেন, মুতাওয়াল্লী সম্পদশালী হওয়ার লক্ষ্যে এই ওয়াকফ মালের আয় জমা করে রাখতে পারবে না। [সুনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ [1375], অধ্যায়ঃ ১৩/ বিচার কার্য, পরিচ্ছদঃ ৩৬. ওয়াকফ প্রসঙ্গে, সনদ সহিহ] উল্লেখ্য যে, ভবিষ্যতে ঝামেলা এড়াতে সরকারী আইন অনুযায়ী উক্ত জমি ওয়াফক কমিশনের মাধ্যমে মসজিদের নামে রেজিস্ট্রেশন করা উচিৎ। ◯ জ্ঞাতব্য: ◈ ফকিহগণ বলেন, ওয়াকফ দুটো বিষয়ের মাধ্যমে সংঘটিত হয়: ● ১. ওয়াকফ করার নির্দেশ বহ কথার মাধ্যমে; যেমন এভাবে বলা যে, আমি এ স্থানটি ওয়াকফ করলাম কিংবা এ স্থানকে মসজিদ বানালাম। ● ২. মানুষের প্রচলনে ওয়াকফ করা বুঝায় এমন কোন কর্মের মাধ্যমে; যেমন- কেউ তার ঘরকে মসজিদ বানাল এবং মানুষকে সে স্থানে নামায আদায় করার সাধারণ অনুমতি দিল কিংবা তার জমিকে কবরস্থান বানাল এবং মানুষকে সে কবরস্থানে দাফন করার অনুমতি দিল। অবশ্য কেউ যদি বিশেষ কোন স্থানকে সাময়িকভাবে সালাতের জন্য নির্ধারণ করে তাহলে তার বিধান ভিন্ন। এটি তখন ‘সাধারণ মসজিদ’ হুকুমে নয় বরং মুসল্লা বা ‘নামাজের স্থান’ হিসেবে গণ্য হবে। উদাহরণ হল, আমরা বাড়িতে নফল সালাত পড়ি, আমাদের স্ত্রী ও মেয়েরা বাড়িতে সালাত আদায় করে। তাই বলে বাড়িকে ‘মসজিদ’ হিসেবে অভিহিত করা যাবে না। অথবা কোন কোম্পানি, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি যদি তার কর্মচারী বা শিক্ষার্থীদের সালাতের জন্য নির্দিষ্ট একটি কক্ষকে ‘নামাজের স্থান’ বানায় তাহলে এটি উন্মুক্ত মসজিদ হিসেবে গণ্য হবে না এবং মসজিদের সকল বিধি-বিধান সেখানে কার্যকর হবে না। মোটকথা, মসজিদ নির্মাণ করার পর সর্বসাধারণের সালাতের জন্য স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত করার পর তা একক ব্যক্তির অধীনে পরিচালিত হতে ইসলামে কোন বাধা নেই। তবে তা ওয়াকফ হিসেবে পরিগণিত হবে এবং ব্যক্তি মালিকানা থেকে বের হয়ে যাবে। সুতরাং ইচ্ছা করলেই জমি দাতা বা নির্মানকারী উক্ত জায়গা বিক্রয় বা দান করতে পারবে না বা তা মসজিদ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে না। আল্লাহু আলাম ▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬ উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan Head Office: The Holy Quran Islamic School Kalitola, Sadar, Dinajpur, Bangladesh. Call: 01710-649751 ই-মেইল: avasmultimedia@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
এককভাবে মসজিদ পরিচালনা এবং মসজিদ ওয়াকফ সংক্রান্ত কতিপয় বিধিবিধান
0:00 0:00
1.0x