আভাস মাল্টিমিডিয়া

শিয়ারা কি কাফের না মুসলিম? জেনে নেই তাদের আকিদা।


প্রকাশ : ২০ মে ২০২৪ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

শিয়ারা কি কাফের না মুসলিম?  জেনে নেই তাদের আকিদা।
“বাগদাদের অভিজাতদের একজন হাসান বিন সাফি তুর্কি যিনি গোঁড়া শি-য়া রাফেযী ছিলেন। যখন তার মৃ-ত্যু হলো তো আহলুস সুন্নাতের সমস্ত লোকেরা তার মৃ-ত্যুতে খুশি উদযাপন করলো এবং আল্লহর শুকরিয়া আদায় করলো। এমন একজন বান্দাও ছিলো না যে কিনা তার মৃত্যু সংবাদ শুনে আল্লহর হামদ ও ছানা পাঠ করে নি। ” ?[ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ: ১২/৩৩৮] আলহামদুলিল্লাহ! আজ সেই খুশি আবার অন্তরে উদ্ভাসিত হয়েছে কেবল শিয়াদের দালা-লরাই আহলুস সুন্নাহর মুখোশে তাদের জন্য শোক ব্যক্ত করবে। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ ◉ শিয়া-রফিযিয়া সম্প্রদায়ের কতিপয় মৌলিক আকীদা ও বিশ্বাস◉ ইরান বিপ্লব যে মতাদর্শে বিশ্বাসী তা হল ‘ইমামিয়া ইসনা আশারিয়া’ মতবাদ। এটি একটি গোঁড়া শিয়া-রফিযিয়া ফিরকা। ❏এদের মৌলিক কিছু আকীদা নিম্নরূপ ◈১) আল্লহর সাথে শিরক: অর্থাৎ এ মতবাদে বিশ্বাসীরা তাদের ইমামদের নিকট দুয়া করে, তাদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে, তাদের কবরে যায় হজ্জ করার উদ্দেশ্যে, তাদের কবরে তওয়াফ করে, কবর জাপটে ধরে বরকত নেয়। এরা এই সব কবরকে কাবা এবং বাইতুল্লহর চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করে। ◈২) তারা এ দাবী করে যে, ইমামত হল দীনের একটি রোকন বা স্তম্ভ। রসূল ﷺ এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে গেছেন। তিনি ইমাম হওয়ার বিষয়টি ১২ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন। ◈৩) তারা বলে, ইমামগণ ভুল-ত্রুটির উর্দ্ধে। তারা নিষ্পাপ। তারা অদৃশ্যের সব খবর রাখেন এবং এ বিশ্বজগত পরিচালনায় তাদেরও ক্ষমতা রয়েছে। ◈৪) তারা মনে করে প্রতিক্ষিত ইমাম মাহদী বর্তমানে ইরাকের সিরডাপ সামুররায় আত্মগোপন করে আছে। ◈৫) তারা মনে করে কুরআনকে বিকৃত করা হয়েছে এবং তা অপূর্ণ। ◈৬) ৪ জন সাহাবী (আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (র) ছাড়া সব সাহাবীকে কা-ফি-র মনে করা এবং গা-লাগা-লী করা। বিশেষ করে আবু বকর (র), উমর (র), এবং আইশা (র),কে। ◈৭) ‘তাকিয়া’ (চরম গোপনীয়তা রক্ষা) নীতি অবলম্বন করা। এরা আহলে সুন্নাহর প্রতি ভয়ানক শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করে কিন্তু বাহ্যিক আচরণে সেটা প্রকাশ করে না। ◈৮) তারা বাদাআত মতবাদে বিশ্বাসী। অর্থাৎ তারা বিশ্বাস করে যে, আল্লহর নিকট এমন কিছু প্রকাশিত হয় যা তিনি আগে জানতেন না। যার কারণে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। ◈৯) যে সব আহলে সুন্নতের লোকেরা তাদের বিরোধীতা করে তাদেরকে তারা শুধু কা-ফি-রই মনে করে না বরং মনে করে তাদেরকে হত্যা করা এবং সম্পদ লুণ্ঠণ করা তাদের জন্য বৈধ। ◈১০) মুতা বিবাহ (তথা শরীয়ত সম্মত বিবাহ ছাড়া) নারী সম্ভোগ করা বৈধ। এই হল হুতী-শিয়া সম্প্রদায় সম্পর্কে এবং তাদের কার্যক্রম, উৎস, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা। আল্লহর নিকট দুয়া করি, তিনি যেন তাদেরকে হেদায়াত দান করেন এবং মুসলিমদেরকে তাদের অনিষ্ট ও ষড়য-ন্ত্রের কবল থেকে হেফাজত করেন। নিশ্চয় তিনি সব ব্যাপারে ক্ষমতাশীল। ❏-অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

আভাস মাল্টিমিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


শিয়ারা কি কাফের না মুসলিম? জেনে নেই তাদের আকিদা।

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৪

featured Image
“বাগদাদের অভিজাতদের একজন হাসান বিন সাফি তুর্কি যিনি গোঁড়া শি-য়া রাফেযী ছিলেন। যখন তার মৃ-ত্যু হলো তো আহলুস সুন্নাতের সমস্ত লোকেরা তার মৃ-ত্যুতে খুশি উদযাপন করলো এবং আল্লহর শুকরিয়া আদায় করলো। এমন একজন বান্দাও ছিলো না যে কিনা তার মৃত্যু সংবাদ শুনে আল্লহর হামদ ও ছানা পাঠ করে নি। ” ?[ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ: ১২/৩৩৮] আলহামদুলিল্লাহ! আজ সেই খুশি আবার অন্তরে উদ্ভাসিত হয়েছে কেবল শিয়াদের দালা-লরাই আহলুস সুন্নাহর মুখোশে তাদের জন্য শোক ব্যক্ত করবে। ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ ◉ শিয়া-রফিযিয়া সম্প্রদায়ের কতিপয় মৌলিক আকীদা ও বিশ্বাস◉ ইরান বিপ্লব যে মতাদর্শে বিশ্বাসী তা হল ‘ইমামিয়া ইসনা আশারিয়া’ মতবাদ। এটি একটি গোঁড়া শিয়া-রফিযিয়া ফিরকা। ❏এদের মৌলিক কিছু আকীদা নিম্নরূপ ◈১) আল্লহর সাথে শিরক: অর্থাৎ এ মতবাদে বিশ্বাসীরা তাদের ইমামদের নিকট দুয়া করে, তাদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করে, তাদের কবরে যায় হজ্জ করার উদ্দেশ্যে, তাদের কবরে তওয়াফ করে, কবর জাপটে ধরে বরকত নেয়। এরা এই সব কবরকে কাবা এবং বাইতুল্লহর চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করে। ◈২) তারা এ দাবী করে যে, ইমামত হল দীনের একটি রোকন বা স্তম্ভ। রসূল ﷺ এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে গেছেন। তিনি ইমাম হওয়ার বিষয়টি ১২ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছেন। ◈৩) তারা বলে, ইমামগণ ভুল-ত্রুটির উর্দ্ধে। তারা নিষ্পাপ। তারা অদৃশ্যের সব খবর রাখেন এবং এ বিশ্বজগত পরিচালনায় তাদেরও ক্ষমতা রয়েছে। ◈৪) তারা মনে করে প্রতিক্ষিত ইমাম মাহদী বর্তমানে ইরাকের সিরডাপ সামুররায় আত্মগোপন করে আছে। ◈৫) তারা মনে করে কুরআনকে বিকৃত করা হয়েছে এবং তা অপূর্ণ। ◈৬) ৪ জন সাহাবী (আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (র) ছাড়া সব সাহাবীকে কা-ফি-র মনে করা এবং গা-লাগা-লী করা। বিশেষ করে আবু বকর (র), উমর (র), এবং আইশা (র),কে। ◈৭) ‘তাকিয়া’ (চরম গোপনীয়তা রক্ষা) নীতি অবলম্বন করা। এরা আহলে সুন্নাহর প্রতি ভয়ানক শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করে কিন্তু বাহ্যিক আচরণে সেটা প্রকাশ করে না। ◈৮) তারা বাদাআত মতবাদে বিশ্বাসী। অর্থাৎ তারা বিশ্বাস করে যে, আল্লহর নিকট এমন কিছু প্রকাশিত হয় যা তিনি আগে জানতেন না। যার কারণে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। ◈৯) যে সব আহলে সুন্নতের লোকেরা তাদের বিরোধীতা করে তাদেরকে তারা শুধু কা-ফি-রই মনে করে না বরং মনে করে তাদেরকে হত্যা করা এবং সম্পদ লুণ্ঠণ করা তাদের জন্য বৈধ। ◈১০) মুতা বিবাহ (তথা শরীয়ত সম্মত বিবাহ ছাড়া) নারী সম্ভোগ করা বৈধ। এই হল হুতী-শিয়া সম্প্রদায় সম্পর্কে এবং তাদের কার্যক্রম, উৎস, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা। আল্লহর নিকট দুয়া করি, তিনি যেন তাদেরকে হেদায়াত দান করেন এবং মুসলিমদেরকে তাদের অনিষ্ট ও ষড়য-ন্ত্রের কবল থেকে হেফাজত করেন। নিশ্চয় তিনি সব ব্যাপারে ক্ষমতাশীল। ❏-অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan Head Office: The Holy Quran Islamic School Kalitola, Sadar, Dinajpur, Bangladesh. Call: 01710-649751 ই-মেইল: avasmultimedia@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
শিয়ারা কি কাফের না মুসলিম? জেনে নেই তাদের আকিদা।
0:00 0:00
1.0x