আভাস মাল্টিমিডিয়া

সালাফিয়্যাহ কী?


প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

সালাফিয়্যাহ কী?
সালাফিয়্যাহ কী?
সালফিয়্যাহ অর্থাৎ ইসলামের সেই বিশুদ্ধ ধারা যা ছিল সাহাবা, তাবেঈন এবং তাঁদের অনুসারী সালাফে সালিহিনের উপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর অনুসরণ সালাফদের বোধ ও পদ্ধতির আলোকে আকিদা, ইবাদত, লেনদেন ও দাওয়াতের সব ক্ষেত্রে।
শাসকের প্রকাশ্য সমালোচনা করা কি জায়েজ?
উত্তর প্রদানে: আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রাহ.
প্রশ্ন: একজন প্রশ্নকারী জিজ্ঞেস করেছেন:
কিছু লোক বলে থাকে যে, “শাসকদের প্রকাশ্যে ভুল ধরানোই সালাফদের পদ্ধতি।” তারা দলিল হিসেবে তুলে ধরে আবু সাঈদ আল-খুদরী রা.-এর ঘটনাটি, যখন তিনি মারওয়ান ইবনুল হাকামের উপর প্রকাশ্যে আপত্তি করেছিলেন। কারণ সে খুতবাহকে সালাতের আগে রেখেছিল।
আবার তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর এই বাণীও উদ্ধৃত করে থাকেন:
«سيكون بعدي أمراء، فمن أنكر فقد برئ، ومن كره فقد سلم، ولكن من رضي وتابع»
“আমার পর এমন শাসক আসবে, যারা অন্যায় করবে; যে ব্যক্তি তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট থাকবে সে মুক্ত থাকবে, যে তাদের অন্যায়কে অপছন্দ করবে সে নিরাপদ থাকবে; কিন্তু যে তাদের প্রতি সন্তুষ্ট ও অনুসারী হবে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।”
এবং এ হাদিসও তারা দলিল হিসেবে আনে:
«سيد الشهداء حمزة، ورجل قام إلى إمام جائر فأمره ونهاه فقتله»
“শহিদদের নেতা হলেন হামজা এবং সেই ব্যক্তি যে একজন জালেম শাসকের সামনে দাঁড়িয়ে তাকে ভালো কাজে আদেশ করল ও মন্দ থেকে নিষেধ করল, তারপর সে তাকে হত্যা করল।”
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, এই দলিলগুলো কি সত্যিই প্রমাণ করে যে শাসকদের উপর প্রকাশ্যে আপত্তি করা সালাফদের পদ্ধতি?
আর কীভাবে এসব হাদিসের সাথে সমন্বয় করা যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর অন্য বাণীর সাথে, যেখানে তিনি বলেছেন:
«من أراد أن ينصح لذي سلطان فلا يُبده علانية، ولكن ليأخذ بيده فيخلوا به، فإن قبل منه فذاك، وإلا فقد أدى الذي عليه»
“যে ব্যক্তি শাসককে উপদেশ দিতে চায়, সে যেন প্রকাশ্যে তা না করে; বরং তার হাত ধরে একান্তে উপদেশ দিক। যদি সে গ্রহণ করে তবে ভালো; আর যদি না করে, তবে সে তার দায়িত্ব পালন করেছে।”
? উত্তরে আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রাহ. বলেন:
নিঃসন্দেহে মন্দ কাজে বাধা দেওয়া ও ভালো কাজে উৎসাহ দেওয়া প্রতিটি সক্ষম ব্যক্তির জন্য ফরজ। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ ۚ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ﴾
“তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকুক যারা মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎ কাজের আদেশ দেবে ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে তারাই সফলকাম।” [সূরা আলে ইমরান: ১০৪]
আর আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,
لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُودَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا وَّكَانُوا يَعْتَدُونَ ۝ كَانُوا لَا يَتَنَاهَوْنَ عَن مُّنكَرٍ فَعَلُوهُ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ
“বনী ইসরাঈলের কাফেররা দাউদ ও ঈসা ইবনু মারইয়ামের জবান দ্বারা অভিশপ্ত হয়েছিল। এটা এজন্য যে তারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করেছিল ও সীমা অতিক্রম করেছিল। তারা পরস্পরকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখত না; তারা যা করত তা ছিল অত্যন্ত নিকৃষ্ট।” [সূরা আল-মায়িদাহ: ৭৮–৭৯]
এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
«لتأمرنّ بالمعروف، ولتنهونّ عن المنكر، أو ليُسلِّطنّ الله عليكم شراركم، فيدعو خياركم فلا يُستجاب لهم»
“তোমরা অবশ্যই ভালো কাজের আদেশ করবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে, নতুবা আল্লাহ তোমাদের উপর তোমাদের মধ্যে খারাপ লোকদেরকে কর্তৃত্ব দান করবেন; তখন তোমাদের সৎ লোকেরা দো‘আ করবে, কিন্তু তাদের দো‘আ কবুল করা হবে না।”
[ইমাম আহমাদ প্রমুখ বর্ণনা করেছেন]
তবে জানা উচিত যে, এসব আদেশ-নিষেধ শরিয়তের নির্ধারিত সীমা ও প্রজ্ঞার সাথে যুক্ত।
➡️ যদি দেখা যায় যে প্রকাশ্যে আপত্তি করলে মন্দ কাজ দূর হবে এবং কল্যাণ আসবে, তাহলে প্রকাশ্যে আপত্তি করা জায়জ। বরং কখনো তা উত্তম হতে পারে।
➡️ কিন্তু যদি দেখা যায় যে প্রকাশ্যে আপত্তি করলে মন্দ কাজ আরও বাড়বে, ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে, বা শাসকরা আরও নির্যাতন করবে ও দাওয়াতি কাজ ব্যাহত হবে তাহলে তখন গোপনে উপদেশ দেওয়াই উত্তম ও শরিয়তসম্মত।
এভাবেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর হাদিসগুলোকে মিলিয়ে দেখা যায়।
? দলিলগুলোর সমন্বয়
যেসব হাদিস ও বর্ণনা প্রকাশ্যে আপত্তির কথা বলে, সেগুলো তখন প্রযোজ্য যখন প্রকাশ্যে আপত্তির মাধ্যমে কল্যাণের আশা থাকে এবং ফিতনা সৃষ্টি হয় না। আর যেসব হাদিস গোপন উপদেশের কথা বলে, সেগুলো তখন প্রযোজ্য যখন প্রকাশ্যে আপত্তি করলে ফিতনা বা বড় ক্ষতি দেখা দেয়।
সুতরাং শরিয়তের নির্দেশনা মেনে মসলা-মফসাদাহ (কল্যাণ-অকল্যাণ) বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে।
মোটকথা, মন্দ কাজে বাধা দেওয়া ও উপদেশ দেওয়া ফরজ। তবে তা করতে হবে বিবেক, প্রজ্ঞা ও শরিয়তের সীমা মেনে। প্রকাশ্যে আপত্তি তখনই করা যাবে যখন তাতে কল্যাণের আশা আছে ও ফিতনার আশঙ্কা নেই। গোপনে উপদেশ দেওয়া হবে যখন প্রকাশ্যে করলে ফিতনা ও ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। সলফিয়্যাহ মানে হলো সব দলিলকে একত্রে গ্রহণ করা, একদিকের দলিল নিয়ে অন্য দিক ছেড়ে দেওয়া নয়।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
অনুবাদ:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

আভাস মাল্টিমিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


সালাফিয়্যাহ কী?

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
সালাফিয়্যাহ কী?
সালফিয়্যাহ অর্থাৎ ইসলামের সেই বিশুদ্ধ ধারা যা ছিল সাহাবা, তাবেঈন এবং তাঁদের অনুসারী সালাফে সালিহিনের উপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর অনুসরণ সালাফদের বোধ ও পদ্ধতির আলোকে আকিদা, ইবাদত, লেনদেন ও দাওয়াতের সব ক্ষেত্রে।
শাসকের প্রকাশ্য সমালোচনা করা কি জায়েজ?
উত্তর প্রদানে: আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রাহ.
প্রশ্ন: একজন প্রশ্নকারী জিজ্ঞেস করেছেন:
কিছু লোক বলে থাকে যে, “শাসকদের প্রকাশ্যে ভুল ধরানোই সালাফদের পদ্ধতি।” তারা দলিল হিসেবে তুলে ধরে আবু সাঈদ আল-খুদরী রা.-এর ঘটনাটি, যখন তিনি মারওয়ান ইবনুল হাকামের উপর প্রকাশ্যে আপত্তি করেছিলেন। কারণ সে খুতবাহকে সালাতের আগে রেখেছিল।
আবার তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর এই বাণীও উদ্ধৃত করে থাকেন:
«سيكون بعدي أمراء، فمن أنكر فقد برئ، ومن كره فقد سلم، ولكن من رضي وتابع»
“আমার পর এমন শাসক আসবে, যারা অন্যায় করবে; যে ব্যক্তি তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট থাকবে সে মুক্ত থাকবে, যে তাদের অন্যায়কে অপছন্দ করবে সে নিরাপদ থাকবে; কিন্তু যে তাদের প্রতি সন্তুষ্ট ও অনুসারী হবে সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।”
এবং এ হাদিসও তারা দলিল হিসেবে আনে:
«سيد الشهداء حمزة، ورجل قام إلى إمام جائر فأمره ونهاه فقتله»
“শহিদদের নেতা হলেন হামজা এবং সেই ব্যক্তি যে একজন জালেম শাসকের সামনে দাঁড়িয়ে তাকে ভালো কাজে আদেশ করল ও মন্দ থেকে নিষেধ করল, তারপর সে তাকে হত্যা করল।”
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, এই দলিলগুলো কি সত্যিই প্রমাণ করে যে শাসকদের উপর প্রকাশ্যে আপত্তি করা সালাফদের পদ্ধতি?
আর কীভাবে এসব হাদিসের সাথে সমন্বয় করা যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর অন্য বাণীর সাথে, যেখানে তিনি বলেছেন:
«من أراد أن ينصح لذي سلطان فلا يُبده علانية، ولكن ليأخذ بيده فيخلوا به، فإن قبل منه فذاك، وإلا فقد أدى الذي عليه»
“যে ব্যক্তি শাসককে উপদেশ দিতে চায়, সে যেন প্রকাশ্যে তা না করে; বরং তার হাত ধরে একান্তে উপদেশ দিক। যদি সে গ্রহণ করে তবে ভালো; আর যদি না করে, তবে সে তার দায়িত্ব পালন করেছে।”
? উত্তরে আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রাহ. বলেন:
নিঃসন্দেহে মন্দ কাজে বাধা দেওয়া ও ভালো কাজে উৎসাহ দেওয়া প্রতিটি সক্ষম ব্যক্তির জন্য ফরজ। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ ۚ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ﴾
“তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকুক যারা মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎ কাজের আদেশ দেবে ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে তারাই সফলকাম।” [সূরা আলে ইমরান: ১০৪]
আর আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,
لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُودَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا وَّكَانُوا يَعْتَدُونَ ۝ كَانُوا لَا يَتَنَاهَوْنَ عَن مُّنكَرٍ فَعَلُوهُ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ
“বনী ইসরাঈলের কাফেররা দাউদ ও ঈসা ইবনু মারইয়ামের জবান দ্বারা অভিশপ্ত হয়েছিল। এটা এজন্য যে তারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করেছিল ও সীমা অতিক্রম করেছিল। তারা পরস্পরকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখত না; তারা যা করত তা ছিল অত্যন্ত নিকৃষ্ট।” [সূরা আল-মায়িদাহ: ৭৮–৭৯]
এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
«لتأمرنّ بالمعروف، ولتنهونّ عن المنكر، أو ليُسلِّطنّ الله عليكم شراركم، فيدعو خياركم فلا يُستجاب لهم»
“তোমরা অবশ্যই ভালো কাজের আদেশ করবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে, নতুবা আল্লাহ তোমাদের উপর তোমাদের মধ্যে খারাপ লোকদেরকে কর্তৃত্ব দান করবেন; তখন তোমাদের সৎ লোকেরা দো‘আ করবে, কিন্তু তাদের দো‘আ কবুল করা হবে না।”
[ইমাম আহমাদ প্রমুখ বর্ণনা করেছেন]
তবে জানা উচিত যে, এসব আদেশ-নিষেধ শরিয়তের নির্ধারিত সীমা ও প্রজ্ঞার সাথে যুক্ত।
➡️ যদি দেখা যায় যে প্রকাশ্যে আপত্তি করলে মন্দ কাজ দূর হবে এবং কল্যাণ আসবে, তাহলে প্রকাশ্যে আপত্তি করা জায়জ। বরং কখনো তা উত্তম হতে পারে।
➡️ কিন্তু যদি দেখা যায় যে প্রকাশ্যে আপত্তি করলে মন্দ কাজ আরও বাড়বে, ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে, বা শাসকরা আরও নির্যাতন করবে ও দাওয়াতি কাজ ব্যাহত হবে তাহলে তখন গোপনে উপদেশ দেওয়াই উত্তম ও শরিয়তসম্মত।
এভাবেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম–এর হাদিসগুলোকে মিলিয়ে দেখা যায়।
? দলিলগুলোর সমন্বয়
যেসব হাদিস ও বর্ণনা প্রকাশ্যে আপত্তির কথা বলে, সেগুলো তখন প্রযোজ্য যখন প্রকাশ্যে আপত্তির মাধ্যমে কল্যাণের আশা থাকে এবং ফিতনা সৃষ্টি হয় না। আর যেসব হাদিস গোপন উপদেশের কথা বলে, সেগুলো তখন প্রযোজ্য যখন প্রকাশ্যে আপত্তি করলে ফিতনা বা বড় ক্ষতি দেখা দেয়।
সুতরাং শরিয়তের নির্দেশনা মেনে মসলা-মফসাদাহ (কল্যাণ-অকল্যাণ) বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে।
মোটকথা, মন্দ কাজে বাধা দেওয়া ও উপদেশ দেওয়া ফরজ। তবে তা করতে হবে বিবেক, প্রজ্ঞা ও শরিয়তের সীমা মেনে। প্রকাশ্যে আপত্তি তখনই করা যাবে যখন তাতে কল্যাণের আশা আছে ও ফিতনার আশঙ্কা নেই। গোপনে উপদেশ দেওয়া হবে যখন প্রকাশ্যে করলে ফিতনা ও ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। সলফিয়্যাহ মানে হলো সব দলিলকে একত্রে গ্রহণ করা, একদিকের দলিল নিয়ে অন্য দিক ছেড়ে দেওয়া নয়।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
অনুবাদ:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan Head Office: The Holy Quran Islamic School Kalitola, Sadar, Dinajpur, Bangladesh. Call: 01710-649751 ই-মেইল: avasmultimedia@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
সালাফিয়্যাহ কী?
0:00 0:00
1.0x