ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
আভাস মাল্টিমিডিয়া

মহাকাশবিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস



মহাকাশবিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

মহাকাশবিজ্ঞানে নতুন এক ইতিহাস তৈরি হতে যাচ্ছে। ইতিহাসের সবচেয়ে উঁচু ও শক্তিশালী রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে স্পেসএক্স। মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের তৈরি স্টারশিপ রকেটের একটি ব্যাপক উন্নত সংস্করণ মহাকাশে পাঠাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৯ মে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত স্পেসএক্সের স্টারবেজ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে রকেটটি উড়ানো হবে।

এই অভিযানের দিকে কড়া নজর রাখছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২৮ সালের মধ্যে আবারো চাঁদে মানুষ পাঠানোর যে পরিকল্পনা নাসা হাতে নিয়েছে, তা অনেকটাই এই স্টারশিপ রকেটের সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল। স্টারশিপ রকেটের মূলত দু’টি অংশ রয়েছে। এর ওপরের অংশটিকে বলা হয় স্টারশিপ। আর নিচের অংশটির নাম সুপার হেভি। এবারের অভিযানে দুই অংশেরই সম্পূর্ণ নতুন সংস্করণ ভার্সন ৩ ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুরো রকেটটির মোট উচ্চতা হবে ১২৪ মিটার। এটি স্পেসএক্সের আগের সংস্করণের চেয়ে প্রায় ১ মিটার বেশি উঁচু। এই উচ্চতা নাসার বর্তমান স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে চাঁদে নভোচারী পাঠানো বিখ্যাত স্যাটার্ন ৫ রকেটের উচ্চতাকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে। স্যাটার্ন ৫ রকেটের উচ্চতা ছিল ১১১ মিটার।

রকেটটির শক্তিও বিস্ময়কর। উৎক্ষেপণের সময় এটি ৭৫ হাজার কিলোনিউটন ধাক্কা তৈরি করতে পারবে। এটি নাসার এসএলএস রকেটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যালিস্টারের হিসাব অনুযায়ী, এই রকেটের সব ইঞ্জিন যখন পূর্ণ শক্তিতে চালু হবে, তখন তা পুরো জার্মানির উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের চেয়ে বেশি শক্তি তৈরি করবে।

আভাস মাল্টিমিডিয়া

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬


মহাকাশবিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

মহাকাশবিজ্ঞানে নতুন এক ইতিহাস তৈরি হতে যাচ্ছে। ইতিহাসের সবচেয়ে উঁচু ও শক্তিশালী রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে স্পেসএক্স। মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের তৈরি স্টারশিপ রকেটের একটি ব্যাপক উন্নত সংস্করণ মহাকাশে পাঠাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৯ মে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত স্পেসএক্সের স্টারবেজ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে রকেটটি উড়ানো হবে।

এই অভিযানের দিকে কড়া নজর রাখছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২৮ সালের মধ্যে আবারো চাঁদে মানুষ পাঠানোর যে পরিকল্পনা নাসা হাতে নিয়েছে, তা অনেকটাই এই স্টারশিপ রকেটের সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল। স্টারশিপ রকেটের মূলত দু’টি অংশ রয়েছে। এর ওপরের অংশটিকে বলা হয় স্টারশিপ। আর নিচের অংশটির নাম সুপার হেভি। এবারের অভিযানে দুই অংশেরই সম্পূর্ণ নতুন সংস্করণ ভার্সন ৩ ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুরো রকেটটির মোট উচ্চতা হবে ১২৪ মিটার। এটি স্পেসএক্সের আগের সংস্করণের চেয়ে প্রায় ১ মিটার বেশি উঁচু। এই উচ্চতা নাসার বর্তমান স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে চাঁদে নভোচারী পাঠানো বিখ্যাত স্যাটার্ন ৫ রকেটের উচ্চতাকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে। স্যাটার্ন ৫ রকেটের উচ্চতা ছিল ১১১ মিটার।

রকেটটির শক্তিও বিস্ময়কর। উৎক্ষেপণের সময় এটি ৭৫ হাজার কিলোনিউটন ধাক্কা তৈরি করতে পারবে। এটি নাসার এসএলএস রকেটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যালিস্টারের হিসাব অনুযায়ী, এই রকেটের সব ইঞ্জিন যখন পূর্ণ শক্তিতে চালু হবে, তখন তা পুরো জার্মানির উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের চেয়ে বেশি শক্তি তৈরি করবে।


আভাস মাল্টিমিডিয়া

Fonuder & Director: Kaji Asad Bin Romjan
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত আভাস মাল্টিমিডিয়া
মহাকাশবিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস
0:00 0:00
1.0x