মানবজীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব ও ফজিলত -তাওহীদ বিন ইব্রাহিম
ভূমিকা:মানবচরিত্রের সর্বোত্তম ভূষণ এবং ইসলামের আধ্যাত্মিক ও ব্যবহারিক জীবনের মূল চালিকাশক্তি হলো 'তাকওয়া'। এটি এমন এক অনন্য গুণ, যা মানুষের ঈমানকে পূর্ণতা দেয় এবং আল্লাহর দরবারে বান্দার মর্যাদার স্তর নির্ধারণ করে। মানবজীবনে অন্যায়, পাপাচার, নৈতিক স্খলন ও পঙ্কিলতা থেকে দূরে থেকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একমাত্র শরিয়তসম্মত ঢাল হলো তাকওয়া। পৃথিবীর সামগ্রিক শান্তিশৃঙ্খলা ও ন্যায়পরায়ণতা মুত্তাকী বা খোদাভীরু সমাজ গঠনের ওপর নির্ভরশীল। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাকওয়া অবলম্বনের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়ে বলেছেন:يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম) না হয়ে কোনো অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ কোরো না।" (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২)তাকওয়ার শাব্দিক ও পারিভাষিক বিশ্লেষণ:১. শাব্দিক অর্থ:'তাকওয়া' (التقوى) শব্দটি আরবি 'আল-উইকায়াহ' (الوقاية) ধাতু থেকে উৎপন্ন। এর শাব্দিক অর্থ হলো-আত্মরক্ষা করা, বেঁচে থাকা, নিজেকে কোনো ক্ষতি বা ক্ষতিকর বস্তু থেকে বাঁচিয়ে রাখা এবং সংযম অবলম্বন করা। ইমাম ইবনু মনযুর (রহ.) তাঁর বিখ্যাত অভিধান গ্রন্থে লিখেছেন, শরিয়তের পরিভাষায় নিজেকে গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখার মাধ্যমেই তাকওয়া অর্জিত হয়। (লিসানুল আরব: ১৫/৪০১)। আরবি সাহিত্যে একটি সুপরিচিত প্রবাদ রয়েছে: "الْوِقَايَةُ خَيْرٌ مِنَ الْعِلَاجِ" (অর্থাৎ, রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম)।২. পারিভাষিক অর্থ ও সালাফে সালেহীনের দৃষ্টিভঙ্গি:ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায়, মহান আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে তাঁর আদেশসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খ পালন করা এবং নিষেধসমূহ কঠোরভাবে বর্জন করার নামই তাকওয়া। ইসলামের প্রখ্যাত ইমাম ও স্কলারগণ তাকওয়ার অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও তাত্ত্বিক সংজ্ঞা প্রদান করেছেন: আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবী তালিব (রা.)-এর সংজ্ঞা:هِيَ الْخَوْفُ مِنَ الْجَلِيلِ، وَالْعَمَلُ بِالتَّنْزِيلِ، وَالْقَنَاعَةُ بِالْقَلِيلِ، وَالِاسْتِعْدَادُ لِيَوْمِ الرَّحِيلِ.অর্থ : "তাকওয়া হলো-মহিমান্বিত আল্লাহকে ভয় করা, কিতাব (কুরআন) অনুযায়ী আমল করা, অল্পে তুষ্ট থাকা এবং পরকালের যাত্রার (মৃত্যুর) দিনের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা।" (ইমাম ইবনুল জাওযী, যাদুুল মাসীর: ১/১০৭)খলিফা ওমর ইবনুল আবদুল আজিজ (রহ.)-এর সংজ্ঞা:لَيْسَ تَقْوَى اللَّهِ بِصِيَامِ النَّهَارِ وَلَا بِقِيَامِ اللَّيْلِ وَالتَّخْلِيطِ فِيمَا بَيْنَ ذَلِكَ، وَلَكِنَّ تَقْوَى اللَّهِ تَرْكُ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَأَدَاءُ مَا افْتَرَضَ اللَّهُ.অর্থ: "কেবল দিনে রোজা রাখা, রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে থাকা এবং এর মাঝে গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়ার নাম তাকওয়া নয়; বরং আল্লাহর হারামকৃত বিষয়সমূহ বর্জন করা এবং তাঁর ফরজকৃত বিধানসমূহ আদায় করার নামই আল্লাহর তাকওয়া।" (ইমাম ইবনু রজব আল-হাম্বলী, জামিউল উলূমি ওয়াল হিকাম: ১/৪০০)শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.)-এর সংজ্ঞা:التَّقْوَى أَنْ يَعْمَلَ بِطَاعَةِ اللَّهِ عَلَى نُورٍ مِنَ اللَّهِ يَرْجُو ثَوَابَ اللَّهِ، وَيَتْرُكَ مَعْصِيَةَ اللَّهِ عَلَى نُورٍ مِنَ اللَّهِ يَخَافُ عِقَابَ اللَّهِ.অর্থ: "তাকওয়া হলো আল্লাহর দেওয়া আলোর (হেদায়েতের) ওপর ভিত্তি করে তাঁর সওয়াবের আশায় তাঁর আনুগত্যের কাজ করা এবং আল্লাহর আজাবের ভয়ে তাঁর হেদায়েতের আলোকেই পাপকাজ বর্জন করা।" (ইবনু তাইমিয়া, মজমুউল ফাতাওয়া: ১০/৪৩৩)বিখ্যাত তাবেয়ী তালক বিন হাবীব (রহ.)-এর সংজ্ঞা:إِذَا وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ فَأَطْفِئُوهَا بِالتَّقْوَى، قَالُوا: وَمَا التَّقْوَى؟ قَالَ: أَنْ تَعْمَلَ بِطَاعَةِ اللَّهِ عَلَى نُورٍ مِنَ اللَّهِ تَرْجُو ثَوَابَ اللَّهِ، وَأَنْ تَتْرُكَ مَعْصِيَةَ اللَّهِ عَلَى نُورٍ مِنَ اللَّهِ تَخَافُ عِقَابَ اللَّهِ.অর্থ : "যখন ফেতনা বা বিপর্যয় দেখা দেয়, তখন তোমরা তাকওয়া দিয়ে তা নির্বাপিত করো। লোকেরা জিজ্ঞেস করল: তাকওয়া কী? তিনি বললেন: আল্লাহর নূরের (জ্ঞানের) আলোতে তাঁর সওয়াবের প্রত্যাশায় তাঁর আনুগত্য করা এবং আল্লাহর শাস্তির ভয়ে তাঁরই আলোতে পাপাচার বর্জন করা।" (ইমাম ইবনুল কায়্যিম, রিসালাতুুত তাবূকিয়্যাহ: ১/১৬) হযরত উবাই ইবনে কাব (রা.)-এর চমৎকার উপমা:আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর ফারুক (রা.) একবার বিশিষ্ট সাহাবী হযরত উবাই ইবনে কাব (রা.)-কে তাকওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। তখন উবাই (রা.) একটি বাস্তবসম্মত উপমা দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "হে ওমর, আপনি কি কখনো কাঁটাযুক্ত সরু পথ দিয়ে হেঁটেছেন?" ওমর (রা.) বললেন, "হ্যাঁ, হেঁটেছি।" উবাই (রা.) পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, "তখন আপনি কীভাবে চলেছিলেন?" ওমর (রা.) উত্তর দিলেন, "আমি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাপড় গুটিয়ে সাবধানে চলেছি, যেন কোনো কাঁটা আমার গায়ে বা কাপড়ে লেগে না যায়।" তখন উবাই (রা.) বললেন, "দুনিয়ার পাপের কাঁটা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলার এই চরম সতর্কতার নামই হলো তাকওয়া।" (ইমাম ইবনে কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীঁম: ১/১৬৩)তাকওয়ার অপরিহার্য গুরুত্ব: কুরআন ও সুন্নাহর নিরিখপবিত্র কুরআনের বিভিন্ন সূরায় ও প্রসঙ্গে প্রায় ২৫০ বার তাকওয়া শব্দটির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, যা এর ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বের অকাট্য প্রমাণ।১. আল-কুরআনের ঘোষণা ও দলীল:মানবজাতির প্রতি প্রথম ঐশী নির্দেশ:يَا أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ"হে মানবসমাজ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো, যিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" (সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২১) পূর্বাপর সকল উম্মতের প্রতি আল্লাহর সমষ্টিক অসিয়ত:وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ"তোমাদের পূর্বে যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের এবং তোমাদেরকেও আমি নির্দেশ দিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো।" (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৩১) ২. হাদিস শরিফের নির্দেশনা ও দলীল:আল্লাহর দরবারে মানুষের মর্যাদার একমাত্র মাপকাঠি:হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! মানুষের মাঝে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি এরশাদ করলেন:اکرمهم عند الله اتقاهم "তাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যিনি তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী বা খোদাভীরু।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং- ৩৩৭৪; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৭৮) সর্বাবস্থায় ও সর্বস্থানে তাকওয়া অবলম্বনের সাধারণ নির্দেশ:হযরত আবু জর জিন্দেগী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন:اتَّقِ اللَّهَ حَيْثُمَا كُنْتَ وأَتْبِعِ السَّيِّئَةَ الْحسنةَ تَمْحُهَا، وخَالقِ النَّاسَ بخُلُقٍ حَسَنٍ"তুমি যেখানেই থাকো না কেন আল্লাহকে ভয় করো (তাকওয়া অবলম্বন করো), আর কোনো মন্দ কাজ হয়ে গেলে পরপরই একটি ভালো কাজ করো, যা মন্দটিকে মিটিয়ে দেবে এবং মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করো।" (সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং- ১৯৮৭; ইমাম তিরমিজি হাদিসটিকে হাসান-সহীহ বলেছেন) মুত্তাকী ও সৎ মানুষের সাহচর্য গ্রহণ:হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী কারীম (সা.)-কে বলতে শুনেছেন:لا تصاحب إلا مؤمنا ولا يأكل طعامك إلا تقي"তুমি মুমিন ব্যতীত অন্য কারো দীর্ঘমেয়াদী সঙ্গী হয়ো না এবং তোমার প্রস্তুতকৃত খাদ্য যেন কেবল পরহেজগার (মুত্তাকী) ব্যক্তিই আহার করে।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৮৩২; সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং- ২৩৯৫) তাকওয়ার কেন্দ্রবিন্দু কোথায়?তাকওয়া কোনো বাহ্যিক লৌকিকতা বা লোকদেখানো লেবাসের নাম নয়; বরং এর মূল উৎস ও চালিকাশক্তি হলো মানুষের অন্তরে। অন্তর যদি আল্লাহর ভয়ে সর্বদা জাগ্রত থাকে, তবে মানুষের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যায় থেকে দূরে থাকে।হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি দীর্ঘ হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজের বুকের দিকে ইশারা করে তিনবার স্পষ্ট করে বলেন:التقوى هاهنا"তাকওয়া ঠিক এখানে অবস্থান করে।" (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৫৬৪)মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ ও আমল নিয়ন্ত্রণ করে তার হৃদপিণ্ড বা কলব। হযরত নুমান ইবনে বশীর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:ألا وإن في الجسد مضغة إذا صلحت صلح الجسد كله وإذا فسدت فسد الجسد كله ألا وهي القلب"জেনে রেখো, মানবদেহে একটি মাংসপিণ্ড আছে; তা যখন সংশোধিত হয়ে যায়, গোটা শরীরই তখন সুবিন্যস্ত ও সংশোধিত হয়ে যায়। আর তা যখন দূষিত হয়, তখন গোটা শরীরই কলুষিত হয়ে যায়। জেনে রেখো, তা হলো অন্তর (কালব)।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং- ৫২; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ১৫৯৯)মুত্তাকীদের জন্য ঐশী পুরস্কার :সংকটকালীন মুক্তি ও অলৌকিক রিযিকের ব্যবস্থা:পার্থিব জীবনের নানামুখী অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট থেকে মুক্তির পথ আল্লাহ মুত্তাকীদের জন্য সহজ করে দেন। এরশাদ হয়েছে:وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا * وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ"আর যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেন। এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা আত-তালাক, আয়াত: ২-৩) আল্লাহর বিশেষ সাহায্য ও সান্নিধ্য লাভ:আল্লাহ তাআলা মুত্তাকী বান্দাদের ভালোবাসেন এবং তাদের সহায় হন। ইরশাদ হয়েছে:إِنَّ اللَّهَ مَعَ الَّذِينَ اتَّقَوْا وَالَّذِينَ هُمْ مُحْسِنُونَ"নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের সাথে আছেন যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যারা সৎকর্মপরায়ণ।" (সূরা আন-নাহল, আয়াত: ১২৮) পরকালীন চূড়ান্ত সফলতা ও জান্নাত লাভ:কঠিন কিয়ামতের দিনে একমাত্র তাকওয়াই হবে মুক্তির উপায়। আল্লাহ তাআলা বলেন:إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا * حَدَائِقَ وَأَعْنَابًا"নিশ্চয়ই মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে মহা সফলতা। (তা হলো চিরস্থায়ী) উদ্যানসমূহ ও আঙুরসমূহ।" (সূরা আন-নাবা, আয়াত: ৩১-৩২)উপসংহার:সামগ্রিক পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, তাকওয়া কেবল আধ্যাত্মিক উন্নতির সোপানই নয়, বরং এটি একটি শান্তিময়, বৈষম্যহীন ও অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। আধুনিক সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সততা, জবাবদিহিতা এবং নৈতিক মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় চলছে, তা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো ব্যক্তিগত জীবনে তাকওয়ার চর্চা বাড়ানো। সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান-আসুন, আমরা আমাদের চিন্তা, কর্ম ও আচরণে তাকওয়ার নীতি অবলম্বন করে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি নিশ্চিত করি। মহান আল্লাহ আমাদের সেই তৌফিক দান করুন। আমীন।সংকলনে-তাওহীদ বিন ইব্রাহিমদাওরায়ে হাদীস, মাদ্রাসা মুহাম্মাদীয়া আরাবিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা।পরিচালক, উম্মুল কুরা ইসলামিক একাডেমি, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর। প্রধান শিক্ষক, নারায়নপুর মিসবাহুল উলুম ক্বওমী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা।